শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে কিশোরী গণধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার-৩ সিলেটে ফ্যামিলি সমাবেশ অনুষ্ঠিত জৈন্তাপুর উপজেলা সদরের ফতেহখাঁ রোডে বড় বড় গর্ত, চরম দুর্ভোগে পথচারীরা। সিলেটের জাফলং পর্যটন এলাকায় যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা: দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পর্যটক, হুমকিতে পরিবেশ “মাননীয় সংসদ সদস্য ইমরান চৌধুরীর প্রতি একটি খোলা চিঠি” নেত্রকোনায় অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য নির্ধারণে অনিয়মের অভিযোগ, ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক পর্যায়ক্রমে সিলেটকে একটি দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সবুজ নগরীতে রূপান্তর করা হবে – সিসিক প্রশাসক  দোয়ারাবাজারে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার ক্যানসারে আক্রান্ত আব্দুল মজিদ বাঁচতে চায়
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন

টেকনাফে সাগরের আগ্রাসনে শাহপরীর দ্বীপ বিলীন হচ্ছে ঝাউবাগান কমছে পর্যটন:

স্টাফ রিপোর্টার / ১০০ Time View
Update : শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬

66

টেকনাফে সাগরের আগ্রাসনে শাহপরীর দ্বীপ বিলীন হচ্ছে ঝাউবাগান কমছে পর্যটন:

 

মোঃ নবীন ইসলাম :: দেশের সর্ব দক্ষিণের শেষ ভূখণ্ড কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নাফনদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপের ঘোলারচর এলাকার ঝাউবাগান এখন অস্তিত্ব সংকটে। বঙ্গোপসাগরের উত্তাল ঢেউয়ের ধারাবাহিক তোড়ে প্রতিদিন উপড়ে যাচ্ছে শত শত ঝাউগাছ। দ্রুত টেকসই বাঁধ বা জিওব্যাগ দিয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে বর্ষা মৌসুমের আগেই এই নয়নকাড়া এলাকাটি সাগরে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

মঙ্গলবার ৬ জানুয়ারি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,বঙ্গোপসাগরের ঢেউয়ের আঘাতে ঝাউগাছ উপড়ে যাওয়ার দৃশ্য চোখে পড়ার মতো। জানা যায়, টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ ঘোলারচরের ঝাউবাগানটি কেবল সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, এটি সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ও ঝড় থেকে দ্বীপকে রক্ষা করার প্রাকৃতিক দেয়াল হিসেবে কাজ করে। “ইতিমধ্যে সাগরের ঢেউয়ের আঘাতে শত শত ঝাউগাছ শিকড়সহ উপড়ে পড়েছে। জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ বা বালুর বস্তা দিয়ে ভাঙন রোধ করা না গেলে পুরো বাগানটি সাগরে বিলীন হয়ে যাবে। সরকারি হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।”

 

সাম্প্রতিক সময়ে শাহপরীর দ্বীপের এই স্থানটি পর্যটকদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক সংলগ্ন দৃষ্টিনন্দন সড়ক দিয়ে সাগর দেখতে দেখতে শাহপরীর দ্বীপে আসার পথটি ভ্রমণপিপাসুদের মুগ্ধ করে। সড়কের দুই পাশে লবণ চাষের বিস্তৃত মাঠ এবং নাফনদীর মোহনায় দাঁড়িয়ে মিয়ানমার সীমান্ত দেখার সুযোগ পর্যটকদের দারুণভাবে আকর্ষণ করে। বিশেষ করে দ্বীপের শেষ প্রান্তের এই ঝাউবাগানটি পর্যটকদের মূল বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

এব্যাপারে সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ৭,৮,৯ ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফারিহা ইয়াছিন জানান, শাহপরীর দ্বীপের এই প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করতে পারলে ভবিষ্যতে এখানে পর্যটক সমাগম আরও বাড়বে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখবে। তবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে পর্যটকরা বিমুখ হতে পারেন। আসন্ন বর্ষার প্রবল ঢেউ শুরু হওয়ার আগেই যদি পানি উন্নয়ন বোর্ড বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জিওব্যাগ বা স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করে, তবেই রক্ষা পাবে এই অনন্য ভূখণ্ড।পরিবেশবাদী ও এলাকাবাসীর দাবি, দ্বীপের দক্ষিণ অংশ রক্ষায় যেন এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ