শিরোনাম
গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা তৈয়বুর ও কাওসার এর নেতৃত্বে চেঙ্গেরখাল নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন  বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় শক্তিশালী এখন অনলাইন গণমাধ্যম – ইমদাদ হোসেন চৌধুরী  চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময়
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন

হরিপুরে চরম উত্তেজনায় ১৪৪ ধারা জারি 

স্টাফ রিপোর্টার / ২৫৩ Time View
Update : শনিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৫

হরিপুর প্রতিনিধিঃ

‎ ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর গেদূড়া ইউনিয়নের আটঘরিয়া গ্ৰামে জমি নিয়ে ইয়াসিন গ্রুপ ও মাহাতাব গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ১০-১২ জন। দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য হরিপুরের বাইরে প্রেরণ। দুষ্কৃতকারীর অগ্নিসংযোগে ১৩/১৪ টি বাড়িঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এলাকায় ভয়াবহ অবস্থা বিরাজমান, অনেকেই না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন, বাড়িঘর থেকে গরু, ছাগল জিনিসপত্র এলাকা থেকে বাইরের আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে গচ্ছিত রাখতেছে। এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায় উপজেলার আটঘরিয়া গ্রামে ৪ বিঘা জমি নিয়ে ইয়াসিন গ্রুপ ও মাহাতাব গ্রুপের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে গন্ডগোল চলছিল। গতকাল শুক্রবার (১১ এপ্রিল/২৫) সকালে জমি দখলকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বাক-বিতন্ডা ও উত্তেজিত অবস্থায় ধাওয়া-পাল্টা, লুটপাট, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে হরিপুর ও রানীসণকৈল উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট একত্রে কাজ করেছেন। এ সময় লাঠিসোটা ও হাসুয়ার আঘাতে ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়। আহতদের সুস্থতার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হরিপুরে ভর্তি করা হয় ।

‎এ বিষয়ে হরিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জাকারিয়া মন্ডল বলেন মারামারির খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হরিপুর, রাণীসংকৈল থানা পুলিশ ও বিজিপি একত্রে কাজ করছে।

‎উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুজ্জামান বলেন উত্তেজিত অবস্থা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা জন্য ১৪৪ ধারা চলমান রয়েছে।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ