"ছাত্রদের কাছে শিক্ষাগুরুর মর্যাদা” : :মোঃ আহমদ আলী ::
শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, আর ছাত্রদের শিক্ষা দানকারী মানুষ গড়ার কারিগর হলেন শিক্ষক বা শিক্ষাগুরু। একজন ছাত্রের জীবনে শিক্ষাগুরুর মর্যাদা অত্যন্ত মহান ও অনন্য। পিতা-মাতা জন্ম দেন, আর শিক্ষাগুরু মানুষ হিসেবে গড়ে তোলেন। অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করে জ্ঞানের আলোয় পথ দেখান বলেই শিক্ষাগুরুকে সমাজে সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হয়।
ছাত্রজীবনের প্রতিটি ধাপে শিক্ষাগুরু একজন পথপ্রদর্শক। তিনি শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানই দেন না, বরং নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ শেখান। একজন আদর্শ শিক্ষক ছাত্রের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে সহায়তা করেন এবং তাকে সঠিক পথে চলতে উদ্বুদ্ধ করেন। শিক্ষাগুরুর উপদেশ ও অনুপ্রেরণাই অনেক সময় একজন ছাত্রের জীবন বদলে দেয়।
প্রাচীনকাল থেকেই শিক্ষাগুরুর মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। গুরু-শিষ্য সম্পর্ক ছিল পবিত্র ও শ্রদ্ধাপূর্ণ। শিষ্যরা গুরুকে দেবতুল্য মনে করত, আর আজও সেই ঐতিহ্য বহমান। একজন ছাত্রের উচিত শিক্ষাগুরুকে সম্মান করা, তাঁর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং তাঁর দেখানো পথে চলা। কারণ শিক্ষাগুরুর স্নেহ ও ত্যাগের প্রতিদান কখনো দেওয়া যায় না।
শিক্ষাগুরুর প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ছাত্রের চরিত্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যে ছাত্র শিক্ষককে সম্মান করতে শেখে, সে সমাজ ও জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শিষ্টাচার ও মূল্যবোধ বজায় রাখতে সক্ষম হয়। শিক্ষাগুরুর আশীর্বাদ ছাত্রের জীবনে সফলতার সোপান তৈরি করে।
পরিশেষে বলা যায়, শিক্ষাগুরু হলেন ছাত্রজীবনের আলোকবর্তিকা। তাঁর মর্যাদা ছাত্রের কাছে অপরিসীম ও চিরস্মরণীয়। তাই শিক্ষাগুরুর প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা প্রত্যেক ছাত্রের নৈতিক দায়িত্ব।আহমদ আলী, লেখক ও গবেষক
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ নিজাম উদ্দিন, নির্বাহী সম্পাদক : আইয়ুব আলী অফিস ; খান কমপ্লেক্স, সোনারপাড়া, শিবগঞ্জ, সিলেট। যোগাযোগ : প্রকাশক ও সম্পাদক : ০১৭৩৭-৩০৪৭৫১। ই-মেইল : sylhetbuletin@gmail.com
All rights reserved © 2025 sylhet buletin