শিরোনাম
নেত্রকোনায় অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য নির্ধারণে অনিয়মের অভিযোগ, ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক পর্যায়ক্রমে সিলেটকে একটি দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সবুজ নগরীতে রূপান্তর করা হবে – সিসিক প্রশাসক  দোয়ারাবাজারে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার ক্যানসারে আক্রান্ত আব্দুল মজিদ বাঁচতে চায় দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্ত্বর, পুরান পুলের মুখ, রেলগেইট যানজটের ‘হটস্পট’  সুনামগঞ্জ সদরে বালু পাথর ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত। ক্রাশার মেশিন ১টি  ২০০০ ফিট বড় পাথর ৮০০ ফিট ভাঙ্গা পাথর জব্দ।      ছাতকে ৪৪ বছরের ইমামতি জীবনের সমাপ্তিতে মৌলভী কবির আহমদের রাজকীয় বিদায়ী সংবর্ধনা ছাতক সরকারি কলেজ-কে শিক্ষা সহ  সকল ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে নিতে চাই— কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি গোয়াইনঘাটে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৪:১৮ অপরাহ্ন

পার্বত্য বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে থানচিতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ২৯ একর পপিক্ষেত ধ্বংস: যার বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি টাকা

স্টাফ রিপোর্টার / ১৩৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

61

পার্বত্য বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে থানচিতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ২৯ একর পপিক্ষেত ধ্বংস: যার বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি টাকা

 

বান্দরবান প্রতিনিধি : বান্দরবানের দুর্গম সীমান্ত এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে যৌথ বাহিনী।  থানচি ৩১ বীর বিজিবি এবং সেনাবাহিনীর আলীকদম জোনের একটি সমন্বিত টহল দল দীর্ঘ অভিযানে প্রায় ২৯ একর জমির পপিক্ষেত ধ্বংস করেছে।

 

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ দল সংশ্লিষ্ট এলাকার ১২টি পৃথক লোকেশনে অভিযান পরিচালনা করে। স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতিতে নিষিদ্ধ পপিক্ষেত গুলো উপড়ে ফেলা ও পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

 

যৌথ বাহিনীর ধারণা মতে, ধ্বংসকৃত পপি থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণের পর প্রায় ১,৪৫০ কেজি আফিম উৎপাদিত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। উদ্ধারকৃত ও ধ্বংসকৃত এই মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ১০ কোটি ৮৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই অঞ্চলের বিশাল এলাকা জুড়ে পপি চাষের বিস্তার ঘটেছে। বিশেষ করে ডিমপাহাড় এবং সাঙ্গু নদীর মধ্যবর্তী অত্যন্ত দুর্গম এলাকাগুলোতে বিপুল পরিমাণ জমিতে এই নিষিদ্ধ মাদক চাষাবাদ হচ্ছে। এসব এলাকায় আরও প্রায় ১০০ একরের বেশি জমিতে পপি চাষ করা হয়েছে।

 

নিরাপত্তা বাহিনীর জানায়, “দুর্গম পাহাড়ের সুযোগ নিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী সাধারণ মানুষকে পপি চাষে উদ্বুদ্ধ করছে। বিশেষ করে আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠী গুলো এই মাদক বিক্রয় ও চাষাবাদের মূলহোতা। মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা বজায় রাখতে যৌথ বাহিনীর এই চিরুনি অভিযান অব্যাহত থাকবে”।

 

পার্বত্য অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা এবং মাদক নির্মূলে বিজিবি ও সেনাবাহিনীর এই কঠোর অবস্থান স্থানীয় মহলে প্রশংসিত হয়েছে।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ