জাফলং শ্রমিকদলের দুই নেতার ইশারায় চলছে অবৈধ কর্মকান্ড
ক্রাইম প্রতিবেদক::
সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ সারওয়ার আলম এর নিষেধাজ্ঞা কে অমান্য করে গোয়াইনঘাটের পূর্ব জাফলং এলাকায় চলেছে অবৈধ ভাবে বালু পাথর উত্তোলন।যান্ত্রিক পদ্ধতিতে অবৈধ ভাবে ড্রেজার মেশিন ও সেইভ মেশিন দিয়ে বালু পাথর উত্তোলন ও লুটপাট করেছে একটি কুচক্রীমহল। কর্মসংস্থান ও শ্রমিকদের দোহাই দিয়ে নিজেদের ফায়দা হাসিল করতে মরিয়া একটি কুচক্রীমহল এরা রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন। ইজারা বহির্ভূত এলাকা (ইসিএ ভূক্ত) জায়গা থেকে অবাধে চলছে বালু পাথর উত্তোলন।
মাঝেমধ্যে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা সহকারী নির্বাহী কর্মকর্তা নামে মাত্র অভিযান চালিয়ে কিছু সংখ্যক বালু জব্দ করলেও বন্ধ করেছেন না বালু পাথর উত্তোলন। এমনকি বেশিরভাগ হয়েছেন সাদা পাথর লুটপাটের মামলার আসামি– ধরাছোঁয়ার বাইরে।
সিলেটের গোয়াইনঘাটের পূর্ব জাফলং ঘিরে রয়েছে নানান বির্তকিত কর্মকান্ডের গল্প সেখানে পুলিশের মদদে আইনে নয় লাইনেই চলছে অবৈধ সব কর্মকান্ড তবে পুলিশের সাথে ধারাবাহীকতায় নামে শাসক হিসেবে নাম যোগ হয়েছে–বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীদের। ফলস্বরূপ এমন অনেক নেতাকর্মীদের দল থেকে বহিস্কার করেছে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।
তবে বর্তমানে শ্রমিকদলের দুই নেতার মতো অভিযোগ দীর্ঘদিনের এ ইশারায় জমজমাট জাফলংয়ে অবৈধ কর্মকান্ডে দুজনকে ঘিরে। সকল কার্যক্রম চলছে !এদিকে শুধু বালু-পাথরে তারা সীমাবদ্ধ নয় প্রাপ্ত তথ্য সুত্রে, জাফলং বল্লাঘাট নয়। তাদের ইশারায় জাফলং বল্লাঘাট এর কাওসার মিলের নিচ হতে ৫০০ ফুটের জিরো পয়েন্টের চোরাচালান হতে বালুবাহী গাড়ি প্রতি ১০০০ টাকা, পুলিশের লাইনম্যানের ভূমিকায় ফেলুডার প্রতি ১০০০ টাকা, নৌকা নিয়মিত নির্ধারিত হারে চাঁদা উত্তোলন প্রতি নৌকা ৩০০/৫০০ টাকা নিয়মিত চাঁদা আদায় করে আসছেন ।
স্থানীয় থানা পুলিশ অন্ধ তবে এই চাঁদাবাজির নেপথ্যে রয়েছে উপজেলা শ্রমিকদলের সহ-সভাপতি শাহজাহান – ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন মেম্বার – বলে প্রতিবেদকের সরজমিন অনুসন্ধানে ব্যারিয়ে এসেছে- সত্যতা । এ দুই নেতার – বিষয় আরো অনুসন্ধান করতেই – ব্যারিয়ে আসে তাদের থলের বিড়াল। – বিগত সময় একাধিক বালু-পাথরের সাইড জোরপূর্বক দখল করার রয়েছে শ্রমিকদলের সহ-সভাপতি শাহজাহান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন মেম্বার এর নেতৃত্বে চলছে স্থানীয় একাধিক বিশস্ত সূত্র জানিয়েছে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে উভয়ের ব্যবহৃত মোবাইফোনে বার বার কল করা হলে দুই জনের মধ্যে ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি।