শিরোনাম
সুনামগঞ্জের ছাতকে পু’লি’শের অ’ভি’যানে বিভিন্ন মা’ম’লার ৪ আ’সা’মি গ্রে’ফ’তার সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার সী’মা’ন্তে  নিঃস’ঙ্গ এক বার’কি শ্রমি’কের মৃ’ত্যু জৈন্তাপুরে ডিবি পুলিশের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ, নৌপথে সক্রিয় রুমনসহ একটি চক্র নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উ’দ্ধা’রে সহায়তার আহ্বান প্রতিকার চেয়ে বাঁশতলায় মানববন্ধন, ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ দোয়ারাবাজারে সরকারি কালভার্ট বন্ধ করে জলাবদ্ধতা, ঘরে ঢুকছে পানি । অভিনেতা রাহুলের স্মরণে- ইস্টবেঙ্গল মাঠে প্রাক্তন ফুটবলারদের নিয়ে- ট্রিবিউট ম্যাচ ২০২৬ ঠাকুরগাঁওয়ে কিশোরী গণধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার-৩ সিলেটে ফ্যামিলি সমাবেশ অনুষ্ঠিত জৈন্তাপুর উপজেলা সদরের ফতেহখাঁ রোডে বড় বড় গর্ত, চরম দুর্ভোগে পথচারীরা। সিলেটের জাফলং পর্যটন এলাকায় যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা: দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পর্যটক, হুমকিতে পরিবেশ
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন

ভৈরবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছেনা রোগীরা। যন্ত্রপাতি থাকলে ও পরীক্ষা – নীরিক্ষা করা হচ্ছেনা 

স্টাফ রিপোর্টার / ২৩১ Time View
Update : রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫

60

মোঃ ছাবির উদ্দিন রাজু ভৈরব কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

ভৈরবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছেনা রোগীরা। যন্ত্রপাতি থাকলে ও পরীক্ষা – নীরিক্ষা করা হচ্ছেনা । বাহিরে প্রাইভেট হাসপাতাল বা ক্লিনিকে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা খরচ ও সময় অপচয় করে করতে হচ্ছে পরীক্ষা – নীরিক্ষা । হাসপাতালে ১৩ জন চিকিৎসক থাকলে ও কেউই ঠিক সময়ে চেম্বারে আসেন না। আবার কেউ কেউ চেম্বারে সকাল ১০ টার পর চেম্বারে এলে ও দুপুর আড়াইটার আগেই চেম্বার ছেড়ে চলে যান। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে চিকিৎসা সেবা । তাছাড়া চিকিৎসক ও ঔষধ সংকটে দূর্ভোগে পড়েছে রোগীরা । রোগী ও এলাকাবাসিদের দাবী দূর্ভোগ লাঘবে সরকার দ্রƒত চিকিৎসক নিয়োগ ও ঔষধ সরবরাহ করে স্বাস্থ্য সেবার মান বজায় রাখবে । তবে চিকিৎসক সংকটের কথা স্বীকার করে হাসপাতাল কর্তৃপ্ক্ষ জানিয়েছেন এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে । চিকিৎসক নিয়োগ না দেয়ায় রোগীদের সেবা দিতে হিমসিম খেতে হচ্ছে তাদের।

 

ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হাসপাতাল । এ হাসপাতালটিতে শুধূ ভৈরব নয়,পার্শ্ববর্তী কুলিয়ারচর,আশুগঞ্জ,বেলাব,রায়পুরা থেকে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত বহিঃবিভাগে প্রতিদিন দেড়শ/২শ এবং আন্তঃবিভাগে ৭০/৮০ জন রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়ে থাকেন । কিন্ত দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসক ও ঔষধ সংকটে দূভোর্গে পড়েছে রোগীরা । পাশাপাশি এক্স-রে,আলট্রাসনোগ্রাম ও রক্ত পরীক্ষাসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা বাহিরে বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালে ও ক্লিনিকে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে করাতে হচ্ছে । তাই দূভোর্গ থেকে রেহাই পেতে চান রোগীরা ।

ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি শহরের চন্ডিবের গ্রামে অবস্থিত । এ হাসপাতালটি ১৯৬৪ সালে ১০ শয্যা হাসপাতাল হিসেবে চালু হয় । পরবর্তীতে ৩১ শয্যা এবং ২০০৫ সালে বিএনপি সরকারের আমলে ৫০ শয্যায় উন্নীত করণ করা হয় ।এরপর বিগত ২০২২ সালে আওয়ামীলীগ সরকার এটিকে ১শ শয্যায় অবকাঠামোগত উন্নত করণ করলে ও প্রশাসনিক অনুমোদন না থাকায় ৫০ শয্যার জনবল দিয়ে হাসপাতালের কার্যক্রম চলমান থাকার কথা থাকলে ও ৫০ শয্যার ও চিকিৎসক নেই ।৫০ শয্যার হাসপাতাল অনুযায়ী হাসপাতালে ২১ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও কাগজে পত্রে মাত্র ৭ জন চিকিৎসক । ৭ জনের মধ্যে ৩ জন চিকিৎসক প্রেষনে অন্যত্র রয়েছেন । বাকি ৪ জন চিকিৎসক রয়েছেন । ৪ জন চিকিৎসক ও সময় মতো চেম্বারে আসেন না । অধিকাংশ সময় ও তারা দেরী করে চেম্বারে আসেন । তাছাড়া দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চক্ষু,নাক,কান গলা,অর্থপেডিক ও চর্ম ও যৌন কনসালটেন্ট না থাকায় রোগীরা চিকিৎসা পাচ্ছেননা । তাছাড়া শিশু কনসালটেন্ট কাগজে পত্রে থাকলে ও তিনি ও প্রেষণে অন্যত্র বদলী হয়ে যাওয়ায় শিশুরা জটিল রোগে আক্রান্ত হলে ও চিকিৎসা নিতে পারছেননা । তাছাড়া এক্স-রে মেশিনের ফিল্ম এবং আলট্রসনোগ্রামের লোক না থাকায় রোগীরা বাইরে প্রাইভেট হাসপাতাল বা ক্লিনিকে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে হচ্ছে । তাছাড়া দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসের চিকিৎসক ও নেই । ফলে ডায়াবেটিস রোগীরা ও দূভোর্গে পড়েছে । পাশাপাশি হাসপাতাল থেকে বেশির ভাগ রোগীরাই ঔষধ সরবরাহ নেই বলে অভিযোগ রয়েছে ।

 

এ বিষয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী শফিকুল ইসলাম জানান,গত কয়েক মাস ধরে তিনি হাসপাতালে এসে ডায়াবেটিসের ঔষধ পাচ্ছেননা । তাছাড়া ডাক্তার ও দেখাতে পারছেননা । চেম্বারে ডাক্তার নেই ও ঔষধ নেই । এভাবে দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে । একই কথা জানালেন খাদিজা সহ অনেক রোগী ও স্বজনরা তারা আরো বলেন, শুধু ডাক্তার ঔষধ সমস্যায় নয় । পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও করাতে হচ্ছে বাহিরে ক্লিনিক থেকে । যে কয়জন ডাক্তার আছেন ্ তারা ও সময় মতো চেম্বারে আসেন না । সকাল বেলা ১০ টার পর চেম্বারে আসেন বেলা ১ টা বাজতেই চেম্বার ছেড়ে চলে যান । এটা যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে । অখচ ডাক্তাররা ৯ টায় ্এসে ২ টার পর চেম্বার ছেড়ে যাওয়ার কথা ।

এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ আঃ করিম চিকিৎসক সংকটের কথা স্বীকার করে বলেন । চিকিৎসক সংকটের কারণে হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমসিম খেতে হচ্ছে । হাসপাতালে। ৭ জনের মধ্যে ৩ জন চিকিৎসক প্রেষনে অন্যত্র রয়েছেন । বাকি ৪ জন চিকিৎসা দিচ্ছেন । তাছাড়াদীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চক্ষু,নাক,কান গলা,অর্থপেডিক ও চর্ম ও যৌন কনসালটেন্ট না থাকায় রোগীরা চিকিৎসা পাচ্ছেননা । তাছাড়া শিশু কনসালটেন্ট কাগজে পত্রে থাকলে ও তিনি ও প্রেষণে অন্যত্র বদলী হয়ে যাওয়ায় শিশুরা জটিল রোগে আক্রান্ত হলে ও চিকিৎসা নিতে পারছেন না ।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ