শিরোনাম
চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময় সিলেটে ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ভাবনা ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আমি আনন্দিত যে সিলেট সিটি কর্পোরেশন একজন অমায়িক মানুষকে তাদের প্রশাসক হিসেবে পেয়েছে– ডা, শফিকুর রহমান 
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন

বারবার আটক, বারবার ছাড়া-সিলেটের পপি নিয়ে নতুন করে আলোচনায় নগরবাসী

স্টাফ রিপোর্টার / ৮২ Time View
Update : সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫

বারবার আটক, বারবার ছাড়া-সিলেটের পপি নিয়ে নতুন করে আলোচনায় নগরবাসী

 

বিশেষ প্রতিবেদক:: সিলেট নগরের রিকাবীবাজার এলাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চুরির অভিযোগে এক নারীকে আটক করার খবর প্রকাশের পর শহরে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, পপি আক্তার ওরফে পপি নামে পরিচিত ওই নারীকে ২২ নভেম্বর রাতে পপুলার হাসপাতাল এলাকায় চুরির সময় স্থানীয় লোকজন ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন।পরে পুলিশ তাকে মেট্রোপলিটন আইনে আদালতে প্রেরণ করে। আদালতে পৌঁছানোর পরই তিনি জামিন বা জরিমানার মাধ্যমে মুক্তি পান বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে-একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাকে কিছুদিনের জন্য কারাগারে রাখার আইনি সুযোগ কি পুলিশের ছিল না?পুলিশের নথিতেও পপির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের তথ্য রয়েছে বলে জানা যায়। শহরের বিভিন্ন এলাকায় চুরি ও ছিনতাইয়ের একাধিক ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছে। ফলে বারবার আটক হওয়ার পরও দ্রুত বেরিয়ে আসতে পারায় নগরবাসীর মনে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এদিকে, কয়েকজন স্থানীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কর্মী বা ‘ফেসবুক লাইভার’-ওই রাতে থানায় গিয়ে তার পক্ষে কথা বলেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাংশের শৈথিল্য বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তদবিরের কারণে অপরাধ দমনে বাধা তৈরি হচ্ছে কি না-এমন প্রশ্ন উঠছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ