শিরোনাম
অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক পর্যায়ক্রমে সিলেটকে একটি দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সবুজ নগরীতে রূপান্তর করা হবে – সিসিক প্রশাসক  দোয়ারাবাজারে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার ক্যানসারে আক্রান্ত আব্দুল মজিদ বাঁচতে চায় দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্ত্বর, পুরান পুলের মুখ, রেলগেইট যানজটের ‘হটস্পট’  সুনামগঞ্জ সদরে বালু পাথর ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত। ক্রাশার মেশিন ১টি  ২০০০ ফিট বড় পাথর ৮০০ ফিট ভাঙ্গা পাথর জব্দ।      ছাতকে ৪৪ বছরের ইমামতি জীবনের সমাপ্তিতে মৌলভী কবির আহমদের রাজকীয় বিদায়ী সংবর্ধনা ছাতক সরকারি কলেজ-কে শিক্ষা সহ  সকল ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে নিতে চাই— কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি গোয়াইনঘাটে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত জগন্নাথপুর পৌরসভা নিবার্চনে মেয়র পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে আলিফ মিয়া
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০২:১১ অপরাহ্ন

সিলেট র‌্যাবের কব্জায় মা ন ব পা চা র চক্রের দুই সদস্য

স্টাফ রিপোর্টার / ৯৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

163

সিলেট র‌্যাবের কব্জায় মা ন ব পা চা র চক্রের দুই সদস্য

 

স্টাফ রিপোর্টার:: মানবপাচার চক্রের দুই সদস্যকে খাঁচায় পুরেছে র‌্যাব-৯ সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত সোয়া ২টার দিকে (রবিবার দিবাগত) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানার ব্রাহ্মণডোড়া ইউনিয়নের আলীপুর রেলক্রসিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, হবিগঞ্জের আজমিরিগঞ্জ থানার পশ্চিমবাগ এলাকার আলী আকবরের ছেলে সোহাগ মিয়া (২৫) ও মৃত নিহার মনির ছেলে রুমান মিয়া (৩৬)।

র‌্যাব জানায়, আজমিরিগঞ্জের শিবপাশা এলাকার বাসিন্দা ইমন চৌধুরীকে (২০) ইতালী পাঠানোর নামে ২০ লাখ টাকার মৌখিক চুক্তি করে সোহাগ ও রুমান। নগদ তিন লাখ টাকা দেওয়ার পর গত বছরের ৯ জুলাই সৌদি আরব হয়ে লিবিয়ায় নিয়ে যায়। সেখানে তাদের মূল দালাল সামায়ুন মোল্লা বাকী টাকার জন্য চাপ দিলে ইমনের পিতা রুমান মিয়ার হাতে নগদ ১২ লাখ টাকা প্রদান করেন। পরে তারা আবার ইমনকে লিবিয়ার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে জানিয়ে আরও টাকা চাইলে ভিতসন্ত্রস্ত হয়ে তার বাবা ছেলের সাথে কথা বললে ছেলে জানায় বাকী টাকা না দিলে তারা তাকে মেরে ফেলবে।

তার বাবা অত্যাচার না করে ছেলেকে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে জমি বন্ধক দিয়ে আরও তিন লাখ টাকা তুলে দেন। এরপর থেকে রুমান ও সোহাগ যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। ইমনের পরিবারের সদস্যরাও তার কোনো খোঁজ পান নি। তবে গত বছরের ১ অক্টোবর সামায়ুন মোল্লার আপলোড করা একটি ভিডিওতে তারা দেখেছেন লিবিয়ার মরুভূমিতে ৩৫ জন ছেলে মৃত পড়ে আছে। ইমনের বর্তমান অবস্থা কি? বেঁচে আছে না মারা গেছে? বেঁচে থাকলে কোন অবস্থায় আছে? এসবের কিছুই জানেন না তার পরিবারের লোকজন।

তার পিতা বাদী হয়ে আজমিরিগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ (নং ১৫/১২১/ ২৩/১২/২৫) দায়ের করলে র‌্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং সোহাগ ও রুমানকে গ্রেপ্তারে  সক্ষম হয়।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ