শিরোনাম
৬৩ এতিম মেয়েকে জীবন সঙ্গী দিলো সিডস অব সাদাকাহ, :আনুষ্ঠানিকতায় বিশিষ্টজনের উপস্থিতি  নতুন নববর্ষের সকালে- দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পূজো দিতে ভক্তদের যনজোয়ার জাফলংয়ে কূপ থেকে দেশীয় পিস্তল উদ্ধার, আটক ৩ ভারতীয় সিএনজি আসছে বাংলাদেশ  হচ্ছে যন্ত্রাংশ পরিবর্তন চক্রের এক সদস্য আটক জাফলংয়ে মুসলিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানতে চায় কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ: শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার, মানসম্মত শিক্ষা ও নকলমুক্ত পরীক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: -শিক্ষামন্ত্রী সিলেট,  রাজনগরের কুশিয়ারায় ১৫৬ কেজির বিশাল বাঘ মাছ, দেখতে ভিড় সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে বাঙ্কার এলাকায় পাথর উত্তোলনের সময় গর্তের বালু ধসে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। জুড়ী অঞ্চলের মাটি উর্বর,তাই জুড়ীকে কৃষি হাবে রূপান্তরে সরকারের উদ্যোগ করেছে সরকার –মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ন

বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হয়েও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করছেন নিওমিত

স্টাফ রিপোর্টার / ১২৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২০ মে, ২০২৫

2

পাটগ্রাম লালমনিরহাট প্রতিনিধি :

জোংড়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিষয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকলেও বাসায় হাজিরা খাতা স্বাক্ষরের অভিযোগ উঠেছে।

রফিকুল ইসলাম জোংড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। সোমবার ১৯ মে সরাসরি বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষক রফিকুল ইসলামের দেখা পাওয়া না গেলেও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দেওয়া দেখা যায়। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত নাই কিন্তু হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর কে করলো জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক সুরেশ চন্দ্র বলেন, ওনি এসে স্বাক্ষর করে চলে গেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক জানান, সুধু আজ(সোমবার) নয় দীর্ঘদিন স্কুলে আসেন না রফিকুল ইসলাম, প্রক্সি শিক্ষক দিয়ে তার ক্লাস চলে। স্কুলের একাধিক ছাত্রী জানান, রফিকুল স্যার দীর্ঘদিন স্কুলে আসে না, রুনা ম্যাডাম ( প্রক্সি শিক্ষিকা) ওনার ক্লাস নেন।

আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন জমিদখল, চাঁদাবাজী, বিচার সালিশের নামে টাকা নেওয়া সহ মামলার ভয় দেখিয়ে বিএনপি জামায়তের অসংখ্য নেতা কর্মীকে হয়রানি করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে । বর্তমানে রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে রংপুরে হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

গত ৫ আগষ্টের পর থেকে আত্নগোপন থাকলেও নিয়মিত হাজিরা খাতায় সাক্ষর করে যাচ্ছেন তিনি। অভিযোগ আছে প্রধান শিক্ষক সুরেশ চন্দ্রের সহায়তায় তিনি বাসায় হাজিরা খাতা নিয়ে গিয়ে স্বাক্ষর করছেন দীর্ঘ দিন ধরে। তবে বাসায় স্বাক্ষরের বিষয়টি অস্বীকার করে প্রধানশিক্ষক সুরেশ চন্দ বলেন, তিনি মাঝে মাঝে স্কুলে এসে স্বাক্ষর করে যান।

এ বিষয়ে বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বদরুল হাসান জানান, বিষয়টি আমি জানিনা আপনাদের মাধ্যমে শুনলাম, ক্ষতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিব।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ