জাফলংয়ে চোরাকারবারিদের হামলায় ব্যবসায়ী আহত: থানায় মামলা দায়ের
বিশেষ প্রতিবেদক :: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা ৩নং পূর্ব জাফলং ইউনিয়নে গুচ্ছগ্রাম লালমাটিয়া পর্যটন এলাকায় চোরাকাবারিদের অর্তকৃত হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী শাহজাহানসহ কয়েকজন। মারাত্বক আহত অবস্থায় আহত শাহজাহানকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করেছেন স্থানীয় লোকজন। ঘটনাটি ঘটে গত ১৪ ডিসেম্বর সকাল ১০টার দিকে। জাফলং পর্যটন এলাকার বিজিবি ক্যাম্পের পার্শ্ববর্তী মাঠে। এ ঘটনায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে গোয়াইনঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন আহত ব্যবসায়ী শাহজাহানের স্ত্রী আরজিনা বেগম (৩৫)। তিনি মোহাম্মদপুর গুচ্ছগ্রামের বাসিন্ধা আহত শাহজাহান মিয়ার স্ত্রী। তবে পুলিশ অভিযোগ প্রাপ্তিসহ হামলার ঘটনার কথা স্বীকার করলে এখনো অভিযোগটি এফআইআর হয়নি।
জানা যায়, গত ১৪ ডিসেম্বর রবিবার গোয়াইনঘাট উপজেলার ৩নং পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের পর্যটন এলাকার বিজিবির ক্যাম্পের পার্শ্ববর্তী মাঠে শীতের কাপড় বিক্রি করছিলেন জাফলং মোহাম্মদপুর (গুচ্ছগ্রাম) ও বর্তমান নয়াবস্তির বাসিন্ধা শাহজাহান মিয়া। এখানে ব্যবসা করেই চলছিলো তার পরিবারের জিবীকা নির্বাহ। সম্প্রতি একই এলাকার কয়েকজন ভারতীয় চোরাকারবারি শাহজাহান মিয়ার দোকানের সামনে ভারত থেকে চোরাইপথে নিয়ে আসা চশমা, কম্বলসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি শুরু করলে, শাহজাহান মিয়া তাদের সকলকে অনুরোধ করে বলেন, তারা যেনো তার দোকানের সামনে এসব চোরাইমালের দোকান না বসায়। কারণ তারা সামনে বসলে তার দোকানের প্রবেশ পথ বন্ধ হয়ে যায়। তাই কোন কাষ্টমার দোকানে প্রবেশ করতে পারেনা। আর এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে চোরাকারবারিরা। এরপর থেকে তারা শাহজাহান মিয়াকে বিভিন্ন রকম ভাবে গালাগালিসহ হত্যার হুমকি দিতে থাকে। এসব চোরাকারবারিরা তাকে বলে তুমি শাহজাহান এখানে ব্যবসা করতে হলে আমাদের কথামতো ব্যবসা করতে হবে। নতুবা এখানে কোন রকম ব্যবসা করতে দিবোনা তোমাকে। বিষয়টি শাহজাহান মিয়া তার পরিবারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবগত করলে বিষয়টি নিয়ে গত ১৪ ডিসেম্বর সকালে সালিশ বৈঠকে বসে। সালিশ বৈঠকে সকলে এসব চোরাকারবারিকে বলেন, তারা যেনো শাহজাহানের সাথে কোন রকম খারাপ ব্যবহার না করেন। এসময় সকলে শালিস শেষ করে যার যার মতো চলে গেলে শাহজাহান মিয়াও নিজের দোকানে চলে আসেন। এরপর সকাল অনুমান ১০ টার দিকে শাহজাহান মিয়া নিজের ব্যবসা প্রতিষ্টানে গেলে। স্থানীয় চোরাকারবারি দেলোয়ার হোসেন, শামীম আহমদ, আমির হোসেন, খোকন মিয়া, লিটন মিয়া, সিহাব আহমদ সহ অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজন সঙ্গবদ্ধ ভাবে স্বহস্র অবস্থায় শাহজাহান মিয়ার ব্যবসা প্রতিষ্টানে এসে সঙ্গবব্ধ ভাবে কোন কিছু বুঝে উঠার আগে হামলা চালায়। এ সময় চোরাকারবারি দেলোয়ার হোসেন তাহার হাতে থাকা ধারালো দা দিয়া শাহজাহান মিয়াকে প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ মারলে কোপটি মাথার মধ্যখানে পড়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। অপরদিকে শামীম আহমদ তাহার হাতে থাকা আরেকটি ধারালো দা দিয়া শাহাজাহানেক প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ মারলে কুপটি মাথার বামপাশে পড়ে গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত জখম হয়। আমির হোসেন তাহার হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে গলায় কুপ দিলে সেটি শাহজাহান মিয়ার বাম চোখের উপরে অংশে জাফলংয়ে চোরাকারবারিদের হামলায়
ব্যবসায়ী আহত: থানায় মামলা দায়ের
সিলেট প্রতিনিধি:
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা ৩নং পূর্ব জাফলং ইউনিয়নে গুচ্ছগ্রাম লালমাটিয়া পর্যটন এলাকায় চোরাকাবারিদের অর্তকৃত হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী শাহজাহানসহ কয়েকজন। মারাত্বক আহত অবস্থায় আহত শাহজাহানকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করেছেন স্থানীয় লোকজন। ঘটনাটি ঘটে গত ১৪ ডিসেম্বর সকাল ১০টার দিকে। জাফলং পর্যটন এলাকার বিজিবি ক্যাম্পের পার্শ্ববর্তী মাঠে। এ ঘটনায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে গোয়াইনঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন আহত ব্যবসায়ী শাহজাহানের স্ত্রী আরজিনা বেগম (৩৫)। তিনি মোহাম্মদপুর গুচ্ছগ্রামের বাসিন্ধা আহত শাহজাহান মিয়ার স্ত্রী। তবে পুলিশ অভিযোগ প্রাপ্তিসহ হামলার ঘটনার কথা স্বীকার করলে এখনো অভিযোগটি এফআইআর হয়নি।
জানা যায়, গত ১৪ ডিসেম্বর রবিবার গোয়াইনঘাট উপজেলার ৩নং পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের পর্যটন এলাকার বিজিবির ক্যাম্পের পার্শ্ববর্তী মাঠে শীতের কাপড় বিক্রি করছিলেন জাফলং মোহাম্মদপুর (গুচ্ছগ্রাম) ও বর্তমান নয়াবস্তির বাসিন্ধা শাহজাহান মিয়া। এখানে ব্যবসা করেই চলছিলো তার পরিবারের জিবীকা নির্বাহ। সম্প্রতি একই এলাকার কয়েকজন ভারতীয় চোরাকারবারি শাহজাহান মিয়ার দোকানের সামনে ভারত থেকে চোরাইপথে নিয়ে আসা চশমা, কম্বলসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি শুরু করলে, শাহজাহান মিয়া তাদের সকলকে অনুরোধ করে বলেন, তারা যেনো তার দোকানের সামনে এসব চোরাইমালের দোকান না বসায়। কারণ তারা সামনে বসলে তার দোকানের প্রবেশ পথ বন্ধ হয়ে যায়। তাই কোন কাষ্টমার দোকানে প্রবেশ করতে পারেনা। আর এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে চোরাকারবারিরা। এরপর থেকে তারা শাহজাহান মিয়াকে বিভিন্ন রকম ভাবে গালাগালিসহ হত্যার হুমকি দিতে থাকে। এসব চোরাকারবারিরা তাকে বলে তুমি শাহজাহান এখানে ব্যবসা করতে হলে আমাদের কথামতো ব্যবসা করতে হবে। নতুবা এখানে কোন রকম ব্যবসা করতে দিবোনা তোমাকে। বিষয়টি শাহজাহান মিয়া তার পরিবারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবগত করলে বিষয়টি নিয়ে গত ১৪ ডিসেম্বর সকালে সালিশ বৈঠকে বসে। সালিশ বৈঠকে সকলে এসব চোরাকারবারিকে বলেন, তারা যেনো শাহজাহানের সাথে কোন রকম খারাপ ব্যবহার না করেন। এসময় সকলে শালিস শেষ করে যার যার মতো চলে গেলে শাহজাহান মিয়াও নিজের দোকানে চলে আসেন। এরপর সকাল অনুমান ১০ টার দিকে শাহজাহান মিয়া নিজের ব্যবসা প্রতিষ্টানে গেলে। স্থানীয় চোরাকারবারি দেলোয়ার হোসেন, শামীম আহমদ, আমির হোসেন, খোকন মিয়া, লিটন মিয়া, সিহাব আহমদ সহ অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজন সঙ্গবদ্ধ ভাবে স্বহস্র অবস্থায় শাহজাহান মিয়ার ব্যবসা প্রতিষ্টানে এসে সঙ্গবব্ধ ভাবে কোন কিছু বুঝে উঠার আগে হামলা চালায়। এ সময় চোরাকারবারি দেলোয়ার হোসেন তাহার হাতে থাকা ধারালো দা দিয়া শাহজাহান মিয়াকে প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ মারলে কোপটি মাথার মধ্যখানে পড়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। অপরদিকে শামীম আহমদ তাহার হাতে থাকা আরেকটি ধারালো দা দিয়া শাহাজাহানেক প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ মারলে কুপটি মাথার বামপাশে পড়ে গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত জখম হয়। আমির হোসেন তাহার হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে গলায় কুপ দিলে সেটি শাহজাহান মিয়ার বাম চোখের উপরে অংশে পড়ে গুরুত্বর যখম হয়। এভাবে প্রাণে হত্যার উদ্দ্যেশে শাহজান মিয়াকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্বক আহত করে উল্লেখিত চোরাকারবারিরা। এসময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে চোরাকারবারিরা তাদেরকেও হত্যার হুমকি দেয়। পরে এসব চোরাকারবারিরা সেখান থেকে চলে গেলে, লোকজন আহত শাহজাহানকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে নিয়ে আসেন। সেখানে শাহজানকে ভর্তি করা হলে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় শাহজাহান মিয়ার স্ত্রী বাদি হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনের নামে গোয়াইনঘাট থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। তবে পুলিশ বলছে বিষয়টি তদন্ত করে মামলা হিসাবে রুজু করা হবে।
পড়ে গুরুত্বর যখম হয়। এভাবে প্রাণে হত্যার উদ্দ্যেশে শাহজান মিয়াকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্বক আহত করে উল্লেখিত চোরাকারবারিরা। এসময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে চোরাকারবারিরা তাদেরকেও হত্যার হুমকি দেয়। পরে এসব চোরাকারবারিরা সেখান থেকে চলে গেলে, লোকজন আহত শাহজাহানকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে নিয়ে আসেন। সেখানে শাহজানকে ভর্তি করা হলে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় শাহজাহান মিয়ার স্ত্রী বাদি হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনের নামে গোয়াইনঘাট থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। তবে পুলিশ বলছে বিষয়টি তদন্ত করে মামলা হিসাবে রুজু করা হবে।