তাহিরপুরে ইয়াবা ডিলার সোহাগ সহযোগী সহ পুলিশের খাঁচায়
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট বিভাগ জুড়ে চলছে মাদকবিরোধী অভিযান।চলছে।সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি মো: জিললুর রহমান যোগদানের পর থেকে উল্লেখযোগ্য ভাবে মাদকবিরোধী অভিযান বেড়েছে সিলেটের বিভাগ জুড়ে। আগেকার সময়ে সাধারণ মাদকবিদের পাকড়াও করে লোক দেখানো অভিযান করলেও মাদক ডিলাররা থাকতো ধরাছোঁয়ার বাইরে । বর্তমান ডিআইজি
পুলিশকে সাহসিকতার জায়গায় ফিরিয়ে নিতে ও অপরাধী পাকড়াও সক্ষমতা অর্জনের পাশাপাশি মাদক বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিমালা ঘোষণার পর এখন মাদকের ডিলারদের ও নিয়ে আসা হচ্ছে পুলিশের খাঁচায়। নবাগত রেঞ্জ ডিআইজি বিভাগের বিভিন্ন থানা ভিজিট করে আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে উদ্বুদ্ধ করছেন পুলিশের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের।দিচ্ছেন বিভিন্ন নির্দেশনা।
মাদকের মধ্যে বিশেষ করে ইয়াবা ট্যাবলেট একের পর এক আপডেট ট্যাবলেট ( বিরুল)তৈরি করে মাদক ব্যবসায়ীরা বিক্রি করে দেশের ভবিষ্যৎ যুব সমাজ আজধ্বংসের পথে।এসব ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে শুধু নয় ডিলারদের বিরুদ্ধে নেমেছে পুলিশ। যা মাদক নির্মূল করতে অতীব জরুরী। রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের নির্দেশে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে সীমান্ত জনপদ তাহিরপুরে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ইয়াবা ডিলার সোহাগ ওরফে সোহাগ কে দুই সহযোগী সহ আটক করেছে পুলিশ।
অপহরণ সহ একাধিক মামলা রয়েছেসোহাগ এর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ২ সহযোগী সহ তাকে আদালতের শপথ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পাঠানো হয়েছে কারাগারে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, তাহিরপুরউপজেলার উওর বাদাঘাট ইউনিয়নের মোদেরগাঁও গ্রামের মৃত জালালের ছেলে সোহাগ, মোল্লাপাড়া গ্রামের আক্কল আলীর ছেলে রুয়েল,একই গ্রামের মতিউরের ছেলে নুরুজ্জামান ময়না।
গ্রেফতার সোহাগ উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের প্রয়াত ইউপি চেয়ারম্যান জালালের ছেলে। মঙ্গলবার তাহিরপুর থানার ওসি ফারুক আহম্মেদ জানান,গ্রেফতার সোহাগের বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানায় ২০১৫ সাল থেকে ছিনতাই,হত্যাচেষ্টা, সংঘর্ষ সহ চারটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। সে ইয়াবা ডিলর।
মামলার আরজি ও প্রত্যক্ষদর্শী উপজেলার বারহাল গ্রামের আজিজুর রহমান কাউছার, মোল্লাপাড়ার খোকন, সোহালার সাজ্জাদ সহ একাধিক মানুষজন জানান, মোল্লাপাড়ায় বাদাঘাট সরকারি কলেজের পাশে বাড়িতে বসবাস করে সোহাগ।
সোমবার দিবাগত রাতে মোল্লাপাড়ার একটি পতিত ঘরে ইয়াবা ক্রয় বিক্রয়ও সেবনকালে এলাকার লোকজন তাদের পাকরাও করেন।
এরপর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সোহাগ ও তার সহযোগিরা ২ থেকে ৩’শ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট কৌশলে টয়লেটের ভেতর ফেলে দেয়।
তাহিরপুর থানার বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর ইনচার্জ (মামলার বাদী) এসআই মনিরুজ্জামান সজল জানান, সোহাগ আন্ত:উপজেলার শীর্ষ ইয়াবা ডিলার, তাকে ও তার সহযোগিদের শতাধিক লোকজন আটকে রেখে পুলিশের খবর দেয়।
তদন্ত চলমান রয়েছে ইয়াবা কারবারে জড়িত তার অন্য সহযোগিদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পুলিশের চৌকস টিম কাজ করছে মাঠে।
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ নিজাম উদ্দিন, নির্বাহী সম্পাদক : আইয়ুব আলী অফিস ; খান কমপ্লেক্স, সোনারপাড়া, শিবগঞ্জ, সিলেট। যোগাযোগ : প্রকাশক ও সম্পাদক : ০১৭৩৭-৩০৪৭৫১। ই-মেইল : sylhetbuletin@gmail.com
All rights reserved © 2025 sylhet buletin