শিরোনাম
চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময় সিলেটে ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ভাবনা ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আমি আনন্দিত যে সিলেট সিটি কর্পোরেশন একজন অমায়িক মানুষকে তাদের প্রশাসক হিসেবে পেয়েছে– ডা, শফিকুর রহমান 
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় জুয়া–মাদক দমনে ডিবির অভিযান, স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

স্টাফ রিপোর্টার / ১৯১ Time View
Update : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় জুয়া–মাদক দমনে ডিবির অভিযান, স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

 

ক্রাইম প্রতিবেদক ::সিলেট মহানগরের দক্ষিণ সুরমা এলাকায় জুয়া ও মাদক চক্রের দৌরাত্ম্য ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। নবাগত পুলিশ কমিশনারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মাঝে মধ্যে অভিযান চালালেও থানা ও ফাঁড়ি পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক ও নীরব।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ সুরমা থানার কদমতলী ফাঁড়ির আওতাধীন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন ও সরাসরি জুয়ার বোর্ড এবং মাদক ব্যবসা প্রকাশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে ‘জাকুমুন্ড’ ও ‘শিলংতীর’ নামক অনলাইন জুয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকার অবৈধ লেনদেন হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

** আলোচিত জুয়াড়ি ও মাদক ব্যবসায়ীর প্রভাব?

এলাকাবাসীর অভিযোগে উঠে এসেছে, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভার্থখলা মসজিদ বাজারসংলগ্ন শরীফ মিয়ার কলোনি এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা, ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক এবং তীর ও শিলংতীর জুয়া পরিচালনা করছে। অভিযোগ অনুযায়ী, আলোচিত জুয়াড়ি মজনু ও তার স্ত্রী রহিমা এই চক্রের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। রহিমার সহযোগী হিসেবে বনিজানাই এলাকার হাবিবের নামও উঠে এসেছে।

স্থানীয়রা জানান, এসব স্থানে কিশোর গ্যাংয়ের নিরাপদ আশ্রয় গড়ে উঠেছে, যা এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও সামাজিক অবক্ষয়ের জন্ম দিচ্ছে।

 

** ডিবির অভিযান, তবে প্রশ্ন থানা পুলিশের নীরবতা নিয়ে? গত ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিটে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ দক্ষিণ সুরমা থানাধীন কদমতলী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, কদমতলী ফাঁড়ি থেকে মাত্র আড়াইশ গজ দূরত্বে প্রতিদিন যেসব জুয়ার বোর্ড পরিচালিত হচ্ছে, সেগুলো কীভাবে পুলিশের নজর এড়িয়ে চলছে?

 

অভিযোগ রয়েছে, পুরাতন রেলস্টেশনসংলগ্ন এলাকায় একটি জুয়ার বোর্ডে প্রতিদিন প্রায় দুই লাখ টাকার লেনদেন হয়। রেইনবো মার্কেট ও আশপাশের কমপ্লেক্স এলাকায় ইয়াবা ও জুয়ার মাধ্যমে দৈনিক এক লাখ টাকার বেশি আদায় হচ্ছে। আরও কয়েকটি বোর্ডে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে শিলংতীর জুয়া পরিচালিত হচ্ছে, যার মাধ্যমে লক্ষাধিক টাকার প্রতারণা চলছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।

** প্রশাসনের অভিযান সাময়িক?

জেলা প্রশাসনের অভিযানে নতুন রেলস্টেশনের প্রবেশমুখে কয়েকটি জুয়ার বোর্ড ভেঙে দেওয়া হলেও স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব অভিযান সাময়িক ও প্রতীকী। তাদের মতে, যৌথবাহিনী ও নিয়মিত কঠোর নজরদারি ছাড়া এই জুয়া–মাদক চক্র বন্ধ করা সম্ভব নয়। এ বিষয়ে কদমতলী ফাঁড়ির ইনচার্জের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ** সচেতন মহলের দাবি

সচেতন নাগরিক ও স্থানীয় সমাজপতিদের মতে, জুয়া ও মাদক চক্র দমনে পুলিশ, ডিবি এবং দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের সমন্বিত ও ধারাবাহিক উদ্যোগ জরুরি। অন্যথায় দক্ষিণ সুরমা এলাকায় এই অপরাধচক্র আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়বে।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ