শিরোনাম
নেত্রকোনায় অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য নির্ধারণে অনিয়মের অভিযোগ, ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক পর্যায়ক্রমে সিলেটকে একটি দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সবুজ নগরীতে রূপান্তর করা হবে – সিসিক প্রশাসক  দোয়ারাবাজারে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার ক্যানসারে আক্রান্ত আব্দুল মজিদ বাঁচতে চায় দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্ত্বর, পুরান পুলের মুখ, রেলগেইট যানজটের ‘হটস্পট’  সুনামগঞ্জ সদরে বালু পাথর ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত। ক্রাশার মেশিন ১টি  ২০০০ ফিট বড় পাথর ৮০০ ফিট ভাঙ্গা পাথর জব্দ।      ছাতকে ৪৪ বছরের ইমামতি জীবনের সমাপ্তিতে মৌলভী কবির আহমদের রাজকীয় বিদায়ী সংবর্ধনা ছাতক সরকারি কলেজ-কে শিক্ষা সহ  সকল ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে নিতে চাই— কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি গোয়াইনঘাটে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন

কদমতলীতে পরিবহন শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ: সিসিক প্রশাসকের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত

স্টাফ রিপোর্টার / ১৪১ Time View
Update : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

208

কদমতলীতে পরিবহন শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ: সিসিক প্রশাসকের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত

 

সিলেট নগরের কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় পরিবহন শ্রমিকদের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত চলা এই সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং কয়েকটি যানবাহন ও বাস কাউন্টার ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর জরুরি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

 

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরের পর পরিবহন শ্রমিকদের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এর জের ধরে বিকেল পর্যন্ত থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। এ সময় টার্মিনালের বাস কাউন্টার ও যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং উভয়পক্ষকে নিয়ে বাস টার্মিনাল কার্যালয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন।

 

বৈঠকে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “আগামী ২ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেট সফরে আসছেন। এই সফর সিলেটের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যখন এই সফর সফল করতে দিনরাত কাজ করছি, তখন পরিবহন শ্রমিকদের এই সংঘর্ষ অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত।”

 

তিনি অবিলম্বে ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। প্রশাসক আশ্বাস দেন যে, প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর উভয়পক্ষকে নিয়ে পুনরায় আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী বিরোধ মিমাংসা করা হবে। তাঁর এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে মালিক ও শ্রমিক নেতারা যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করতে একমত হন।

 

বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমদ, সিলেট জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ ঝুনু, মইনুল ইসলাম, সহ-সভাপতি হীরন মিয়া ও নাজিম লস্কর।

আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ-সাদাপাথর বাস মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুবুল হক চৌধুরী, মালিক সমিতি নেতা মুক্তার আহমদ, নূর মিয়া, জিতু মিয়া। শ্রমিক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি সাহেব আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবেদ সুলতান তারেক ও আলী আকবর রাজন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মিয়া জবু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসনাত, প্রচার সম্পাদক হারিছ আলী প্রমুখ।

 

নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে সিসিক প্রশাসকের প্রতিশ্রুতির পর শ্রমিকরা শান্ত হলে বিকেলে কদমতলী এলাকায় পুনরায় যানবাহন চলাচল শুরু হয় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ