শিরোনাম
চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময় সিলেটে ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ভাবনা ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আমি আনন্দিত যে সিলেট সিটি কর্পোরেশন একজন অমায়িক মানুষকে তাদের প্রশাসক হিসেবে পেয়েছে– ডা, শফিকুর রহমান 
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে বালুদস্যুদের থাবায় বসতভিটা হারিয়ে বিপাকে এক ভুমিহীন পরিবার 

স্টাফ রিপোর্টার / ১৪০ Time View
Update : সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার:

শেরপুরের নালিতাবাড়িতে বালুদস্যুদের থাবায় বসতভিটা ও বাগান হারিয়ে বিপাকে রয়েছেন আবুল হাসেম নামে এক ভূমিহীন ও হতদরিদ্র পরিবার। আবুল হাসেম শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী ইউনিয়নের কুতুবেকুড়া গ্রামের মরহুম আব্দুল গনির ছেলে। জানা গেছে, আবুল হাসেম কুতুবেকুড়া চেল্লাখালি নদীর পাড়ে সরকারি খাস খতিয়ান ভূক্ত জমিতে ঘর-বাড়ী নির্মাণ করে বসবাসের পাশাপাশি ১০ শতাংশ জমিতে এক কাঠ বাগান গড়ে তুলেন। এ বসতঘর ও কাঠ বাগানটিই আবুল হাসেমের বেচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। ১ ছেলে ২ মেয়েসহ ৫ সদস্যের পরিবার তার। আবুল হাসেম ঢাকায় সিকিউরিটি গার্ডের চাকুরী করে পরিবারের লোকজনের ভরনপোষণ যুগিয়ে আসছিলেন। মাঝেমধ্যে বাড়িতে এলে পরিবার পরিজন নিয়ে ওই বাড়িতেই অবস্থান করেন। আবুল হাসেমর অভিযোগ তিনি বাড়িতে না থাকায় স্থানীয় প্রভাবশালী কতিপয় বালুদস্যু তার বাড়ির সামনে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন করে। নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে আবুল হাসেমের একটি ঘর নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায়। শুধু তাই নয় আবুল হাসেমের রোপণকৃত কাঠ বাগানটির সিংহভাগ চলে গেছে নদী গর্ভে। আবুল হাসেম জানান, প্রভাবশালী বালুদস্যুদের বাঁধা নিষেধের পাশাপাশি প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোন কাজে আসেনি। নিরুপায় হয়ে আবুল হাসেম গত প্রায় তিন মাস পুর্বে শেরপুর সিআর আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নালিতাবাড়ী উপজেলা সমবায় কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। কিন্তু উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা প্রভাবশালী বালুদস্যু বিবাদীদের পক্ষাশৃত হয়ে দীর্ঘ ৩ মাসেও প্রতিবেদন দাখিল করেননি বলে অভিযোগ করেন আবুল হাসেম। বর্তমানে আবৃল হাসেন বিচারের আশায় সমাজ প্রতিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে । এ বিষয়ে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমি বিবাদিদের পক্ষাশৃত হয়নি। সময়ের অভাবে প্রতিবেদনটি পাঠাতে দেড়ি হয়েছে। তবে এ সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলে জানান। তিনি বলেন সত্য ঘটনাই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হবে।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ