শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন
““জিয়াউর রহমান সিলেট অঞ্চলে সক্রিয়ভাবে যুদ্ধ করেছেন এবং জকিগঞ্জ-কানাইঘাট থেকে এমসি কলেজ পর্যন্ত সম্মুখসমরে অংশ নিয়ে ১৫ ডিসেম্বর সিলেট অঞ্চলকে শত্রুমুক্ত করেন”
এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া:: মহান স্বাধীনতা আন্দোলনের বীর শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ১ মিনিটে তিনি সিসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আজ পুরো জাতি নতুন আঙ্গিকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করছে। দীর্ঘ ১৭ বছরের লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ সময়ে অনেকেই নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, অনেকে গুম হয়েছেন, অনেককে হত্যার শিকার হতে হয়েছে। এমনকি শহীদ মিনারে এসে শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগও অনেক সময় বাধাগ্রস্ত ছিল।”
স্বাধীনতার ইতিহাস প্রসঙ্গে সিসিক প্রশাসক বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে দেশজুড়ে গণহত্যা চালানো হয়, যাতে লক্ষ লক্ষ মানুষ শহিদ হন। সেই সংকটময় সময়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান শুধু ঘোষণা দিয়েই থেমে থাকেননি; তিনি সরাসরি সম্মুখসারিতে থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তিনি সিলেট অঞ্চলে সক্রিয়ভাবে যুদ্ধ করেছেন এবং জকিগঞ্জ-কানাইঘাট এলাকা থেকে শুরু করে এমসি কলেজ পর্যন্ত সম্মুখসমরে অংশ নিয়ে ১৫ ডিসেম্বর সিলেট অঞ্চলকে শত্রুমুক্ত করেন, যা তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের একটি দৃষ্টান্ত।
মুক্তিযুদ্ধে বিএনপি নেতাদের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশ স্বাধীন করার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
শ্রদ্ধা নিবেদনকালে উপস্থিত ছিলেন সিসিক সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা সুনন্দা রায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজিউদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থসহ সিসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।