শিরোনাম
সুনামগঞ্জের ছাতকে পু’লি’শের অ’ভি’যানে বিভিন্ন মা’ম’লার ৪ আ’সা’মি গ্রে’ফ’তার সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার সী’মা’ন্তে  নিঃস’ঙ্গ এক বার’কি শ্রমি’কের মৃ’ত্যু জৈন্তাপুরে ডিবি পুলিশের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ, নৌপথে সক্রিয় রুমনসহ একটি চক্র নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উ’দ্ধা’রে সহায়তার আহ্বান প্রতিকার চেয়ে বাঁশতলায় মানববন্ধন, ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ দোয়ারাবাজারে সরকারি কালভার্ট বন্ধ করে জলাবদ্ধতা, ঘরে ঢুকছে পানি । অভিনেতা রাহুলের স্মরণে- ইস্টবেঙ্গল মাঠে প্রাক্তন ফুটবলারদের নিয়ে- ট্রিবিউট ম্যাচ ২০২৬ ঠাকুরগাঁওয়ে কিশোরী গণধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার-৩ সিলেটে ফ্যামিলি সমাবেশ অনুষ্ঠিত জৈন্তাপুর উপজেলা সদরের ফতেহখাঁ রোডে বড় বড় গর্ত, চরম দুর্ভোগে পথচারীরা। সিলেটের জাফলং পর্যটন এলাকায় যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা: দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পর্যটক, হুমকিতে পরিবেশ
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ন

বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হয়েও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করছেন নিওমিত

স্টাফ রিপোর্টার / ১৫১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২০ মে, ২০২৫

62

পাটগ্রাম লালমনিরহাট প্রতিনিধি :

জোংড়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিষয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকলেও বাসায় হাজিরা খাতা স্বাক্ষরের অভিযোগ উঠেছে।

রফিকুল ইসলাম জোংড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। সোমবার ১৯ মে সরাসরি বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষক রফিকুল ইসলামের দেখা পাওয়া না গেলেও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দেওয়া দেখা যায়। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত নাই কিন্তু হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর কে করলো জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক সুরেশ চন্দ্র বলেন, ওনি এসে স্বাক্ষর করে চলে গেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক জানান, সুধু আজ(সোমবার) নয় দীর্ঘদিন স্কুলে আসেন না রফিকুল ইসলাম, প্রক্সি শিক্ষক দিয়ে তার ক্লাস চলে। স্কুলের একাধিক ছাত্রী জানান, রফিকুল স্যার দীর্ঘদিন স্কুলে আসে না, রুনা ম্যাডাম ( প্রক্সি শিক্ষিকা) ওনার ক্লাস নেন।

আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন জমিদখল, চাঁদাবাজী, বিচার সালিশের নামে টাকা নেওয়া সহ মামলার ভয় দেখিয়ে বিএনপি জামায়তের অসংখ্য নেতা কর্মীকে হয়রানি করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে । বর্তমানে রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে রংপুরে হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

গত ৫ আগষ্টের পর থেকে আত্নগোপন থাকলেও নিয়মিত হাজিরা খাতায় সাক্ষর করে যাচ্ছেন তিনি। অভিযোগ আছে প্রধান শিক্ষক সুরেশ চন্দ্রের সহায়তায় তিনি বাসায় হাজিরা খাতা নিয়ে গিয়ে স্বাক্ষর করছেন দীর্ঘ দিন ধরে। তবে বাসায় স্বাক্ষরের বিষয়টি অস্বীকার করে প্রধানশিক্ষক সুরেশ চন্দ বলেন, তিনি মাঝে মাঝে স্কুলে এসে স্বাক্ষর করে যান।

এ বিষয়ে বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বদরুল হাসান জানান, বিষয়টি আমি জানিনা আপনাদের মাধ্যমে শুনলাম, ক্ষতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিব।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ