শিরোনাম
চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময় সিলেটে ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ভাবনা ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আমি আনন্দিত যে সিলেট সিটি কর্পোরেশন একজন অমায়িক মানুষকে তাদের প্রশাসক হিসেবে পেয়েছে– ডা, শফিকুর রহমান 
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন

গোয়াইনঘাটে স্থানীয় পুলিশের ‘লাইনম্যান’ পরিচয়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজি নেপথ্যে কামাল ও আল-আমিন-

স্টাফ রিপোর্টার / ১০৫ Time View
Update : বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬

গোয়াইনঘাটে স্থানীয় পুলিশের ‘লাইনম্যান’ পরিচয়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজি নেপথ্যে কামাল ও আল-আমিন-

 

সিলেট বুলেটিন ডেস্ক:: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের নাম ভাঙিয়ে ‘লাইনম্যান’ পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও চোরাচালান সিন্ডিকেট পরিচালনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কামাল ও আল-আমিন নামের দুই ব্যক্তি, যারা গোয়াইনঘাট–রাধানগর সড়ক ব্যবহার করে প্রতি রাতে কোটি কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য পাচারে মূল ভূমিকা রাখছে বলে স্থানীয়দের দাবি

 

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কামাল গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের এবং আল-আমিন জেলা ডিবি পুলিশের নাম ব্যবহার করে নিজেদের ‘লাইনম্যান’ পরিচয় দিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তাদের অনুমতি ছাড়া এই রুটে কোনো চোরাই পণ্যবাহী ট্রাক বা ডিআই গাড়ি চলাচল করতে পারে না বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা।

 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গোয়াইনঘাট–রাধানগর সড়কের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই সিন্ডিকেট নিজেদের নিয়োজিত লোকবল বসিয়েছে। ভারতীয় চিনি, কসমেটিকস, শাড়ি ও অন্যান্য অবৈধ পণ্য বহনকারী প্রতিটি ট্রাক ও গাড়ি থেকে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা আদায় করা হয়। চাঁদা আদায়ের সময় চালকদের কাছে তারা পুলিশ ও ডিবি কর্মকর্তাদের ‘ম্যানেজ’ করার কথা বলে ভয়ভীতি দেখায়।

 

স্থানীয়দের মতে, প্রতিদিন রাতের আঁধারে এই সড়ক দিয়ে শত শত পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল করে। এর মাধ্যমে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ এবং মাসে কোটি কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন হচ্ছে। ফলে একদিকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয় বৈধ ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাতের বেলায় বেপরোয়া গতিতে চলাচলকারী এসব পণ্যবাহী গাড়ির কারণে গোয়াইনঘাট–রাধানগর সড়ক সাধারণ মানুষের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পুলিশের নাম ব্যবহার করে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি ও চোরাচালান চললেও রহস্যজনক কারণে প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

 

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, পুলিশের কোনো অফিসিয়াল ‘লাইনম্যান’ নেই। পুলিশের নাম ব্যবহার করে কেউ চাঁদাবাজি বা অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

তবে স্থানীয় জনগণের দাবি, ‘লাইনম্যান’ প্রথার নামে পরিচালিত এই অবৈধ চোরাচালান ও চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট দ্রুত ভেঙে দিতে কামাল ও আল-আমিনসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে জরুরি ভিত্তিতে প্রশাসনিক হস্ত ক্ষেপ প্রয়োজন।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ