শিরোনাম
চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময় সিলেটে ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ভাবনা ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আমি আনন্দিত যে সিলেট সিটি কর্পোরেশন একজন অমায়িক মানুষকে তাদের প্রশাসক হিসেবে পেয়েছে– ডা, শফিকুর রহমান 
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন

গোয়াইনঘাটে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গোচারণ ভূমিতে চাষাবাদের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার / ১৩৪ Time View
Update : সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫

গোয়াইনঘাটে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গোচারণ ভূমিতে চাষাবাদের অভিযোগ

 

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ডৌবাড়ী ইউনিয়নের কাঠালকুড়ি কান্দি এলাকায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গোচারণ ভূমিতে চাষাবাদ করার অভিযোগ উঠেছে।

বিবরণে জানা যায়, কাঠালকুড়ি কান্দি নিবাসী মৃত আব্দুল মনাফের ছেলে জালাল উদ্দিন সহকারী জজ আদালত, গোয়াইনঘাট, সিলেটে স্বত্ব মামলা নং-৬৪ দায়ের করেন। পরবর্তীতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, সিলেট-১ এ গোয়াইনঘাট থানা বিবিধ মামলা নং-১৮৮/২৫ এ নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করা হলে আদালত সন্তুষ্ট হয়ে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করেন।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, জেলা-সিলেট, থানা-গোয়াইনঘাট, মৌজা-কাঠালকুড়ি, জে.এল নং-২৪৯, হাল দাগ নং-১৯৬, এস.এ খতিয়ান নং-১, এস.এ দাগ নং-৫, বি.এস খতিয়ান নং-০১, বি.এস দাগ নং-১২, মোট ১৬২.১৪ একর গোচারণ ভূমিতে কোনো ধরনের পরিবর্তন বা চাষাবাদে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, আদালতের নিষেধাজ্ঞার নোটিশ প্রাপ্তির পরও মোশাহিদ, শাহ জাহান, মক্তার, আহসান উল্লা, হেলাল উদ্দিন, সোনা মিয়া, আলকাছ মিয়া, আনোয়ার, ইজ্জত আলী, মনফর আলী, শরিফ, কামাল, আফজল, আব্দুর রহিম, সাহাব উদ্দিন, আব্দুল কালাম, আরিফ, বিলাল, ফারুক, রবই মিয়াসহ একাধিক বিবাদী আদালতের আদেশ অমান্য করে উক্ত গোচারণ ভূমিতে চাষাবাদ ও ভূমির শ্রেণি পরিবর্তন করছেন।

এ বিষয়ে জালাল উদ্দিন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আদেশের অনুলিপি নিয়ে গোয়াইনঘাট থানার সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন। পরে তিনি আদালতের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সিলেটের মাননীয় পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিত আবেদন করে আইনগত প্রতিকার কামনা করেন।

অভিযোগের বিষয়ে প্রতিপক্ষ আসান উল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বর্তমানে ওইখানে বসবাসরত তিনশোটি পরিবার কৃষিকাজ করেন ওই জায়গায়। আর তাদের প্রতিপক্ষ তাদের নিজ স্বার্থ রক্ষার জন্য নাকি এই মামলা দায়ের করেছেন। তবে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে বলেন এই বিষয়ে তারা অবগত নন কিন্তু ওই জমি পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার।

তবে এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলার সহকারী কমিশনার( ভূমি) অফিসার ওরম ফারুক কে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।  স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করে সরকারি গোচারণ ভূমি রক্ষা ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ