শিরোনাম
চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময় সিলেটে ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ভাবনা ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আমি আনন্দিত যে সিলেট সিটি কর্পোরেশন একজন অমায়িক মানুষকে তাদের প্রশাসক হিসেবে পেয়েছে– ডা, শফিকুর রহমান 
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন

অপারেশন সানশাইনের ৩০ তম ধিক্কার দিবস পালিত হলো। 

স্টাফ রিপোর্টার / ২৪৯ Time View
Update : বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫

অপারেশন সানশাইনের ৩০ তম ধিক্কার দিবস পালিত হলো। 

 

সিলেট বুলেটিন ডেস্ক;: ২৫ শে নভেম্বর মঙ্গলবার, কলকাতা কর্পোরেশনের পাশে, ২৪শে নভেম্বর সোমবার ঠিক দুপুর তিনটায়,হকার সংগ্ৰাম কমিটির ডাকে, অপারেশন সানশাইনের ৩০ তম ধিক্কার দিবস পালিত হলো। কয়েশো। হকার এই ধিক্কার সভায় অংশগ্রহণ করেন। 

বেশ কিছু দাবী নিয়েই আজকের এই ধিক্কার দিবস এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে বিভিন্ন ভাবে আক্রমণ করে , হকার ভাইদের পাশে‌ থাকার এবং নিজেদের অধিকার নিয়ে বাঁচার লড়াইতে সামিল হতে বলেন,

মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন, শক্তিমান ঘোষ, সুজাত ভদ্র, ইমারুল হক, অনিতা দাস, প্রসূন দাশগুপ্ত, নির্মল ঘোষ, দেবাশীষ রায়, অচ্ছুত চক্রবর্তী,‌ভবতশ সরকার, কুরবান আলী সহ অন্যান্য নেতা ও নেতৃবৃন্দ।

আজকের অপারেশন সানশাইন ধিক্কার দিবস উপলক্ষে, বেশ কয়েকটি দাবী তুলে ধরেন। সার্ভে হওয়া সমস্ত হকারদের অবিলম্বে ভেন্ডিং‌ সার্টিফিকেট দিতে হবে, এস আই আর এর নামে এন আর সি করা চলবে‌না। সমস্ত হকার ভাইদের আই কার্ড দিতে হবে, সকল হকারদের লাইসেন্স দিতে হবে, হকারদের পুনর্বাসন দিতে হবে, হকারদের সমস্ত দাবী না মানা পর্যন্ত একটা হকারকে তুলতে পারবে না।

সভার মঞ্চ থেকে একে একে বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার একের পর এক নীতি প্রয়োগ করে সাধারণ ও মধ্য‌বিত্য মানুষদের মারার চেষ্টা আদানী আম্বানীদের হাতে সমস্ত জিনিস টাকার বিনিময়ে তুলে দিতে চায়। কল। কারখানা শিল্প কিছু মুষ্টিমেয় টাকা ওয়ালা মানুষের হাতে দিয়ে,দেশকে শেষ করতে চায়, আমরা তা হতে দেব না,

যারা আমাদের কারিগর, যারা কল কারখানা ও শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করে, দিন রাত্রি পরিশ্রম করে মুনাফা এনে দেয়, হাজার ফ্যামিলি পরিবার নিয়ে বেঁচে আছে, ফুটপাতে ছোট ছোট দোকান দিয়ে কম পয়সায় খাবার বিক্রি করে, পথ চলতি মানুষ ফেরার পথে সেই খাবার কিনে নিয়ে বাড়ি ফেরে, সরকার সেই সকল দোকানদার দের প্যাটে লাথি মারছে। আজ এস আই আর এর নামে বাংলাদেশী বলে থানায় আটকে রাখছে, তাদের অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। আমরা হতে দেব না। লড়াই এর মধ্য দিয়ে অধিকার ছিনিয়ে নেবো। রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ