শিরোনাম
সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের উদ্যোগে অ্যাওয়ার্ড অর্জন হারিছ আলী কে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জ সদর হাপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতক উদ্ধার, আটক ১ দোয়ারাবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গণশুনানি সম্পন্ন। সুনামগঞ্জে সময় টিভি প্রতিনিধি হিমাদ্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের রাজস্ব আয় বাড়লে নাগরিক সেবা সম্প্রসারিত হয়: সিসিক প্রশাসক আহমদ আলী (লেখক ও গবেষক) সততা ও মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল ছাতকে অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি রাজন মিয়া-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ   দোয়ারাবাজারে পরকীয়ার প্রেমে দেবর ভাবি কারাগারে একজন যুবকের গাঁজা চাষ, যুবক গ্রেফতার
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ন

দুই সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট

স্টাফ রিপোর্টার / ২৭২ Time View
Update : শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

81

অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক গঠিত আরও দুটি কমিশন বুধবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এ দুটি কমিশন হলো জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন এবং বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন। দুই কমিশনের প্রতিবেদনে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। জনপ্রশাসন ও শাসন কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের সুপারিশ করেছে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-পুরোনো চারটি বিভাগ নিয়ে পৃথক চারটি প্রদেশ গঠন এবং ঢাকা ও আশপাশের এলাকা নিয়ে ‘ক্যাপিটাল সিটি গভর্নমেন্ট’ বা ‘রাজধানী মহানগর সরকার’ গঠন। এছাড়া বাধ্যতামূলক অবসর বাতিল, মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংখ্যা কমিয়ে আনা, সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া কাউকে ওএসডি না করার সুপারিশও করা হয়েছে। অন্যদিকে আদালতের রায়ে চূড়ান্তভাবে দণ্ডিত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি বা নির্বাহী বিভাগের ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের সুপারিশ করেছে বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন। বলা হয়েছে, এক্ষেত্রে একচ্ছত্র ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণে বোর্ড প্রতিষ্ঠা করা হবে। সেই বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হবে ক্ষমা প্রদর্শনের। এছাড়া দেশের সব প্রশাসনিক বিভাগে হাইকোর্টের স্থায়ী বেঞ্চ প্রতিষ্ঠা, স্থায়ী সরকারি অ্যাটর্নি সার্ভিস প্রতিষ্ঠা, প্রধান বিচারপতি নিয়োগে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমিত করতে সংবিধান সংশোধনসহ ২৮ বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছে।

আমরা জানি, জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের পর দেশে সর্বক্ষেত্রে সংস্কারের যে তাগিদ অনুভূত হয়, তা থেকেই গঠিত হয় বিভিন্ন সংস্কার কমিশন। আশার কথা, বেশ কয়েকটি কমিশন ইতোমধ্যেই তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। বাকি কমিশনগুলোও শিগগিরই তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে বলে আশা করা যায়। সংস্কার হলো একটি চলমান প্রক্রিয়া। স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি নির্ধারণ করে ক্রমান্বয়ে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন এবং বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন তাদের প্রতিবেদনে যেসব সুপারিশ করেছে, সেগুলোর কোন্টি গ্রহণ করা হবে, কোন্টি হবে না, তা সব স্টেকহোল্ডারের মতামতের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা বাঞ্ছনীয়। সবার কাছে গ্রহণযোগ্য সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, এক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক এবং সরকারের সঙ্গে বোঝাপড়ার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ সংস্কার কমিশনগুলো যেসব সুপারিশ করেছে, সেগুলো পরবর্তী সংসদে অনুমোদনের দরকার হবে। তাছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা ছাড়া সংস্কার টেকসই হবে না। সংস্কারের প্রতিটি স্তরে জনগণের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন। এই মতামত সংস্কার প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে সহায়ক হবে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ