শিরোনাম
ঈদের ছুটেিতে বাড়ী গিয়ে হামের উপসর্গে অসুস্থ মিডওয়াইফারী তৃতীয় বর্ষের ছাএী  জেরিন সুলতানার মৃত্যু    সিলেটে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী ও কামাল খানকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ছাতক পৌরসভার প্রতিষ্ঠাকালীন সাবেক কমিশনার বীথিকা দাস বীথির স্মরণে নাগরিক শোকসভা অনুষ্টিত  সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় ফুটপাতে চাঁদাবাজি   নীরব দর্শকের ভূমিকায় প্রশ্নবিদ্ধ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী!  টাংগুয়ার হাওর বেড়াতে এসে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার  তাহিরপুর উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এস, এম মাহবুব মল্লিক    ছাতকে সড়ক দুর্ঘ’টনা’য় একজনের মৃ’ত্যু  দোয়ারাবাজার উপজেলার টেবলাই গ্রামে সোহাগ মিয়া (১৮) নামে এক তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ অভিষেক ব্যানার্জীর উপর ক্ষোভে ফেটে পড়লেন এবং চড়াও হলেন- এলাকার মানুষ অভিষেক ব্যানার্জীর উপর ক্ষোভে ফেটে পড়লেন এবং চড়াও হলেন- এলাকার মানুষ।
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১০:০৭ পূর্বাহ্ন

গবেষণায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ায় র‌্যাংকিংয়ে উন্নতি হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার / ৬৮৯ Time View
Update : শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

155

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডসের (কিউএস) শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় চমক দেখিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। এবার বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান ৫৫৪তম।

গতবার সেরা এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ঢাবির অবস্থান ছিল ৬৯১ থেকে ৭০০ রেঞ্জের মধ্যে। এবারই প্রথম তা ডিঙিয়ে ওপরের স্থান অধিকার করেছে প্রতিষ্ঠানটি। র্যাংকিংয়ে বড় পরিবর্তনের কারণ নিয়ে যুগান্তরের সঙ্গে কথা বলেছেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল।

তার মতে, গবেষণায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিংয়ের উন্নতি হয়েছে। আর এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়টি করেছে গবেষণা নীতিমালা, সংস্কার করেছে গবেষণায় বরাদ্দ দেওয়ার নীতিমালাও। একই সঙ্গে শিক্ষকদের পদোন্নতির নীতিমালায়ও জুড়ে দেওয়া হয়েছে বিশেষ শর্ত।

তিনি কথা বলেছেন, শতবর্ষের পুরোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা চ্যালেঞ্জ নিয়ে। আজকে সাক্ষাৎকারটির চুম্বকাংশ তুলে ধরা হলো। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মাহাদী হাসান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাংকিংয়ে উন্নতি করার জন্য উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) থাকা অবস্থায়েই কাজ শুরু করেছেন উল্লেখ করে বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল বলেন, আমি উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) থাকাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি গবেষণা নীতিমালা তৈরি করেছিলাম। এতে শিক্ষকরা কীভাবে গবেষণা প্রপোজাল তৈরি করবেন, সে বিষয়ে একটি কাঠামো তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল। কী কী শর্ত পূরণ করলে তারা গবেষণার বরাদ্দ পাবেন এবং কীভাবে সেটি ব্যয় করবেন তার দিকনির্দেশনা ছিল।

এ ছাড়া যে গবেষণার জন্য অর্থ বরাদ্দ পাবেন, গবেষণা শেষে সেটি প্রকাশনা করা বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে আন্তর্জাতিক জার্নালে আমাদের গবেষণার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত এক বছরে আমাদের প্রতিটি শিক্ষকের মাথাপিছু সাইটেশন দুইয়ের বেশি হয়েছে। যেটা আমাদের আন্তর্জাতিক ফোকাস বাড়াতে সাহায্য করেছে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ