শিরোনাম
সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের উদ্যোগে অ্যাওয়ার্ড অর্জন হারিছ আলী কে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জ সদর হাপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতক উদ্ধার, আটক ১ দোয়ারাবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গণশুনানি সম্পন্ন। সুনামগঞ্জে সময় টিভি প্রতিনিধি হিমাদ্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের রাজস্ব আয় বাড়লে নাগরিক সেবা সম্প্রসারিত হয়: সিসিক প্রশাসক আহমদ আলী (লেখক ও গবেষক) সততা ও মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল ছাতকে অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি রাজন মিয়া-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ   দোয়ারাবাজারে পরকীয়ার প্রেমে দেবর ভাবি কারাগারে একজন যুবকের গাঁজা চাষ, যুবক গ্রেফতার
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন

বিয়ানীবাজারে পরিবেশ অধিদপ্তরের  অনুমতি ছাড়া দুটি টিলা কেটে সাবাড়

স্টাফ রিপোর্টার / ১৭২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

55

বিয়ানীবাজারে পরিবেশ অধিদপ্তরের  অনুমতি ছাড়া দুটি টিলা কেটে সাবাড়

 

বিশেষ প্রতিবেদক:::: বিয়ানীবাজার উপজেলার উত্তর পাড়িয়াবহর গ্রামে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়াই প্রশাসনের নজরদারির অভাবে খালেদের বাড়ির টিলা কেটে ২০ ফুট সাবাড় করা হয়েছে। টিলার মাটি কেটে ট্রাকটরে বহন করতে গিয়ে রাস্তায় পড়ে রাস্তা পিচ ক্ষতি গ্রস্ত হয়েছে।

সিলেট জেলা প্রশাসনের ক্ষতিয়ান ভুক্ত বাড়ির টিলা কেটে মাটি অন্যত্র বিক্রি করা হচ্ছে। গ্রামের মাসুক খান ও আব্দুস সত্তার আবুল মাটি ক্রয় করে নিচ্ছেন।

এছাড়াও ওই বাড়িটির মাটি কেটে গ্রামের গোয়ালবাড়ির রেকডিয় মালিকানাধিন রাস্তা বেদখল করে ভরাট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গ্রামের ভূমি দস্যুচক্র গত ১ মাস আগে থেকে ওই টিলার মাটি কেটে পরিবেশ দুষণ করলে সঙ্গে সঙ্গে বিয়ানীবাজার উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি ও সহকারী ম্যাজিস্ট্রেট-কে বিষয়টি অবগত করলে অল্প কিছু দিন মাটি কাটা বন্ধ করলেও পরবর্তীতে পুনরায় খালেদের বাড়ির টিলার মাটি কাটা অব্যাহত রয়েছে। যেখানে পরিবেশ দুষণ করে অবাধে টিলা কাটা হচ্ছে, ঐ টিলার পাশর্বর্তী বাড়ি ১১নং লাউতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলওয়ার হোসেনের বাড়ি অবস্থিত হলেও রহস্যজনক কারণে তিনি পরিবেশ দুষণ রোধে ব্যবস্থা না নিয়ে নিরবতা পালন করছেন।

ঘটনাটি পুনরায় বিয়ানীবাজার উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি ও সহকারী ম্যাজিস্ট্রেট-কে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অবগত করা হলেও কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এতে যে কোন সময় গ্রামে ভূমি ধ্বসের ঘটা ঘটে যেতে পারে। এতে প্রাণহানীর আশঙ্কাও রয়েছে।

গ্রামে শফাত আলী গত ১ বছর আগে তার বসতবাড়ির টিলার ৩০ ফুট মাটি কেটে বিক্রি করে পরিবেশ দুষণ করেছেন। কিন্তু শফাত আলীর বিরুদ্ধে বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রশাসন ন্যূনতম আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। যার ফলে খালেদ তার বাড়ির টিলা কেটে মাটি বিক্রি সাহস পেয়েছে।

গ্রামের পরিবেশ সচেতন জনগণ বলছেন পরিবেশ দূষণকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে না পারলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হতে পারে।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ