শিরোনাম
চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময় সিলেটে ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ভাবনা ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আমি আনন্দিত যে সিলেট সিটি কর্পোরেশন একজন অমায়িক মানুষকে তাদের প্রশাসক হিসেবে পেয়েছে– ডা, শফিকুর রহমান 
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০২:২৫ অপরাহ্ন

গোয়াইনঘাটের বিছনাকান্দির সীমান্তের হাদারপার ও পীরের বাজার!ভারতীয় গরু মহিষে সয়লাব

স্টাফ রিপোর্টার / ১৪৯ Time View
Update : রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার::

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছনাকান্দি সীমান্তের ১নং রুস্তমপুর ইউনিয়নের পিরেরবাজার গরুর ঘাটে প্রতিদিনই বিপুল অর্থের ভারতীয় চোরাই গরু মহিষসহ হরেক রকম পন্যে ঢুকছে অবাধে।

বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী জনপদ সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বেশ কয়েটি ইউনিয়ন রয়েছে সীমান্তবর্তী এলাকা।মাজে মধ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) গোয়াইনঘাটের সীমান্ত এলাকা থেকে অভিযান করে ভারত থেকে অবৈধ পথে আসা বিভিন্ন পন্য আটক করলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে রয়েছেন গরু মহিষ চোরাকারবারিদের গডফাদাররা।

জানা যায় আব্দুল মালিক ও আওয়ামী লীগের নেতা গোলাম হোসেনের নেতৃত্বাধীন পুলিশ নিয়ন্ত্রিত লাইনম্যান ও মূখোশধারী হেলাল উদ্দীন ,জালাল মেম্বার, সেবুল ও ফরিজুলের সমন্বয়ে হাদারপার সীমান্তে গড়ে উঠেছে বেপরোয়া এক চোরাচালান সিন্ডিকেট।

এদিকে গোয়াইনঘাটের বিছনাকান্দি সীমান্ত চোরাচালানের নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার করছে চোরাকারবারিরা।

বিছনাকান্দি সীমান্ত পথে দিন-রাতে ভারত থেকে স্রোতের মতো আসছে গরুসহ চোরাইপণ্য ঢুকছে মাদক সহ নানা অবৈধ পণ্য।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,এই চোরাচালানের নেপথ্যে রয়েছে আব্দুল মালিক ও গোলাম হোসেন সিন্ডিকেট।এই সিন্ডিকেট সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন হেলাল উদ্দীন,গোলাম হোসেন, ফারুক,জালাল মেম্বার, সেবুল ফরিজুল সহ একটি চক্র।তারা বিজিবি ও থানা পুলিশের বিট অফিসারকে ‘ম্যানেজ’করে নিরাপদে এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

গোয়াইনঘাটের সীমান্তে ভারতীয় গরু মহিষের চাহিদা রয়েছে প্রচুর। আর এ সুযোগটিই নিচ্ছে চোরাকারবারিরা। প্রতি রাতে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ঢুকছে শত শত চোরাই গরু। পেছনে কাজ আব্দুল মালিক গোলাম হোসেনসহ সংঘবদ্ধ একটি চক্র।

দেশের সীমান্তজুড়ে রয়েছে তাদের ‘গরু চোরাচালানের জাল’। ভারতীয় চক্রের সঙ্গে মিলে এই চক্র চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধ এই ব্যবসা। বছরে তাদের আয় কোটি কেটি টাকা।সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার হাদারপার বাজার ও পিরের বাজার ঘুরে মিলেছে এই তথ্য। হাদারপার বাজার ও পিরেরবাজার সমন্বয়ক করে চলছে ভারতীয় চোরাই গরুর রমরমা কারবার!

এ উপজেলার হাদারপার বাজারে ভারতীয় চোরাই গরুর বৈধতার লাইসেন্স দিচ্ছে,জালাল মেম্বার,গোলাম হোসেন, হেলাল উদ্দীন, আব্দুল মালিক,ফরিজুল,সেবুল,ফারুক সহ একটি চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট চক্র।

এর আগে এই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করত আওয়ামী
লীগ ও খেলাফত মজলিসের অন্য একটি গ্রুপ।
সময়ের ব্যবধানে বর্তমানে নিয়ন্ত্রণ করতেছে, আওয়ামী লীগের জালাল মেম্বার,গোলাম হোসেন,ও বিএনপি’র লুবি নেতাকর্মী,হেলাল উদ্দিন,ফরিজুল, আব্দুল মালিক,ও সেবুল।

বৈষম্যহীন ছাত্র-আন্দোলনে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট গত (৫ আগষ্ট) পরিবর্তনের ফলে বর্তমানে শুধু সিন্ডিকেট পরিবর্তন হয়েছে। বন্ধ হয়নি চাঁদাবাজি।

জানা গেছে- গোয়াইনঘাট সীমান্ত এলাকা বিছনাকান্দি ও লাখাট সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজর ভারতীয় গরু দেশে প্রবেশ করছে। এ সকল ভারতীয় গরু প্রথমেই বৈধ করার জন্য নেওয়া হয় হাদারপার বাজার ও পিরের বাজারে। সেখান থেকে ২ হাজার টাকা নিয়ে রশিদ দিয়ে বৈধতার লাইসেন্স দিচ্ছেন চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট।

হাদারপার বাজারের এই চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের সদস্যরা হলেন-, গোলাম হোসেন, জালাল মেম্বার,, সেবুলসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র। পিরেরবাজারের, হেলাল উদ্দীন, জালাল মেম্বার, আব্দুল মালিক,ফরিজুলসহ আরেক সিন্ডিকেট।

পিরের বাজার ও হাদারপার বাজার এই চক্রের দেওয়া রশিদের ক্ষমতার গুণে প্রকাশ্যে ভারতীয় চোরাই গরুর চালান থানা পুলিশের চোঁখের সামন দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঁচার হলেও অদৃশ্য কারণে নীরব ভূমিকায় স্থানীয় প্রশাসন।

কেবল বিছনাকান্দি দিয়েই প্রতিদিন প্রায় ৫০০ গরু অবৈধভাবে দেশে আসছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।তবে এ ব্যাপারে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই বিজিবি সদস্যদের। এমন অভিযোগ স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীর।

কাস্টমস ও ভ্যাট কমিশনারেট-সিলেট কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ভারত বৈধভাবে বাংলাদেশে গরু রপ্তানি করে না। তবু প্রতি বছর সিলেটের সীমান্তগুলো দিয়ে ভারত থেকে আসে অসংখ্য গরু। এই চোরাচালানে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) স্থানীয় দায়িত্বশীলরা জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠেছে।

সূত্র বলছে পদস্থ কর্মকর্তা চোরাচালান বন্ধে তৎপর হলেও অধিনস্থ এস.আইরা জড়িত চোরাকারবারিদের সাথে রয়েছে তাদের গভীর সখ্যতা। কাঁচা টাকার লোভে তারা একেক এলাকায় নিয়োগ দিচ্ছেন একেক লাইনম্যান, দরকষাকষির মাধ্যমে সর্বোচ্চ দরদাতা পাচ্ছেন লাইনম্যানের দায়িত্ব।

এ ব্যাপারে জানতে বিট অফিসার এস আই জহুর লাল বলেন,এ-বিষয় আমি দেখতেছি।

বিষয়টি নিয়ে জানতে গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ তরিকুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নতুন এসেছি খোজ নিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি।

এব্যাপারে জানতে ফরিদুল ও গোলাম হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বক্তব্য দেননি।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ