শিরোনাম
হরিরামপুরে বয়ড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত । গোয়াইনঘাটে পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন এজাহার ভুক্ত আসামি গ্রেফতার ৮ ভোলায় গ্রাম বাংলা জনকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ বাউফলে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ময়মনসিংহের চরপাড়া এলাকায় যানজট নিরসনের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জাতীয় ক্রীড়া উৎসব  কানাইঘাটে থানার দালাল সফিরের ক্ষমতার বাহাদুরি গোয়াইনঘাটে স্থানীয় পুলিশের ‘লাইনম্যান’ পরিচয়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজি নেপথ্যে কামাল ও আল-আমিন- গোয়াইনঘাটে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্যবিবাহ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়া ইতিহাসে অমর. সীমিত আয়ের মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:১৬ অপরাহ্ন

নির্বাচন বানচাল করে তামাবিল স্থলবন্দরের অঘোষিত সম্রাট শাহপরাণ”

স্টাফ রিপোর্টার / ১৪৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার:

সিলেটের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর তামাবিল স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীদের সংগঠন তামাবিল আমদানিকারক গ্রুপের নির্বাচন হওয়ার কথা ১৪ আগস্ট। তবে নির্বাচন বানচাল করে তামাবিল স্থলবন্দরের একক ক্ষমতা বিস্তার করতে চাইছেন বালি- পাথর লুটের দায়ে বিএনপি থেকে বহিস্কৃত রফিকুল ইসলাম শাহপরাণ।

অভিযোগ উঠেছে , ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার এমপি শফিউল আলম নাদেলের আস্থাভাজন রাসেলসহ আ.লী ও বিএনপির কতিপয় লোকদের নিয়ে ১৩ আগস্ট রাতে মিটিং করে নির্বাচন না করে আ.লীগ কায়দায় নিজেকে সভাপতি ঘোষনা করেছেন।

ফলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে । এ য়ে সংঘাত সৃস্টি হতে পারে।

৫ আগস্টের পটপরিবর্তণের পর তিনি সীমান্তবর্তী এলাকয়ে ত্রাসের রাজত্ব সৃস্টি করেছেন। বালি-পাথর লুটপাট ও তামাবিল পোর্টের দখল নেন। পরে জাফলং সহ সীমান্তবর্তী এলাকায় দল বিরোধী কর্মকান্ডের কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি।

দলের শাস্তি খড়গের পর আরোও বেপরোয়া হয়ে উঠেন রফিকুল ইসলাম শাহপরাণ। পরে পরিবেশ বিধ্বংসী কাজ করায় পরিবেশ অধিদপ্তর বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করে। মামলার পরও থেমে থাকেননি তিনি চালিয়েছেন ধ্বংসযজ্ঞ, করেছেন পরিবেশ বিনষ্ট, কামেয়েছেন কাড়ি কাড়ি টাকা। এভাবে তার তান্ডলীলা সীমান্ত এলাকায় চলছে ।

এবার আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন তামাবিল স্থলবন্দরের নির্বাচনকে ঘিরে।
নির্বাচন না দিয়ে তিনি নিজেকে পোর্টের সভাপতি দাবি করছেন। এবং নির্বাচন লাগবে না বলে ব্যবসায়ীদের বলেছেন।

একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে নেতৃত্ব চায় উনি তো আ.লীগের সময় মন্ত্রী ইমরানের কাছের লোক ছিলেন। এখন নাদেলের আস্থাভাজন রাসেলকে নিয়ে আ.লীগ পূর্ণবাসন করতে চাইছেন। কারণ এ বর্ডার দিয়ে রাসেল এমপি নাদেলসহ একাদিক নেতকের্মীকে পারাপারের ব্যবস্থা করেছে । তাই সিন্ডিকেট হয়ে এ কাজ করছেন শাহপরাণ ও রাসেল।

বিএনপির একাধিক কর্মী জানান, তিনি বলেন (শাহপরাণ) বিএনপি আমাকে বহিষ্কার করেছে এখন বিএনপির কোন অধিকার নেই আমাকে কিছু বলার।

তারা আরোও বলেন উনার মতো কতিপয় নেতার কারণে সিলেট ৪ আসনে বিএনপির প্রতি বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে । ফলে বিএনপি সামনে নির্বাচনে বিপর্যয় হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

এ ব্যাপারে রফিকুল ইসলাম শাহপরান বলেন, এসকল অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়ট। এবং রাসেলের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ