#শহর, গ্রাম ও চা বাগানে নিজস্ব মাদক আড্ডার আস্তানা,, যুবসমাজ রক্ষায় প্রয়োজন আইনি ব্যবস্থা #
নিজস্ব প্রতিবেদক:: সিলেটে ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল হওয়া এক মাইনুদ্দীনকে নিয়ে জনগণের নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আসলেই কে সে? কি তার পরিচয়? তার পেশা কি? কখনো নাম সর্বস্ব মিডিয়া কর্মী, কখনো ভেজাল বিরোধী , আবার কখনো তার পরিচয় মাদক সেবন এবং আড়ালে বিক্রয়ের কারিগরি! এই বহুরূপী কারণেই জনমনে মূলত প্রশ্নের সৃষ্টি। এখন প্রশ্ন হল আসলেই সে যদি সবকিছুর আড়ালে মাদকসম্রাট হয়ে তাকে কেন তাকে আইনের আওতায় আনছে না প্রশাসনের লোকজন অনেকের মনে এমন প্রশ্ন ও আছে। কেউ কেউ বলছে প্রশাসনের সাথে তার গোপন আঁতাত রয়েছে। তবে কেউ কেউ বলছেন ভিন্ন কথা বলছেন সে মাদক সেবনকারী প্রশাসন জানে কিন্তু জানে না সে যে একজন মাদক বিক্রেতা।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে মাইনুদ্দিনের মাদকের বিস্তার শুরু হলেও এখন এ লাইনে পরিচিতি ব্যাপক। তাকে মাইনুদ্দিন ওরফে মাদক মঈনুদ্দীন হিসেবে চিনে অনেকেই। বিভিন্ন মাদক স্পটের সম্রাটদের সাথেও তারপরে উঠেছে সখ্যতা।তবে কোন গাঁজা বিক্রেতা অথবা মাদক বিক্রেতা তাকে টাকা ছাড়া মাল না দিলে গড়ে ওঠে মনোমালিন্যতা অভিযোগ যায় পুলিশের দরজায় লোকমুখে অভিযোগ রয়েছে এমনটা।
মাদক সম্রাট মইনুউদ্দিন এর মাদকের আস্তানা শহর থেকে গ্রাম এবং চা বাগান পর্যায়ে। তবে স্থানীয়রা জানায় বিভিন্ন ভেজাল, নির্ভেজাল সংগঠনের নাম ভাঙ্গিয়ে ক্রাইম তালাশ পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়ান মাইনুদ্দিন।
অনুসন্ধানে যারা যায়, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন লোককে ভয়-ভীতি দেখিয়ে, জায়গায় ভেজাল আছে, জায়গা চলে যাবে, তুমি আওয়ামী লীগের লোক তালিকায় নাম আছে, নতুন তালিকা হচ্ছে এমন সব কথা বলে ভয়-ভীতি থেকে অনেকের কাছ থেকে মাইনে আদায় করার চেষ্টা করেন কোনটাই সফল আর কোনটাই বিফল হন তিনি। নাম সর্বস্ব বিভিন্ন সংগঠনের সভাপতি ও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের প্রতিনিধি পরিচয় ও বহন করেন তিনি ।
তারপরিধি গাজা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন স্থানীয়দের কাছে ইয়াবা মাঈনুদ্দিন হিসেবে পেয়েছে নতুন পরিচিতি। স্হানীয় প্রশাসন খোজ নিলেই পেয়ে যাবে চোখের সামনেই মরন নেশা ইয়াবা গাজা সেবন সহ মাদক বিক্রির তার আস্থানা।
খুজ নিয়ে জানাযায়, মইনুউদ্দিনের বাড়ী নগরীর শাহপরান থানা এলাকার ৩৪ নং ওযার্ডে সিরাজ নগর (গুচ্ছ গ্রামে) হলে ও পুলিশী ভয়ে ও মাদক বিক্রির কাজে রাত কাটে তার বিভিন্ন স্থানে। ডবে তার নিজ এলাকায় ও রয়েছে তার মাদকের আস্তানা। মরন নেশা ইয়াবা গাজা সেবন ও বিক্রয় নিত্য দিনের পেশা এখন মাইনুদ্দিনের।
অএ এলাকার উঠতি বয়সী স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাএ ও যুব সমাজ নেশার ছোবলে পড়ে এখন ধ্বংসের পথে। শুধু তাই না বিক্রিতে অধিক মুনাফা উৎসাহ দিয়ে প্রতিবেশী বা বিভিন্ন এলাকার উঠতি বয়সী ছেলেদের মাদক বিক্রিতে উৎসাহ দিয়ে ফ্রিতে সেবন শিখিয়ে রাত্রিকালীন সময়ে মোটরসাইকেল যোগে বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে প্রাণ চাচ্ছে অনেকের। অনেকেই ফিরছে লাশ হয়ে নিজ ঘরে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, তার নিজস্ব আস্থা নাই মাদক সেবনে পরিপক্ক হওয়ার পর মাদক বিক্রি কাজে লাগানো হয় উঠতি বসি তরুণদের, এখন এ পেশায় শহরের বিভিন্ন টোকাই, উঠতি বয়সী টুকাই শ্রেণীর নারীদেরকে ও কাজে লাগানো হচ্ছে। অধিক মুনাফার আশায় কেউ কেউ এ পথ বেছে নিচ্ছে। একে ধ্বংস হচ্ছে সমাজ রাষ্ট্র ধ্বংস হচ্ছে অনেক সম্ভ্রান্ত পরিবার।
তার ভয়ে এলাকায় মুখ খুলে না কেউই। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাইনুদ্দিনের ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর কেউ কেউ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হলেও মুখ খুলছেন। কেউ কেউ কথা বলছেন চায়ের দোকানের আড্ডায়।
জানাযায় গরু চুরি অপরাধে অএ এলাকায় লোকজন হাতানাতে ধরে জুতার মালা পড়িয়েছেন এক সময় তাকে। তবে এ বিষয়ে কথা বলতে মাইনুদ্দিনের সাথে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। কিন্তু এলাকার কেউ কেউ জানিয়েছেন মাইনুদ্দিন ষড়যন্ত্রের শিকার, এলাকায় তার শত্রু রয়েছে।