শিরোনাম
অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক পর্যায়ক্রমে সিলেটকে একটি দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সবুজ নগরীতে রূপান্তর করা হবে – সিসিক প্রশাসক  দোয়ারাবাজারে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার ক্যানসারে আক্রান্ত আব্দুল মজিদ বাঁচতে চায় দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্ত্বর, পুরান পুলের মুখ, রেলগেইট যানজটের ‘হটস্পট’  সুনামগঞ্জ সদরে বালু পাথর ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত। ক্রাশার মেশিন ১টি  ২০০০ ফিট বড় পাথর ৮০০ ফিট ভাঙ্গা পাথর জব্দ।      ছাতকে ৪৪ বছরের ইমামতি জীবনের সমাপ্তিতে মৌলভী কবির আহমদের রাজকীয় বিদায়ী সংবর্ধনা ছাতক সরকারি কলেজ-কে শিক্ষা সহ  সকল ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে নিতে চাই— কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি গোয়াইনঘাটে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত জগন্নাথপুর পৌরসভা নিবার্চনে মেয়র পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে আলিফ মিয়া
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০২:১২ অপরাহ্ন

গোয়াইনঘাট পিরের বাজার রোডে সরকারি অনুমতি ছাড়া রাস্তার গাছ কর্তন

স্টাফ রিপোর্টার / ১২৪ Time View
Update : সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬

73

গোয়াইনঘাট পিরের বাজার রোডে সরকারি অনুমতি ছাড়া রাস্তার গাছ কর্তন

 

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি::: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বঙ্গবীর টু পিরের বাজার রোডে সরকারি অনুমতি ছাড়া প্রায় ৪০/৫০ টি রাস্তার গাছ কর্তন করার অভিযোগ উঠেছে। তবে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন হাজির আলী নামের এক ব্যাক্তি প্রতি গাছ দুই থেকে চার হাজার টাকা করে বিক্রি করেছেন। গাছ ক্রেতাদের সাথে কথা বললে তারাও জানায় আমরা হাজির আলীর কাছ থেকে গাছ কিনেছি।

 

এ বিষয়ে হাজির আলী জানান রাস্তা প্রস্থ করার জন্য এবং কিছু মরা গাছ রয়েছে সেগুলো কাটার জন্য রুস্তমপুর ইউনিয়নের সাহাব উদ্দিন চেয়ারম্যান আমাকে বলেন। গাছের ডালপালাগুলো বিক্রি করে শ্রমিকদের মজুরি দিবো এবং বাকি গাছগুলো তহছিলদার এসে নিলামে বিক্রি করে দিবে।

 

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের নজরে বিষয় টি পড়লে সাথে সাথে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি ব্যাপক প্রকাশ পায়। উপজেলায় প্রকাশ্যে সরকারি গাছ কাটার ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা আমরা নিয়মিত শুনলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন কতটা হচ্ছে—এ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে। “গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান”এই স্লোগান এখন শুধু পোস্টার আর ব্যানারেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে। একদিকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ঢাকঢোল, অন্যদিকে প্রকাশ্যে সরকারি গাছ নিধন—এই দ্বিমুখী বাস্তবতায় পরিবেশ সুরক্ষা যেন কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের আশ্বাস বাস্তবে কতটা কার্যকর হয় এবং সরকারি গাছ কাটার এই প্রবণতা বন্ধে সত্যিই কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয় কি না। গোয়াইনঘাটবাসী আজ পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের কঠোর ও স্বচ্ছ ভূমিকার অপেক্ষায়।

 

গোয়াইনঘাট উপজেলা বন কর্মকর্তা (এডিএম) সিদ্দিকুর রহমান বলেন বিষয়টি আমাদের নজরের বাহিরে ছিল, খবর পেয়ে বিষয়টি আমাদের নজরে আসে এবং আমরা ঘটনাস্থলে যাই। একটি কু- চক্রি মহল এই কাজটি করেছে। ইতিমধ্যে গাছ জব্দ করেছি। যারাই এর সাথে জড়িত তাদের সবার বিরুদ্ধে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

এ বিষয় নিয়ে “কৃষাণ মাঝি” পত্রিকার ক্রাইম রিপোর্টার বিলাল উদ্দিন গোয়াইনঘাট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ওমর ফারুকের সাথে কথা বললে তিনি বলেন গাছ কাটার বিষয়ে আমি জানি না। গাছ কাটলে নিলাম দেওয়া হয় এটা ঠিক আছে কিন্তু এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রতন কুমার অধিকারী বলেন, গাছ কাটার বিষয়ে কোন কিছুই জানা নেই। তবে আমি খোঁজ নিয়ে এর ব্যবস্থা নিচ্ছি।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ