শিরোনাম
৬৩ এতিম মেয়েকে জীবন সঙ্গী দিলো সিডস অব সাদাকাহ, :আনুষ্ঠানিকতায় বিশিষ্টজনের উপস্থিতি  নতুন নববর্ষের সকালে- দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পূজো দিতে ভক্তদের যনজোয়ার জাফলংয়ে কূপ থেকে দেশীয় পিস্তল উদ্ধার, আটক ৩ ভারতীয় সিএনজি আসছে বাংলাদেশ  হচ্ছে যন্ত্রাংশ পরিবর্তন চক্রের এক সদস্য আটক জাফলংয়ে মুসলিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানতে চায় কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ: শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার, মানসম্মত শিক্ষা ও নকলমুক্ত পরীক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: -শিক্ষামন্ত্রী সিলেট,  রাজনগরের কুশিয়ারায় ১৫৬ কেজির বিশাল বাঘ মাছ, দেখতে ভিড় সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে বাঙ্কার এলাকায় পাথর উত্তোলনের সময় গর্তের বালু ধসে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। জুড়ী অঞ্চলের মাটি উর্বর,তাই জুড়ীকে কৃষি হাবে রূপান্তরে সরকারের উদ্যোগ করেছে সরকার –মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন

ভূয়া সনদপত্রে কলেজে নিয়োগ: স্ত্রীসহ সাবেক সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা   

স্টাফ রিপোর্টার / ১১৬ Time View
Update : বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫

6

পিরোজপুর প্রতিনিধি :

পিরোজপুর ভূয়া সনদপত্রের মাধ্যমে একটি কলেজে প্রভাষক পদে চাকুরি নিয়ে সরকারি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় পিরোজপুর- ১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএমএ আউয়াল এর স্ত্রী লায়লা পারভীন (৬২), আউয়াল (৬৮) এবং কলেজটির অধ্যক্ষ ঠাকুর চাঁদ মজুমদার (৫৫) এর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার দুদকের পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন সম্রাট বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০১৩ সালের ২২ ডিসেম্বর ইসলাম শিক্ষা বিষয়ে নিয়োগ পান পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় অবস্থিত বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মহিলা কলেজেরর দাতা সদস্য এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ও গভার্নিং বডির সভাপতি আউয়াল এর স্ত্রী লায়লা পারভীন। প্রতিষ্ঠার পর কলেজটি এমপিওভূক্ত না হলেও, ২০১৮ সালে এটি সরকারিকরণ করা হয়। এরপর লায়লা পারভীন কলেজটির প্রভাষক হিসেবে নাজিরপুর সোনালী ব্যাংক শাখা হতে ৮ আগস্ট ২০১৮ থেকে ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত মোট ৩ লক্ষ ৯৫ হাজার ৪০৬ টাকা উত্তোলন করেন।

তবে নিয়োগ পরীক্ষায় লায়লা পারভীন এসএসসি, এইচএসসি ও স্নাতক পরীক্ষায় পাশের যে সকল সনদপত্র দিয়েছেন তার সবগুলোই ভূয়া। এই ভুয়া জাল সনদ দিয়ে মূলত দীর্ঘদিন চাকরি করে আসছিলেন লায়লা পারভিন। স্বামীর প্রভাব এবং কলেজের অধ্যক্ষ ঠাকুর চাদের সহযোগীতায় ভূয়া সনদপত্র দিয়ে লায়লা পারভীন কলেজটিতে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পেয়ে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

 

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ