শিরোনাম
চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময় সিলেটে ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ভাবনা ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আমি আনন্দিত যে সিলেট সিটি কর্পোরেশন একজন অমায়িক মানুষকে তাদের প্রশাসক হিসেবে পেয়েছে– ডা, শফিকুর রহমান 
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০১:০৫ অপরাহ্ন

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বৃদ্ধা মোমেনার ভাগ্যে জোটেনি বিধবা ভাতার কার্ড!

স্টাফ রিপোর্টার / ১২৪ Time View
Update : বুধবার, ৭ মে, ২০২৫

শেরপুর  প্রতিনিধি:

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতীতে স্বামীর মৃত্যুর পর ৭ বছরে ও মমেনা বেগম (৬০) মালার ভাগ্যে জুটেনি বিধবা ভাতার কার্ড। সহায় সম্বল বলতে কিছুই নেই তার। নেই তার নিজস্ব কোন ঘর বাড়ি। অন্যের বাড়িতেই রাত কাটে তার। মমেনা ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়া গ্রামের দিনমজুর মরহুম ফজল হকের স্ত্রী।

৭ বছর আগেই মমেনা বেগমের স্বামীর মৃত্যু হয়। ৩ ছেলেই বিয়ে করে আলাদা থাকেন। জীবিকা নির্বাহের জন্য একেক ছেলে দেশের একেক জায়গায় থাকেন। তাদের সংসারের অবস্থা ও যেনো নুন আনতে পান্তা ফুরায়। দিনমজুরি করে চলতো মমেনা বেগমের সংসার। কিন্তু বয়সের ভারে মমেনা বেগম এখন আর মজুরিও খাটতে পারেন না। তবুও থেমে নেই মমেনা বেগমের বেঁচে থাকার জীবন যুদ্ধ।

একটি ঠেলা জাল নিয়ে বাড়ির পাস দিয়ে বয়ে চলা মহারশি নদী থেকে মাছ ধরে স্থানীয়দের কাছে বিক্রি করে কোন রকম খেয়ে না খেয়ে চলে তার জীবন।

প্রতিদিন সকালে মমেনা বেগম ২/৩ ঘন্টা মাছ ধরে ৪০/৫০ টাকায় বিক্রি করে এ টাকায় কোন রকমে খেয়ে না খেয়ে অনাহারে মানবেতর জীবনযাপন করে আসছেন।

মমেনার ভাগ্যে জুটেনি গুচ্ছ গ্রামের একটি সরকারি ঘর। ভাগ্যে জোটেনি বিধবা ভাতার কার্ডসহ কোন প্রকার সরকারী কোন সাহায্য- সহযোগীতা। মমেনা বেগম জানান, আজ পর্যন্ত কোনো স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে একটি চালের স্লিপ পর্যন্ত পাননি তিনি। অসুস্থ হলেও দেখার কেউ নেই তার!

এ ব্যাপারে নলকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রুকুনুজ্জামান বলেন, এর পর সরকারী কোন সাহায্য এলে মমেনা বেগমকে প্রদান করা হবে।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ