শিরোনাম
গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা তৈয়বুর ও কাওসার এর নেতৃত্বে চেঙ্গেরখাল নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন  বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় শক্তিশালী এখন অনলাইন গণমাধ্যম – ইমদাদ হোসেন চৌধুরী  চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময়
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ন

দুর্গাপুরে বজ্রপাতে মারাগেল দুটি গরু       

স্টাফ রিপোর্টার / ১২৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

দরিদ্র পরিবারে জন্ম জামালের ছোট থেকে কষ্টে বেড়ে উঠা। সংসারের হাল ধরতে পারি জমান ঢাকায় সেখানে দিনমজুরির কাজ করে সে। বছর খানেক আগে ৮০ হাজার টাকা ঋণ করে কিনেন দুইটি গরু। বাড়িতে গরুগুলো লালন-পালন করছিলো তার মা রাবিয়া খাতুন। এরই মধ্যে বুধবার সকালে হঠাৎ ঝড়সহ বজ্রপাত শুরু হলে বজ্রপাতে একসাথেই মারা যায় তার দুইটি গরু। এগুলোই ছিল তার শেষ সম্বল, তাতে যেন ভঙ্গ হলো তার স্বপ্ন । ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সকালে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার কুল্লাগড়া ইউনিয়নের নেথপাড়া গ্রামে। জামাল ওই এলাকার বাসিন্দা। ঢাকায় দিন দিনমজুরীর কাজ করতো। বর্তমান সেখানে তেমন কাজ না থাকায় বাড়িতে এসেছেন অন্যের জমির ধান কাটতে। জামাল মিয়া দৈনিক দর্পণ টিভিকে বলেন, সকালে আমি গরু দুইটাকে বিলে ঘাস খেতে দিয়ে ধান কাটতে গিয়েছিলাম। হঠাৎ ঝড়বৃষ্টি সহ বজ্রপাত হয় বৃষ্টি কমলে বিল থেকে গরু আনতে যাই। গিয়ে দেখি বজ্রপাতে আমার গরু দুটি মারা গেছে। এই গরুই ছিল আমার শেষ সম্ভব, ঋণ করে কিনেছিলাম। জামালের মা রাবিয়া খাতুন বলেন, আমার ছেলে ঋণ করে গরু দুইটা কিনেছিলো। আমি লালন-পালন করেছি। বাড়িতে অল্প জায়গা আছে কিন্তু সেখানে ঘর নেই। থাকি ভাইয়ের বাড়িতে। ভেবেছিলাম গরু গুলো বিক্রি করে সেখানেই ঘর করবো। কিন্তু গরু মারা যাওয়ায় সব শেষ হয়ে গেছে এ কথা বলতে গিয়ে আহাজারি করেছেন তিনি। এদিকে দুটি গরু মারা যাওয়ায় এক লাখ টাকা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে জামাল। তাই সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতার দাবি প্রতিবেশীর। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. নাভিদ রেজওয়ানুল কবীর দৈনিক দর্পণ টিভি কে বলেন আমি শুনেছি অসহায় জামালের দুটি গরু বজ্রপাতে মারা গেছে। তাকে সরকারি সহযোগিতার আওতায় আনার জন্য উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের নিকট যোগাযোগ করা হচ্ছে।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ