শিরোনাম
ঈদের ছুটেিতে বাড়ী গিয়ে হামের উপসর্গে অসুস্থ মিডওয়াইফারী তৃতীয় বর্ষের ছাএী  জেরিন সুলতানার মৃত্যু    সিলেটে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী ও কামাল খানকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ছাতক পৌরসভার প্রতিষ্ঠাকালীন সাবেক কমিশনার বীথিকা দাস বীথির স্মরণে নাগরিক শোকসভা অনুষ্টিত  সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় ফুটপাতে চাঁদাবাজি   নীরব দর্শকের ভূমিকায় প্রশ্নবিদ্ধ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী!  টাংগুয়ার হাওর বেড়াতে এসে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার  তাহিরপুর উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এস, এম মাহবুব মল্লিক    ছাতকে সড়ক দুর্ঘ’টনা’য় একজনের মৃ’ত্যু  দোয়ারাবাজার উপজেলার টেবলাই গ্রামে সোহাগ মিয়া (১৮) নামে এক তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ অভিষেক ব্যানার্জীর উপর ক্ষোভে ফেটে পড়লেন এবং চড়াও হলেন- এলাকার মানুষ অভিষেক ব্যানার্জীর উপর ক্ষোভে ফেটে পড়লেন এবং চড়াও হলেন- এলাকার মানুষ।
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন

ফেঞ্চুগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে মারামারি, অতঃপর খুন!

স্টাফ রিপোর্টার / ২১৬ Time View
Update : বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০১৯

83

মুহাম্মদ হাবিলুর রহমান জুয়েল, ফেঞ্চুগঞ্জঃ ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার সারকারখানা বাজারে গত ৯ আগস্ট রাজনগর উপজেলার উত্তরভাগ ইউনিয়নের জাদুরগুল গ্রামের মৃত হাশেম ডালির পুত্র নাজিম মিয়া (৩০) এর সাথে কাচামাল ও ভুষিমালের ব্যবসা কে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি হয় উক্ত গ্রামের মৃত লাল মিয়ার পুত্রদের সাথে। এক পর্যায়ে তাদের কাচামালের দামদর নিয়ে তুমল ঝগড়া সৃষ্টি হলে সেখানে উপস্থিত হন উপজেলা ট্রাক পিকাপ শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক লাভলু আহমদ (লেবু মিয়া) (৩৪) তার ভাই সানুর মিয়া (২০) ও আনুর মিয়া (১৬) । পরবর্তীতে লাভলু আহমদের সাথে ব্যবসায়ী নাজিমের সাথে ধস্তাধস্তি হয় এবং এক পর্যায়ে আঘাত হয়। পরবর্তীতে আরও তাহার আরও দুইভাই সেখানে উপস্থিত হন।

পরবর্তীতে আহত অবস্থায় তারা তাকে স্থানীয় ডা. সেলিমের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। যার চেম্বার ফেঞ্চুগঞ্জ মর্নিং বার্ডের পাশে। তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঔষধ লিখে দেন।

ঘটনার কিছুদিন পর নাজিমের অবস্থা আশংকাজনক হলে তার পরিবার তাকে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন এবং ঐদিন রাতেই তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটের পথে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি মারা যান।

এ বিষয়ে নিহত নাজিমের চাচা (স্থানীয় জামায়াত নেতা) বেলাল বলেন- আমার ভাতিজাকে যারা হত্যা করেছে তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি তিনি লেবু – আনুর ও সানুরকে ধরিয়ে দিলে বড় অংকের পুরস্কার ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে লেবু মিয়ার মামা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন- আমার ভাগিনারা নির্দোষ। ঘটনার সময় তারা সেখানে উপস্থিত ছিল না। ছোট একটা কথা কাটাকাটি হলেও তা বাজার কমিটি মিমাংসা করে দিয়েছিল। এছাড়াও আমাদের পূর্ব পুরুষ কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের অনুসারী হওয়ায় নাজিম ডালির পরিবারের সাথে বেশ কিছুদিন ধরে একটা উত্তেজনা রয়েছে। নাজিম ডালির পরিবারের লোকজন সুন্নী সম্প্রদায়ের। যে কারণে আমাদের সাথে তারা নিয়মিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করে।

সর্বশেষ জানা যায় এ বিষয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। (যার তথ্য পাওয়া যায় নি) এবং আসামিরা পলাতক রয়েছেন।উল্লেখ্য – এরমধ্যে আনুর মিয়া (১৬) একজন পরিক্ষার্থী বলে জানা যায়।

এলাকাবাসী জানান, পলাতক আসামি লেবু মিয়া তার ভাই আনুর ও সানুরকে এলাকায় অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হবে।পাশাপাশি লেবু মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে নাজিম মিয়ার পরিবার এলাকার মসজিদ মাদরাসার জায়গা দখল সহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত রয়েছে।

সর্বশেষ জানা যায়, লেবু মিয়া তাহার ভাইদের এলাকায় আর থাকতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কিছু প্রভাবশালী মহল।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ