শিরোনাম
সিলেটের নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে যোগ দিলেন কাজী আখতার উল আলম সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন মৌলভীবাজার জেলা শাখার অভিষেক ও আইডি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠিত।  সুনামগঞ্জে নতুন পুলিশ সুপারের দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে” জেলার চোরাকারবারি, মাদকসহ সবধরনের অপরাধ দমন করার আশ্বাস প্রদান করেন—নবাগত পুলিশ সুপার   বিএনপির চেয়ারপার্সনের সুস্থতা কামনা করে দিরাই বিএনপির ও সহযোগি সংগঠনের উদ্যোগে জগন্নাথ মন্দিরে প্রার্থনা সভা সুনামগঞ্জে খুচরা সার বিক্রেতাদের লাইসেন্স বহাল ও নীতিমালা সংশোধনের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করেন সুনামগঞ্জে দোয়া মাহফিল ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন এড.নুরুল ইসলাম নুরুল দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় মানিকগঞ্জে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। মল্লিকপুর বগি লাইনচ্যুত: তেলবাহী ওয়াগন ছিলো খালি তাই হয়নি ক্ষয়ক্ষতি  বিএনপির চেয়ারপার্সনের সুস্থতা কামনা করে সুনামগঞ্জ-৪(সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) বিভিন্ন মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত সিলেট নগরীর বন্দরবাজারে তালহা রেস্ট হাউজে ডিবির অ ভি যা ন ৫ জন গ্রে ফ তা র
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন

বারবার আটক, বারবার ছাড়া-সিলেটের পপি নিয়ে নতুন করে আলোচনায় নগরবাসী

স্টাফ রিপোর্টার / ৪৫ Time View
Update : সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫

বারবার আটক, বারবার ছাড়া-সিলেটের পপি নিয়ে নতুন করে আলোচনায় নগরবাসী

 

বিশেষ প্রতিবেদক:: সিলেট নগরের রিকাবীবাজার এলাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চুরির অভিযোগে এক নারীকে আটক করার খবর প্রকাশের পর শহরে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, পপি আক্তার ওরফে পপি নামে পরিচিত ওই নারীকে ২২ নভেম্বর রাতে পপুলার হাসপাতাল এলাকায় চুরির সময় স্থানীয় লোকজন ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন।পরে পুলিশ তাকে মেট্রোপলিটন আইনে আদালতে প্রেরণ করে। আদালতে পৌঁছানোর পরই তিনি জামিন বা জরিমানার মাধ্যমে মুক্তি পান বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে-একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাকে কিছুদিনের জন্য কারাগারে রাখার আইনি সুযোগ কি পুলিশের ছিল না?পুলিশের নথিতেও পপির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের তথ্য রয়েছে বলে জানা যায়। শহরের বিভিন্ন এলাকায় চুরি ও ছিনতাইয়ের একাধিক ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছে। ফলে বারবার আটক হওয়ার পরও দ্রুত বেরিয়ে আসতে পারায় নগরবাসীর মনে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এদিকে, কয়েকজন স্থানীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কর্মী বা ‘ফেসবুক লাইভার’-ওই রাতে থানায় গিয়ে তার পক্ষে কথা বলেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাংশের শৈথিল্য বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তদবিরের কারণে অপরাধ দমনে বাধা তৈরি হচ্ছে কি না-এমন প্রশ্ন উঠছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ