অপারেশন সানশাইনের ৩০ তম ধিক্কার দিবস পালিত হলো।
সিলেট বুলেটিন ডেস্ক;: ২৫ শে নভেম্বর মঙ্গলবার, কলকাতা কর্পোরেশনের পাশে, ২৪শে নভেম্বর সোমবার ঠিক দুপুর তিনটায়,হকার সংগ্ৰাম কমিটির ডাকে, অপারেশন সানশাইনের ৩০ তম ধিক্কার দিবস পালিত হলো। কয়েশো। হকার এই ধিক্কার সভায় অংশগ্রহণ করেন।
বেশ কিছু দাবী নিয়েই আজকের এই ধিক্কার দিবস এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে বিভিন্ন ভাবে আক্রমণ করে , হকার ভাইদের পাশে থাকার এবং নিজেদের অধিকার নিয়ে বাঁচার লড়াইতে সামিল হতে বলেন,
মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন, শক্তিমান ঘোষ, সুজাত ভদ্র, ইমারুল হক, অনিতা দাস, প্রসূন দাশগুপ্ত, নির্মল ঘোষ, দেবাশীষ রায়, অচ্ছুত চক্রবর্তী,ভবতশ সরকার, কুরবান আলী সহ অন্যান্য নেতা ও নেতৃবৃন্দ।
আজকের অপারেশন সানশাইন ধিক্কার দিবস উপলক্ষে, বেশ কয়েকটি দাবী তুলে ধরেন। সার্ভে হওয়া সমস্ত হকারদের অবিলম্বে ভেন্ডিং সার্টিফিকেট দিতে হবে, এস আই আর এর নামে এন আর সি করা চলবেনা। সমস্ত হকার ভাইদের আই কার্ড দিতে হবে, সকল হকারদের লাইসেন্স দিতে হবে, হকারদের পুনর্বাসন দিতে হবে, হকারদের সমস্ত দাবী না মানা পর্যন্ত একটা হকারকে তুলতে পারবে না।
সভার মঞ্চ থেকে একে একে বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার একের পর এক নীতি প্রয়োগ করে সাধারণ ও মধ্যবিত্য মানুষদের মারার চেষ্টা আদানী আম্বানীদের হাতে সমস্ত জিনিস টাকার বিনিময়ে তুলে দিতে চায়। কল। কারখানা শিল্প কিছু মুষ্টিমেয় টাকা ওয়ালা মানুষের হাতে দিয়ে,দেশকে শেষ করতে চায়, আমরা তা হতে দেব না,
যারা আমাদের কারিগর, যারা কল কারখানা ও শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করে, দিন রাত্রি পরিশ্রম করে মুনাফা এনে দেয়, হাজার ফ্যামিলি পরিবার নিয়ে বেঁচে আছে, ফুটপাতে ছোট ছোট দোকান দিয়ে কম পয়সায় খাবার বিক্রি করে, পথ চলতি মানুষ ফেরার পথে সেই খাবার কিনে নিয়ে বাড়ি ফেরে, সরকার সেই সকল দোকানদার দের প্যাটে লাথি মারছে। আজ এস আই আর এর নামে বাংলাদেশী বলে থানায় আটকে রাখছে, তাদের অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। আমরা হতে দেব না। লড়াই এর মধ্য দিয়ে অধিকার ছিনিয়ে নেবো। রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ