শিরোনাম
সিলেটের কাষ্টঘর সুইপার কলোনিকে ঘিরে মা দ কের রমরমা ব্যবসা- সেবীরা আ ট ক হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে মূল কারবারিরা সিলেটের কাষ্টঘর সুইপার কলোনিকে ঘিরে মা দ কের রমরমা ব্যবসা- সেবীরা আ ট ক হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে মূল কারবারিরা তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে আসছে মাদক সিলেটে র‌্যাবের অভিযানে ২মাদক ব্যবসায়ী আটক  গোয়াইনঘাটে মানবপাচার চক্রের সদস্যসহ ১৯ জন আটক সিলেট জেলায় গ্রাম আদালতের মাধ্যমে নিস্পত্তিকৃত মামলার সংখ্যা ২ হাজার ৭ টি জুলাই সনদ নিয়ে জামায়াত মিথ্যাচার করছে, জনগণ তাদের ক্ষমা করবেনা -ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল সিলেট -সুনামগঞ্জ সড়কের আহসানমারা সেতু সংলগ্ন এলাকায় বাস ও লেগুনার মু’খোমু’খি সং’ঘ’র্ষে নিহ’ত -২  আলোর পথে বাধা! সুনামগঞ্জে তিন ব্যক্তির দাবিতে আটকে গেল নতুন মাদ্রাসা ভবন যাদুকাটায় নদীর তীর কেটে বালু লুট ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা, বালু ভর্তি ট্রলার জব্দ সংবাদ সম্মেলনে সমছু উদ্দিন খাঁন জমির দখল ছাড়তে সাদ্দামের হুমকি, নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন

সিলেটের কাষ্টঘর সুইপার কলোনিকে ঘিরে মা দ কের রমরমা ব্যবসা- সেবীরা আ ট ক হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে মূল কারবারিরা

স্টাফ রিপোর্টার / ৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

14

সিলেটের কাষ্টঘর সুইপার কলোনিকে ঘিরে মা দ কের রমরমা ব্যবসা- সেবীরা আ ট ক হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে মূল কারবারিরা

 

সিলেট বুলেটিন ডেস্ক :: সিলেট নগরীর কাষ্টঘর সুইপার কলোনিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে মাদকের রমরমা ব্যবসা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, কলোনির ভেতরে প্রকাশ্যে ইয়াবা, গাঁজা, চোলাই মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃশ্যমান কোনো অভিযান খুব একটা দেখা যায় না। অথচ কলোনি থেকে মাদক কিনে বের হওয়ার সময় প্রায়ই পথচারী ও মাদকসেবীরা পুলিশের তল্লাশির মুখে পড়ছেন।

নগরীর গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা ঘেঁষে থাকা কাষ্টঘর সুইপার কলোনির একদিকে সোবানিঘাট, অন্যদিকে মহাজনপট্টির সংযোগ সড়ক রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই দুই পথের মুখে পুলিশি তল্লাশি নিয়মিত হলেও মাদকের মূল সরবরাহকারী ও বিক্রেতারা রয়ে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলেছেন—কলোনির ভেতরে তো ইয়াবার কারখানা বা গাঁজার ক্ষেত নেই, তাহলে এসব মাদক কোথা থেকে আসে? যারা মাদক সরবরাহ করছে কিংবা বড় সিন্ডিকেট পরিচালনা করছে, তাদের শনাক্ত ও আটক করতে প্রশাসন কেন ব্যর্থ হচ্ছে?

বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ি ও সোবানিঘাট ফাঁড়ির সদস্যরা নিয়মিত তল্লাশি চালিয়ে মাদকসেবীদের কাছ থেকে ২ থেকে ৫ পিস ইয়াবাসহ অল্প পরিমাণ মাদক উদ্ধার করে আটক করছেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হচ্ছে।

তবে এসব অভিযানের পরও নগরীর কাষ্টঘর সুইপার কলোনিকে কেন্দ্র করে মাদকসেবীদের আনাগোনা থামছে না। পুলিশি উপস্থিতি টের পেলেই সেবীরা সাময়িকভাবে সরে যায়। আবার পুলিশ চলে গেলে তারা পুনরায় কলোনিতে গিয়ে মাদক সংগ্রহ করে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যায়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সোবানিঘাট ও বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা প্রায়ই রাস্তার মুখে দাঁড়িয়ে তল্লাশি চালান। এতে সাধারণ পথচারীরাও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অনেকের অভিযোগ, সন্দেহ হলেই তল্লাশির নামে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে তাদের।

অন্যদিকে, কলোনির ভেতরে প্রবেশ করলেই দুই পাশজুড়ে প্রকাশ্যে গাঁজা ও ইয়াবা বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যায়। স্থানীয়দের প্রশ্ন, বাইরে থেকে ২/৫ পিস মাদক নিয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে আটক করা হলেও ভেতরে বসে যারা প্রকাশ্যে বিক্রি করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন?

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এক বক্তব্যে বলেন, শুধু মাদকসেবী নয়, বরং মাদকের বড় কারবারি ও চোরাচালানকারীদের ধরতে সরকার জোরালো অভিযান পরিচালনা করছে। তিনি বলেন, “দেশে মাদকের বিস্তার একদিনে হয়নি। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে বড় মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে সচেতন মহলের দাবি, কেবল পথচারী বা সেবীদের আটক করে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। মাদকের মূল উৎস ও কারবারিদের চিহ্নিত করে কাষ্টঘর সুইপার কলোনির ভেতরে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ