শিরোনাম
গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা তৈয়বুর ও কাওসার এর নেতৃত্বে চেঙ্গেরখাল নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন  বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় শক্তিশালী এখন অনলাইন গণমাধ্যম – ইমদাদ হোসেন চৌধুরী  চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময়
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩৪ অপরাহ্ন

বাগেরহাটে সড়ক ও জনপথ নিয়ন্ত্রিত সড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু

স্টাফ রিপোর্টার / ১২৭ Time View
Update : বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫

বাগেরহাট প্রতিনিধি:

‎বাগেরহাট সড়ক ও জনপথের আওতাধীন পিরোজপুর টু নওয়াপাড়া বিশ্বরোড এর মোড় পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়কের দুইপাশের প্রায় সহাস্রাধিক অবৈধ কাঁচা, কাঁচাপাকা ও পাকা স্থাপনা উচ্ছেদের কাজ শুরু করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

বুধবার (১৪ মে) সকাল দশটা থেকে বাগেরহাটের বাসস্ট্যান্ড এলাকার রাস্তার পাশে থাকা এসব অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়।

বাগেরহাটের সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আশরাফুল আলম এর নেতৃত্বে সওজ, খুলনা জোন এর এস্টেট ও আইন কর্মকর্তা, পিজুস চন্দ্র দে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন।

বাগেরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেন, অবৈধ স্থাপনার কারণে প্রায়ই এই সড়কে দুর্ঘটনা ঘটে। সড়কের দু’পাশ দখলমুক্ত করে সড়ক প্রশস্ত করলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও অনেক কমে যাবে। মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলমান একটি প্রক্রিয়া। আমরা উচ্ছেদ অভিযানের আগে সড়কের জায়গার সীমানা নির্ধারণ ও মাইকিং করে সতর্ক করেছি। এরপরেও যারা স্থাপনা সরিয়ে নেননি, তাই এখন তাদের স্থাপনা অপসারণ করা হচ্ছে।

সওজ, খুলনা জোন এর এস্টেট ও আইন কর্মকর্তা, পিজুস চন্দ্র দে জানান, পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় সড়কে পরিবহনের চাপ বেড়ে গেছে। তাই সড়কে যাতে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই নির্বিঘ্নে যানবাহন চলাচল করতে পারে এই লক্ষ্যে সড়কের দুই পাশের সকল অবৈধ স্হাপনা উচ্ছেদের কাজ চলমান থাকবে।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ