সিলেটে কে সেই সম্রাট চোরাকারবারি সিন্ডিকেট অবৈধ ব্যবসায়ী জনি
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটের পাইকারি ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র কালিঘাট বাজার এখন ভারতীয় পেঁয়াজের একটি বড় সিন্ডিকেট বাজার হিসেবে পরিচিত রয়েছে। সিন্ডিকেটটি পেঁয়াজ সহ অন্যান্য পণ্য বিভিন্ন দোকানে বাজারজাত করছে। এতে করে সরকার যেমন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে, তেমনি হুমকির মুখে পড়েছেন বৈধ ব্যবসায়ীরা।
অভিযোগ উঠেছে, ছড়ারপাড় এলাকার মৃত- সামছুল মিয়ার ছেলে মাহবুবুর রহমান জনি ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বাধীন একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট পুরো পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। তারা ভারতীয় পেঁয়াজ এনে বিভিন্ন দোকানে বাজারজাত করছেন।ও নিলামকৃত মালিকদের বৈধ মাল ছিনিয়ে নেন,তার সাথে রয়েছে কালীঘাট বাজারের রাজনীতিক ব্যক্তিদের সু-সম্পর্ক এটাকে সে ব্যবহার করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ চাঁদাবাজির টাকা শুধু তাই নয় আরো জানা যায় দৈনিক সুরমার ডাক নামের একটি ফেক আইডিতে ভালো ভালো ব্যবসায়ী সম্মান ও নেতাদের মান সম্মান নিয়ে খেলা করে সে তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে গেলেই দৈনিক সুরমার ডাক ফেক আইডিতে ভুলভাল যেকোনো ছবি দিয়ে ভুল ভাল কিছু না কিছু দিয়ে ভাইরাল করে ফেলবে হুমকি দেয় এবং ছেড়েও দেয় এভাবে সিলেটের অনেক মানুষের ঘুম হারাম করে ফেলেছে সে তার বড় একটি গ্রুপ রয়েছে সেই গ্রুপের মাধ্যমে সে একাধিক ভাবে কাজ করেই যাচ্ছে তাকে দেখার কেউ নেই তার বয়ে থানাতে কেউ গিয়ে মুখ খুলে না
অনুসন্ধান করে জানা গেছে, কালিঘাট বাজারে প্রতিদিন গড়ে প্রায় দুই কোটি টাকার চোরাই পণ্য কেনাবেচা হয়। রাতের আঁধারে ভারত থেকে অবৈধ পথে আসা চিনি, পেঁয়াজ, জিরা, ফুসকা, মেহেদি, তেল ও চকলেট দখল করে নিচ্ছে সিলেটের এই বাজার। দেশি ও বৈধভাবে আমদানিকৃত পণ্যের তুলনায় ভারতের এসব পণ্যের দাম কম হওয়ায় চোরাকারবারিরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সহজেই পেঁয়াজ সহ অন্যান্য পণ্য বাজারজাত করছে। সাধারণ ব্যবসায়ীদের দাবি, চোরাই পণ্যের দাপটে বৈধ ব্যবসায় টিকে থাকাই এখন দায় হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্র একটি সূত্র জানায়, এই চোরাই সাম্রাজ্যের নেপথ্যে রয়েছেন কালিঘাটের শাহচট সড়কের ইলিয়াস ম্যানশনের মেসার্স রেখা এন্টার প্রাইজ নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মাহবুবুর রহমান জনি। নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অবৈধভাবে আনা পেঁয়াজ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অন্যান্য দোকানে বাজারজাত করছেন। তার নিয়ন্ত্রণে থাকা প্রায় অর্ধশতাধিক সদস্য মধ্যরাত ও ভোরে ভারতীয় পেঁয়াজ বাজারে ঢোকানোর কাজ তদারকি করে। সম্প্রতি টাকা লেনদেনের একটি ঘটনায় জনি’র ভয়েস রেকর্ড আসে গণমাধ্যমে। সেই রেকর্ডটি সংরক্ষিত রয়েছে গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে।
এই অভিযোগের বিষয়ে মাহবুবুর রহমান জনি’র মুঠোফোনে (০১৭১৫৭২….৪০) এ একাধিকরার কল করলে তা বন্ধ দেখায়।
সীমান্ত রক্ষা ও রাজস্ব আয় নিশ্চিত করতে কালিঘাট বাজারে এমন প্রকাশ্য অবৈধ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রশাসনের দ্রুত ও কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা।
কালিঘাটে অবৈধ পণ্য বা সিন্ডিকেটের বিষয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মোহাম্মদ মাইনুল জাকির।
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ নিজাম উদ্দিন, নির্বাহী সম্পাদক : আইয়ুব আলী অফিস ; খান কমপ্লেক্স, সোনারপাড়া, শিবগঞ্জ, সিলেট। যোগাযোগ : প্রকাশক ও সম্পাদক : ০১৭৩৭-৩০৪৭৫১। ই-মেইল : sylhetbuletin@gmail.com
All rights reserved © 2025 sylhet buletin