শিরোনাম
সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের উদ্যোগে অ্যাওয়ার্ড অর্জন হারিছ আলী কে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জ সদর হাপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতক উদ্ধার, আটক ১ দোয়ারাবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গণশুনানি সম্পন্ন। সুনামগঞ্জে সময় টিভি প্রতিনিধি হিমাদ্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের রাজস্ব আয় বাড়লে নাগরিক সেবা সম্প্রসারিত হয়: সিসিক প্রশাসক আহমদ আলী (লেখক ও গবেষক) সততা ও মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল ছাতকে অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি রাজন মিয়া-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ   দোয়ারাবাজারে পরকীয়ার প্রেমে দেবর ভাবি কারাগারে একজন যুবকের গাঁজা চাষ, যুবক গ্রেফতার
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ন

গোয়াইনঘাটে স্থানীয় পুলিশের ‘লাইনম্যান’ পরিচয়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজি নেপথ্যে কামাল ও আল-আমিন-

স্টাফ রিপোর্টার / ১৪৬ Time View
Update : বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬

75

গোয়াইনঘাটে স্থানীয় পুলিশের ‘লাইনম্যান’ পরিচয়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজি নেপথ্যে কামাল ও আল-আমিন-

 

সিলেট বুলেটিন ডেস্ক:: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের নাম ভাঙিয়ে ‘লাইনম্যান’ পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও চোরাচালান সিন্ডিকেট পরিচালনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কামাল ও আল-আমিন নামের দুই ব্যক্তি, যারা গোয়াইনঘাট–রাধানগর সড়ক ব্যবহার করে প্রতি রাতে কোটি কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য পাচারে মূল ভূমিকা রাখছে বলে স্থানীয়দের দাবি

 

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কামাল গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের এবং আল-আমিন জেলা ডিবি পুলিশের নাম ব্যবহার করে নিজেদের ‘লাইনম্যান’ পরিচয় দিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তাদের অনুমতি ছাড়া এই রুটে কোনো চোরাই পণ্যবাহী ট্রাক বা ডিআই গাড়ি চলাচল করতে পারে না বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা।

 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গোয়াইনঘাট–রাধানগর সড়কের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই সিন্ডিকেট নিজেদের নিয়োজিত লোকবল বসিয়েছে। ভারতীয় চিনি, কসমেটিকস, শাড়ি ও অন্যান্য অবৈধ পণ্য বহনকারী প্রতিটি ট্রাক ও গাড়ি থেকে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা আদায় করা হয়। চাঁদা আদায়ের সময় চালকদের কাছে তারা পুলিশ ও ডিবি কর্মকর্তাদের ‘ম্যানেজ’ করার কথা বলে ভয়ভীতি দেখায়।

 

স্থানীয়দের মতে, প্রতিদিন রাতের আঁধারে এই সড়ক দিয়ে শত শত পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল করে। এর মাধ্যমে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ এবং মাসে কোটি কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন হচ্ছে। ফলে একদিকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয় বৈধ ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাতের বেলায় বেপরোয়া গতিতে চলাচলকারী এসব পণ্যবাহী গাড়ির কারণে গোয়াইনঘাট–রাধানগর সড়ক সাধারণ মানুষের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পুলিশের নাম ব্যবহার করে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি ও চোরাচালান চললেও রহস্যজনক কারণে প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

 

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, পুলিশের কোনো অফিসিয়াল ‘লাইনম্যান’ নেই। পুলিশের নাম ব্যবহার করে কেউ চাঁদাবাজি বা অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

তবে স্থানীয় জনগণের দাবি, ‘লাইনম্যান’ প্রথার নামে পরিচালিত এই অবৈধ চোরাচালান ও চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট দ্রুত ভেঙে দিতে কামাল ও আল-আমিনসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে জরুরি ভিত্তিতে প্রশাসনিক হস্ত ক্ষেপ প্রয়োজন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ