ভিত্তি প্রস্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী :সুরমা নদীর দুই তীরে হচ্ছে বন্যা প্রতিরক্ষায় প্রকল্প সরকারের কাছে দাবি : ছিলট( সিলেট) একাডেমি
এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া: প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর সিলেটে প্রথম সফরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দল-বিএনপি ও সরকারি ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানসূচি সফল করতে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। আজ সোমবার রাত ৮টায় সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি প্রস্তুতি সভা করেছে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিলেট সফর বাস্তবায়ন করতে। সরকারিভাবে সিলেটের জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম কে দেখা যায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরকালীন সরকারি কর্মসূচি বাস্তবায়নে ব্যাপক প্রস্তুতি নিতে। দুজনের সাথেই দুপুর ২ টায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখা হয় সুরমা নদীর তীরে তাদের আলোচনা থেকে জানা যায় সিলেট নগরীর বন্যা নিয়ন্ত্রণে ১৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সুরমা নদীর দুই তীরে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে। যেটি দুই মেয়ে সিলেটের সফরে এসে প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইতিপূর্বে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন ডিসি সারওয়ার আলম ও সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী কে প্রায় এক সপ্তাহ থেকে ব্যাপক ব্যতিব্যস্ত উপলব্ধি করা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর সুচি নিয়ে এর সফল বাস্তবায়নের জন্য তিনি এ বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলছেন বারবার। নির্মাণাধীন প্রকল্প গুলো পরিদর্শন করছেন ।
শুধু সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নয় আমি জেলা বিএনপির সভাপতি সিলেটের যে কারণে দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর সিলেটের প্রথম সফর বাস্তবায়নে উল্লেখ করে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন , সুরমা নদীর দুই তীরে শক্তিশালী বন্যা প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে।পাশাপাশি নাগরিকদের জন্য নির্মাণ করা হবে ওয়াকোয়ে, সৌন্দর্যবর্ধনে সুরমা নদীতে নির্মিত হবে স্লুইস গেইট।
সিলেট নগরকে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে সুরমা নদী–কেন্দ্রিক একটি বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক)। তবে যেখানে প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর হবে সেখানে রয়েছে সিলেটের ইতিহাসের সাক্ষী ঐতিহ্যের উপলব্ধি ব্রিটিশ আমলের করা ১৯৩৩-১৯৩৬ সালে আসামের তৎকালীন গভর্নর মাইকেল ক্বীনের নামে ১১৫০ ফুট দীর্ঘ লোহার সেতু।
সিলেটের অন্যতম প্রধান প্রতীক এবং ঐতিহ্যবাহী প্রবেশদ্বার। ঐতিহ্যের আরেক নিদর্শন আলী আমজাদের ঘড়ি। আর এ কারণেই এই স্থাপনা গুলোকে কেন্দ্র করে সুরমার পার প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি উঠে আসছে অনেক আগে থেকে। এই এলাকাকে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট এর সহযোগী অধ্যাপক ও হাছন রাজা লোকসাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের সভাপতি ডা. জহিরুল ইসলাম অচিনপুরী
ইতিপূর্বে সিলেটের মুখ ঘোষণা করেছেন স্থানটিকে করেছেন তিনি লক্ষাধিক জনসমাগম নিয়ে ছিলটী উৎসব। সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন সিলেটি ভাষা সাহিত্য সংস্কৃতির জন্য আলাদা করে সিলেট একাডেমি। সিলেটি ভাষাকে সেভাবে প্রাধান্য দেয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
আশা পোষণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শ্বশুরবাড়ি লোকজন হিসেবে দাবিগুলো প্রাধান্য পাবে বর্তমান সরকারের কাছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে দর্শনীয় স্থানগুলো , ছাড়াও বন্ধ কাকা জানালাবাদ পার্ক ও শহরকে ফুল ও গাছের চারা দিয়ে সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করতে দেখা যাচ্ছে। পুরনো জং পরিষ্কার করে রং দিয়ে করা হচ্ছে ঝকঝকে আলোক উজ্জ্বল।
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ নিজাম উদ্দিন, নির্বাহী সম্পাদক : আইয়ুব আলী অফিস ; খান কমপ্লেক্স, সোনারপাড়া, শিবগঞ্জ, সিলেট। যোগাযোগ : প্রকাশক ও সম্পাদক : ০১৭৩৭-৩০৪৭৫১। ই-মেইল : sylhetbuletin@gmail.com
All rights reserved © 2025 sylhet buletin