শিরোনাম
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে,তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সায়ন্তিকা ব্যানার্জীর সমর্থনে বিশাল পথসভা। সরকারের কাছে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহযোগিতা ও কর্মসংস্থান প্রত্যাশা  সিলেট রেঞ্জে বিতর্কের কেন্দ্রে ওসি শফিকুল ইসলাম খান: অ ভি যোগ, প্রভাব ও প্রশ্নের মুখে পুলিশ প্রশাসন চুনারুঘাটে ব্র্যাক সিড অ্যান্ড এগ্রো এন্টারপ্রাইজের কৃষক কর্মশালা,আধুনিক প্রযুক্তি ও জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের আহ্বান একজন নারীর চোখে দেখা এই শহর—যেখানে পঞ্চতত্ত্বের স্পর্শে জন্ম নেয় এক নতুন উপলব্ধি। “শাড়ি—তাই নারী”— মুরাদনগর এলাকায় পরিদর্শন করে  স্থানীয় সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলেন  সিসিক প্রশাসক  সিলেটে হাম- রুবেলা সমন্বয় সভা ::৩ লাখ ৮৬ হাজার ৮৫৬ জন শিশু টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা  সিলেটে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন পুষ্টি নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান ইতালি পাঠানোর নামে লিবিয়ায় জিম্মি ও ২২ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ সুনামগঞ্জে মানব পাচার ট্রাইব্যুনালে মামলা রাঙ্গামাটিতে কোতয়ালী পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ৭ মাদক কারবারি গ্রেফতার, ১৯ লিটার মদ উদ্ধার
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১২ অপরাহ্ন

সিলেট রেঞ্জে বিতর্কের কেন্দ্রে ওসি শফিকুল ইসলাম খান: অ ভি যোগ, প্রভাব ও প্রশ্নের মুখে পুলিশ প্রশাসন

স্টাফ রিপোর্টার / ৩৭ Time View
Update : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

49

সিলেট রেঞ্জে বিতর্কের কেন্দ্রে ওসি শফিকুল ইসলাম খান: অ ভি যোগ, প্রভাব ও প্রশ্নের মুখে পুলিশ প্রশাসন

 

সিলেট এসএমপির এক সময়ের বহু বির্তকীত দারোগা শফিকুল ইসলাম খান। বর্তমান সিলেট রেঞ্জের প্রতিমাসের নির্বাচিত শ্রেষ্ট পুলিশ অফিসার। বর্তমানে তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি হিসাবে দায়িত্বপালন করছেন। এর আগে তিনি সুনামগঞ্জের ছাতক থানার ওসি ও ২০২৪ এর ৫ আগষ্ট পর্যন্ত তিনি ময়মনসিংহ সদর থানার ওসি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

আওয়ামী পরিবারের সন্তান ওসি শফিকুল ইসলাম খান বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগের শাসন আমলের পুরোটা সময় বেশ দাপটের সাথে দারোগা ও ওসি হিসাবে দায়িত্বপালন করেছেন। সাবেক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলীর ঘনিষ্টজন হিসাবে নিজেকে জাহির করতেন সব সময়। সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নে সন্তান শফিকুল ইসলাম খানের আপন ছোট ভাই কাউছার খান মাধবপুর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। তার পরিবারের অপর ভাই মাধবপুর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বেশ প্রভাবশালী নেতা। বিগত স্থানীয় নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করেন নিজ এলাকায়।

শফিকুল ইসলাম খান সহ তার পরিবারের সকলে আওয়ামী রাজনীতির সাথে সরাসরি জড়িত। তারা সকলে সাবেক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী বলয়ের রাজনীতির সাথে সক্রিয় ছিলেন। বর্তমান সময়ে তিনি সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি মো: মুশফেকুর রহমানের একমাত্র কাছের লোক হিসাবে রেঞ্জের কর্মরত সকল থানার ওসির কাছে বেশ পরিচিত।

 

তিনি সিলেট রেঞ্জে যোগদান করে সবাইকে বলতেন, তাকে ডিআইজি মুশফেকুর রহমান নিজে সিলেটে নিয়ে আসছেন। সিলেট রেঞ্জে এসে ওসি শফিকুল ইসলাম খান প্রথমে কানাইঘাট থানায় ও পরে গোয়াইনঘাট থানার ওসি হিসাবে যোগদান করতে মরিয়া হয়ে উঠেন। প্রায় ৪৬ লাখ টাকা দিয়ে তিনি তার পছন্দের এই দুই থানার একটিতে ওসি হচ্ছেন এমন গুঞ্জন ছিলো বেশ আলোচনায়। সে সময় তার পোস্টিং এর বিষয়টি ফাঁস হয়ে গেলে রাতারাতি তাকে সুনামগঞ্জ জেলায় পোষ্টিং দিয়ে ছাতক থানায় ওসি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর কয়েক মাস পরেই সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের সাদাপাথর লুটকান্ডের সময় থানার ওসি উজায়েরকে সরিয়ে শফিকুল ইসলামকে কৌশলে কোম্পানীগঞ্জের ওসি হিসাবে পোস্টিং দেওয়া হয়। আর এসব পোস্টিং সরাসরি করেন ডিআইজি নিজে।

 

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পাথর কান্ডে দুদকে মামলা হলে সিলেটের পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক করে রাতারাতি বদলী করা হয়। শুরু হয় দুদকের তদন্ত। এ সময় সিলেট বিভাগীয় কমিশনার সদস্য ওএসডি হয়ে অন্যত্র বদলী হওয়া ও রেঞ্জের বর্তমান ডিআইজির ভুমিকা নিয়ে নানা রকম প্রশ্ন দেখা দেয়। গত ১৮ তারিখ বিভাগীয় কমিশনার বদলী হলেও ডিআইজি আছেন এখনো বহাল।

 

পুলিশের সূত্র জানায়, ডিআইজি মুশফেকুর রহমান নিজের সকল অর্থনৈতিক কর্ম এখন সম্পাদন করে ওসি শফিকুল ইসলাম খান। কারণ তাদের সম্পর্কটা বেশ পুরনো। বিগত আওয়ামী লীগ আমলে এসএমপি কর্মরত ছিলেন এই দুই জন। সে সময় বর্তমান ডিআইজি মুশফেকুর রহমান সিলেট এসএমপির দক্ষিণ জোনের ডিসি আর শফিকুল ইসলাম খান সিলেট দক্ষিণ সুরমা থানায় দারোগা হিসাবে কর্মরত ছিলেন। সে সময় ডিসিকে ম্যানেজ করে তিনি দক্ষিণ সুরমার টার্মিনাল পুলিশ ফাঁড়ির আইসির চেয়ারটি বাগিয়ে নেন শফিকুল ইসলাম। শুরু হয় দুজনের নতুন মিশন। কদমতলী পুলিশ ফাঁড়িতে আইসি থাকা অবস্থায় দক্ষিণ সুরমার বারখলা পোস্ট অফিসে সামন থেকে ১ কেজী হেরোইন আটকের ঘটনা ঘটে।

 

এ সময় দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি ছিলেন বর্তমান বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোনে কর্মরত ওসি খায়রুল ফজল। তাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এসআই শফিকুল ইসলাম খান ডিসির সাথে মিলে উক্ত মামলার এক আসামীকে চার্জসীট থেকে বাদ দিতে সিলেট জেলার পরিবহন শ্রমিক নেতা জনৈক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন। তখনকার ঐ জোনের ডিসি ও আইসি মিলে মামলাটি ফাইনাল দিতে আইসির হয়ে থানার ওসিকে আইনবহির্ভূত ভাবে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন ডিসি নিজে।

 

যার ফলে নিরোপায় হয়ে থানার ওসি খায়রুল ফজল বিষয়টি এসএমপি কমিশনারকে অবগত করে নিজে দক্ষিণ সুরমা থানা থেকে অন্যত্র বদলীর জন্য আবেদন করেন। যদিও কমিশনার তাৎক্ষনিক থানার ওসি খায়রুল ফজলকে সিলেট বিমানবন্দর থানায় বদলী করে দেন। নিজে গোপনে অনুসন্ধান শুরু করেন শফিকুল ইসলাম খান ও ডিসি মুশফেকুর রহমানের বিরুদ্ধে। ঘুষের বিষয়টির সত্যতাও পান। সে মামলা নিয়ে একটি অনুসন্ধানী সংবাদ প্রচারিত হয় বিভি-ন্ন টিভি চ্যানেলে।

 

কিন্তু মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিলো প্রকৃত হেরোইন ব্যবসায়ীকে। তখনকার আইসি এখনকার দরবেশ বা জিনের বাদশা সে সময় ঐ জোনের ডিসির ঢাকার বাসায় সিলেট থেকে গ্রীনলাইন পরিবহনে দেশী মাছ, মোরগ, হরিপুর থেকে বিদেশী পাখি পাঠাতেন নিয়মিত।

 

এ সময় শফিকুল ইসলাম খানের কথায় ডিসি দক্ষিনের অধিনে কর্মরত আরেক এসআই চাঁন মিয়ার উপর ক্ষিপ্ত হন ডিসি মুশফেকুর রহমান। পরে বির্তকৃত হেরোইনকান্ডে শফিকুল ইসলামকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়। কয়েক মাস পরেই টাকার বিনিময়ে সিলেট রেঞ্জে পোস্টিং নিয়ে নেন শফিকুল ইসলাম। গোয়াইনঘাট থানায় দারোগা হিসাবে চাকরি শুরু করেন। পাশাপাশি রাজনৈতীক তদবিরের বদলৌতে সালুটিকর পুলিশ ফাঁড়ির আইসি হিসাবে দায়িত্ব পান।

 

এ সময় সালুটিকর এলাকার সকল মাদক ও চোরাকারবারিদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে উঠে শফিকুল ইসলাম খানের। বিশেষ করে সেই এলাকার মাদক ব্যবসায়ীরা ঈদ উৎসব পালন করতে থাকে তাদের ব্যবসায়। অভিযোগ ছিলো আইসি নিজেও নিয়মিত ফেনসিডিল সেবনের।

এদিকে ওসি হিসাবে ছাতক থানায় যোগদান করেই জনৈক আলী নামের এক চোরাচালানের লাইনম্যানের কাছ থেকে, একটি মটর সাইকেল ঘুষ গ্রহণ করেন। সে মটর সাইকেলটি দাম ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, গাড়ি সার্ভিসিং বিল ২০ হাজার টাকা।

 

নতুন দুটি টায়ার বাবৎ আরো ১০ হাজার টাকা নেন ওসি। সবটায় করেছিলেন নিজের ব্যক্তিগত ড্রাইভারের মাধ্যমে। পরেই সেই চোরাকারবারি অবৈধ মাল আটক করে বড় অংকের টাকা চাইলে ওসি শফিকুল ইসলাম খানের ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি সামনে আসে। মটর সাইকেল ঘুষ গ্রহণের কল রেকর্ড এ প্রতিবেদক সংগ্রহ করেন।

 

অনুসন্ধান মতে, কারো কাছে জিনের বাদশা ও আবার কারো কাছে দরবেশ বাবা হিসাবে পরিচিত এই ওসির ঘুষের হাত অনেক লম্বা ও পুরানো। ২০১৭সালের ১৮ জুলাই দিবাগত রাতে র‍্যাব-৯ দক্ষিণ সুরমার তেতলী ইউনিয়নের আহমদপুর এলাকায় জনৈক শহীদুল ইসলাম ওরফে শহীদের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখান থেকে প্রায় ৩৪৪ গ্রাম হেরোইন, যার বাজারমূল্য প্রায় কোটি টাকা।

 

বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, একটি বিদেশি রিভলবার এবং নগদ কয়েক লক্ষ টাকা উদ্ধার করে। এসময় অভিযোগ ওঠে এই মাদক সম্রাট শহীদ দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশের ‘সেফ প্যাসেজ’ বা ছত্রছায়ায় ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। দক্ষিণ সুরমা থানার তৎকালীন এসআই শফিকুল ইসলাম খান শহীদের এই বিশাল মাদক সিন্ডিকেট থেকে নিয়মিত ডিসির নামে বখরা নিতেন তিনি। অভিযোগ ওঠে ছিলো উদ্ধার হওয়া মাদকের একটি বড় অংশ থানায় জমা না দিয়ে, মামলার নথিতে কম দেখিয়ে পুলিশের এই অসাধু কর্মকর্তা ব্যক্তিগত ভাবে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করেন।

 

এই কেলেঙ্কারী জানাজানি হওয়ার পর এসএমপির ভেতরে তোলপাড় শুরু হয়। র‍্যাবের হাতে ধরা পড়ার পর শহীদের সাথে পুলিশের কার কার যোগাযোগ ছিল, তা নিয়ে গোয়েন্দা তদন্ত শুরু হয়। এই ঘটনার রেশ ধরে এবং সাধারণ মানুষের অসন্তোষের কারণে সেই সময়কার সংশ্লিষ্ট অনেক কর্মকর্তাকে থানা থেকে সরিয়ে ক্লোজড বা বদলি করা হয়েছিল। যদিও সেই সময়কার এই ১ কোটি টাকার হেরোইন কেলেঙ্কারীর ছায়াও তার ওপর পড়েছিল।

 

শহীদের ডায়েরি ও কললিস্ট থেকে পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তার সাথে নিয়মিত যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়ার দাবি ওঠেছিলো। তৎকালীন সময়ে কিছু প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার ছত্রছায়ায় থেকে বিরোধী মতাদর্শের মানুষদের দমনে বা ব্যক্তিগত শত্রুতা উদ্ধারে পুলিশি ক্ষমতা অপব্যবহারের অভিযোগ ছিল। কোন রকম মামলা ছাড়াই ডিসির কথায় দক্ষিণ সুরমা এলাকার জামায়াত নেতা মাওলানা লোকমান আহমদকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতন নিপীড়ন করেন এই শফিকুল ইসলাম।

 

কোম্পানীগঞ্জে বর্তমান সময়ে দায়িত্ব পালন কালে তিনি স্থানীয় চোরাকারবারি, মাদক ব্যবসায়ী, বালু-পাথর লুটপাটকারীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে এসব অপকর্ম করে গেলে মাস থেকে তিনি হয়ে যান জেলার শ্রেষ্ট ওসি। একাধিক পুলিশ সদস্য নাম প্রকাশ না করা শর্তে বলেন, শত অপরাধ করলেও কি ভাবে প্রতিমাসে জেলার শ্রেষ্ট ওসি হয়ে যান শফিকুল ইসলাম খান তা নিয়ে ভিতরে ভিতরে বেশ আলোচনা, সমালোচনা শুরু হলে উর্দ্ধতন অফিসারদের ভয়ে কেউ মুখ খোলেন না।

 

এদিকে কোম্পানীগঞ্জ থানার বিএনপির নেতৃবৃন্দ গত ৩রা মার্চ একটি প্রতিবাদ সভা করে প্রকাশ্যে অভিযোগ তুলেন, পুলিশ প্রশাসন প্রকৃত পাথর লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে নিরপরাধ মানুষের নামে মামলা দায়ের করছে। যাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা পায়, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।

 

স্থানীয় একটি সোর্স ও পুলিশের সমন্বয়ে একটি সিন্ডিকেট শাহ আরফিন এলাকায় পাথর লুটপাটে জড়িত এবং নিজেদের চামড়া বাচাঁতে পুলিশের নিয়োগকৃত সোর্সের দেওয়া নামে মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে, এবং ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে বাঙ্কার ও শাহ আরেফিনে অবৈধ ভাবে পাথর উত্তলন করতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন অফিসার ইনচার্জ ওসি শফিকুল ইসলাম ও তার সোর্সরা।

 

বিভিন্ন অভিযোগ ও তার ভাইদের বিষয়ে জানতে ওসি শফিকুল ইসলাম খানের মোবাইল ফোনে কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি। তার সরকারি নাম্বারে ক্ষুদেবার্তা পাঠালেও তিনি কোন রকম উত্তর দেননি।

সূত্র – দৈনিক পর্যবেক্ষণ

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ