শিরোনাম
চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময় সিলেটে ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ভাবনা ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আমি আনন্দিত যে সিলেট সিটি কর্পোরেশন একজন অমায়িক মানুষকে তাদের প্রশাসক হিসেবে পেয়েছে– ডা, শফিকুর রহমান 
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন

জাফলং সীমান্তে থেমে নেই লালামাটি এলাকায় মান্নান মেম্বার সিন্ডিকেটের চোরাচালান ব্যবসা

স্টাফ রিপোর্টার / ৮২ Time View
Update : রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬

জাফলং সীমান্তে থেমে নেই লালামাটি এলাকায় মান্নান মেম্বার সিন্ডিকেটের চোরাচালান ব্যবসা

 

বিশেষ প্রতিবেদক:: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং লালামাটি এলাকায় প্রশাসনের নজরদারি ও আলোচিত অভিযোগের পরও থামছে না চোরাচালান কার্যক্রম। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মান্নান মেম্বারের নেতৃত্বাধীন একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এই এলাকায় চোরাচালান ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।

 

সূত্র জানায়, ভারত সীমান্ত ঘেঁষা লালামাটি এলাকা ব্যবহার করে নিয়মিতভাবে কম্বল, কসমেটিকস, চিনি, জিরা, কাপড়সহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য রাতের আঁধারে দেশে আনা হচ্ছে। এসব পণ্য স্থানীয় কিছু দোকান ও গুদামে মজুদ করে পরে বাজারজাত করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এই পুরো কার্যক্রমের নেপথ্যে রয়েছে মান্নান মেম্বার সিন্ডিকেট।

 

রাতের আঁধারে সীমান্ত ভেঙে কম্বল আনা: জাফলং লালমাটির ভাইরাল প্রশ্নের মুখে মান্নান মেম্বার

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একাধিকবার চোরাচালানের ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে করে সিন্ডিকেট আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। অনেকেই অভিযোগ করেন, প্রভাবশালী হওয়ার কারণে অভিযুক্তরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

 

এ বিষয়ে প্রশাসনের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানায়, অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রমাণ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অভিযান বা গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।

 

এলাকাবাসীর দাবি, সীমান্ত এলাকায় স্থায়ীভাবে নজরদারি জোরদার করা এবং অভিযুক্ত সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে চোরাচালান আরও ভয়াবহ রূপ নেবে।

আগামী পর্বে–মান্নান মেম্বার ও তার ভাই লোকমানের চোরাচালানের রমরমা ব্যবসা

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ