গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা তৈয়বুর ও কাওসার এর নেতৃত্বে চেঙ্গেরখাল নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার চেঙ্গেরখাল নদী থেকে ইজারা বিহীন অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তোয়াকুল ইউনিয়ন ও ডৌবাড়ী ইউনিয়ন এর মধ্যবর্তী লক্ষীনগর ও নিহাইনঘাট থেকে রাতের আধারে অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছেন ডৌবাড়ী ইউপি র সদস্য বিএনপি নেতা তৈয়বুর রহমান ও সাতকুড়ি কান্দি এলাকার কাওসার আহমদ সহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র।
লক্ষীনগর গ্রামের জুবের আহমদ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বলেন,আসসালামু আলাইকুম, প্রিয়, গোয়াইনঘাট উপজেলার, চেংগেরখাল নদীর দুই কিনারের সাধারণ জনগণ। আপনাদের পায়ে হাটার যোগাযোগের রাস্তা, বসত বিটা, বিলীন করার এক মাত্র কারিগর এই দুই ব্যাক্তি।
যারা সরকারের টেক্স ফাঁকি দিয়ে, সরকার ইজারা দেওয়ার প্রস্তুুতি নেওয়ার পূর্বে, জোর পূর্বকভাবে ০৮ নং তোয়াকুল ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত এরিয়ায়, রাতের আঁধারে দিনে- দুপুরে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙুল দেখিয়ে ড্রেজার মেসিন দিয়ে বালু ছিনতাই করে স্টক করে রাখছে রাতারাতি বড় লোক হচ্ছে। কে এই বালুচোর তৈয়বুর মেম্বার ০৯ নং ডৌবাড়ি ইউনিয়নের, আরেকজন চাঁদাবাজীর দ্বায়ে বহিষ্কৃত সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা কাউসার। যাদের কারণে নদীর তীরবর্তী সাধারণ জনগণের বসত বিটা, রাস্তাঘাট সহ সবকিছু নদীর ভূগর্ভে পতিত করছে । দেখার কেউ নাই।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নদী ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন জনপ্রতিনিধিরা। কিন্তু অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদী ভাঙন এখন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। আমাদের ভিটেমাটি রক্ষার আর কোনো উপায় নেই।”
এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা মনে করছেন, দ্রুত এই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করা না গেলে তোয়াকুল ইউনিয়নের লক্ষীনগর এলাকার জনবসতি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।