শিরোনাম
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় শক্তিশালী এখন অনলাইন গণমাধ্যম – ইমদাদ হোসেন চৌধুরী  চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময় সিলেটে ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ভাবনা ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০২:৩১ অপরাহ্ন

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ভূমি অফিসের মিথ্যা প্রতিবেদনে জমি হারানোর আশঙ্কায় এক পরিবার 

স্টাফ রিপোর্টার / ১৩৩ Time View
Update : সোমবার, ১৯ মে, ২০২৫

শেরপুর প্রতিনিধিঃ

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ভূমি অফিসের মিথ্যা প্রতিবেদনে জমি হারানোর আশঙ্কায় রেজাউল করিম নামে এক পরিবার। রেজাউল করিম হাতিবান্ধা ইউনিয়নের ঘাগড়া লস্কর গ্রামের মৃত ইছরাইল খানের ছেলে। রেজাউল করিম বলেন হাতিবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তার জন্য ২ শতাংশ জমি লিখে দেন। ওই জমি রেখে অবশিষ্ট জমির উপর তিনি দোকান ঘর ও মার্কেট নির্মাণ করেন। সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার মার্কেট ও দোকান ঘর ভেঙ্গে দেয়ার হুমকি প্রদর্শন করেন। এ বিষয়ে রেজাউল করিম বাদি হয়ে গত ৭ ফেব্রুয়ারি শেরপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪ ধারায় একটি মোকদ্দমা নং৭৮,২০২৫ দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ভূমি অফিসকে নির্দেশ দেন। উক্ত নির্দেশ বলে রাজগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মো,মোকছেদ আলী সরেজমিনে অনুসন্ধানের পর প্রতিবেদন দাখিল করেন। উক্ত প্রতিবেদনে উল্লেখিত স্থানে ঘর ও মার্কেট নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে। উক্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর থেকে রেজাউল করিমও তার পরিবারের লোকজন জমি হারানোর আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এবিষয়ে রেজাউল করিম বলেন যেখানে ইউনিয়ন পরিষদের জায়গা দেয়া হয়েছে। উক্ত স্থানে কোন ঘর নির্মাণ করা হয়নি। এ ব্যাপারে রেজাউল করিম ও তার পরিবারের সদস্যরা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তবে রাজগঞ্জ ইউনিয়ন সহকারি ভূমি,কর্মকর্তা মোকছেদ আলী বলেন, আমার প্রতিবেদনে কোন মিথ্যার আশ্রয় নেয়া হয়নি। যা সত্য তাই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ