শিরোনাম
চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময় সিলেটে ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ভাবনা ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আমি আনন্দিত যে সিলেট সিটি কর্পোরেশন একজন অমায়িক মানুষকে তাদের প্রশাসক হিসেবে পেয়েছে– ডা, শফিকুর রহমান 
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ন

জমে উঠেছে নীলফামারীর ঐতিহ্যবাহী ভবানীগঞ্জ পশুর হাট

স্টাফ রিপোর্টার / ১৩৯ Time View
Update : সোমবার, ২ জুন, ২০২৫

নীলফামারী প্রতিনিধি:

কোরবানির ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই জমজমাট হয়ে উঠছে নীলফামারীর হাট-বাজারগুলো। জেলার অন্যতম ব্যস্ত ও ঐতিহ্যবাহী গোড়গ্রামের ভবানীগঞ্জ হাট এখন সরগরম কোরবানির পশু ও নানাবিধ পণ্যের কেনাবেচায়। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত ছাড়াও আশপাশের জেলা থেকেও ক্রেতা-বিক্রেতারা আসছেন এ হাটে। পরম যতেœ লালনপালন করা গরু, ছাগলসহ অন্যান্য কোরবানির পশুতে ভরে উঠেছে হাট প্রাঙ্গণ। ভিড় জমেছে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের। এরই সঙ্গে হাটে চলছে সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় কাঁচামালের বেচাকেনাও।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সরকার নির্ধারিত টোল হার অনুসারে গরু প্রতি ৫০০ টাকা, ছাগল ১৬০ টাকা, হাঁস-মুরগি ১০ টাকা এবং পেঁয়াজ-আদা-রসুন মনপ্রতি ১০ টাকা হারে আদায় করা হচ্ছে। পুরো হাটজুড়ে টোল আদায়ের বিষয়ে সচেতন করতে মাইকিং করা হচ্ছে। নির্ধারিত মূল্য ব্যতীত অতিরিক্ত টাকা না দিতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সতর্ক করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। জাল টাকা শনাক্তে স্থাপন করা হয়েছে বুথ ও মেশিন এবং নিয়মিত মনিটরিংয়ের জন্য মোতায়েন রয়েছেন সংশি¬ষ্ট কর্মকর্তারা।

হাঁটে আসা বিক্রেতা কবিনুর রহমান জানান, “গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার হাটের পরিবেশ ভালো। ব্যবস্থাপনাও উন্নত।” কাঁচামাল ব্যবসায়ী মোখছেদ আলী বলেন, “তহশীলদার নিয়মিত হাটে ঘুরে দেখছেন। কারও কাছ থেকে যেন অতিরিক্ত টাকা না নেওয়া হয়, তা নিশ্চিত করছেন।”

গরু ক্রেতা মফিজার রহমান বলেন, “আগে কখনও টোল-খাজনার চার্ট চোখে পড়েনি। এবার হাটে বিভিন্ন জায়গায় চার্ট টাঙানো রয়েছে। এতে সব পণ্যের নির্ধারিত টোল স্পষ্টভাবে উলে¬খ রয়েছে, যা আমাদের জন্য সুবিধাজনক।”

গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা এ এম কাউসার ঈ হুদা বলেন, “হাটে নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চলছে। কেউ যেন অতিরিক্ত টোল আদায় করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রয়েছে। ফলে ক্রেতা-বিক্রেতারা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ক্রয়-বিক্রয় করতে পারছেন।”

নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “সরকার নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত টোল নেওয়া যাবে না, এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো ব্যত্যয় হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। হাট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জাল নোট শনাক্তকারী যন্ত্রসহ সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আগামী অর্থবছরে হাটগুলোর আরও উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ