শিরোনাম
জৈন্তাপুর উপজেলা সদরের ফতেহখাঁ রোডে বড় বড় গর্ত, চরম দুর্ভোগে পথচারীরা। সিলেটের জাফলং পর্যটন এলাকায় যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা: দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পর্যটক, হুমকিতে পরিবেশ “মাননীয় সংসদ সদস্য ইমরান চৌধুরীর প্রতি একটি খোলা চিঠি” নেত্রকোনায় অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য নির্ধারণে অনিয়মের অভিযোগ, ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক পর্যায়ক্রমে সিলেটকে একটি দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সবুজ নগরীতে রূপান্তর করা হবে – সিসিক প্রশাসক  দোয়ারাবাজারে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার ক্যানসারে আক্রান্ত আব্দুল মজিদ বাঁচতে চায় দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্ত্বর, পুরান পুলের মুখ, রেলগেইট যানজটের ‘হটস্পট’  সুনামগঞ্জ সদরে বালু পাথর ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত। ক্রাশার মেশিন ১টি  ২০০০ ফিট বড় পাথর ৮০০ ফিট ভাঙ্গা পাথর জব্দ।     
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন

কচুরিপনার দখলে লাল শাপলার বিল

স্টাফ রিপোর্টার / ১১৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫

72

কচুরিপনার দখলে লাল শাপলার বিল

 

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি:: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র লাল শাপলার বিল। অচিরেই লাল শাপলা বিলটি কচুরিপনার বিলে পরিচিতি লাভকরবে। প্রকৃতিপ্রেমীদের প্রশ্ন লাল শাপলার সুরক্ষার জন্য প্রশাসনের গঠিত সুরক্ষা কমিটি কি ভূমিকা পালন করছে।

সরেজমিন ঘুরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় ডিবির হাওরে (ইয়াম-হরফকাটা-ডিবি-কেন্দ্রী) এই ৪টি বিল ৯শ একর জায়গা জুড়ে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট লাল শাপলা বিল।

বিগত ২০১৬ সালে প্রথমে সংবাদপত্রের কল্যাণে দেশব্যাপী অন্যতম পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিতি লাভ করে বিলগুলো। দেশি-বিদেশি পর্যটক বিলে ঘুরে যান এবং বিলের সৌন্দর্য নিয়ে প্রসংশা করেন।

লালশাপলা বিলের ১টি (ইয়ামবিলে) বিলে চলতি বৎসরে অর্ধেকের বেশি এলাকা জুড়ে শাপলার পরিবর্তে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে কচুরিপনা। ফলে দ্রুত বিলিন হচ্ছে লাল শাপলা। এভাবে কচুরিপনা বৃদ্ধি হতে থাকলে আগামী বছর পুরো বিল জুড়ে লাল শাপলার পরিবর্তন ঘটে কচুরিপনার বিলে পরিবর্তন হবে। পর্যটকরা লাল লাপলার পরিবর্তে বিল জুড়ে কচুরিপানা দেখতে আসবে। ফলে বিলীন হবে জৈন্তাপুরের অন্যতম পর্যটন আর্কষণ খ্যাত লাল শাপলা বিল। সাধারণ মানুষের ধারণা লাল শাপলা সুরক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের কর্তৃক গঠিত লাল শাপলা সুরক্ষা কমিটির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, লাল শাপলা বিলের সুরক্ষার জন্য গঠিত হয় সুরক্ষা কমিটি। মূলত লাল শাপলা ধ্বংস কিংবা নানা প্রকার জলজ উদ্ভিদ হতে বিলের শাপলা সুরক্ষায় সমস্য চিহ্নিত করে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সুষ্ঠু সমাধান ও পরিচর্যা করা।

বিলে পর্যটকদের বহনকারী নৌকা হতে ১শ টাকা হারে আদায় করে বিলের বাঁধ সুরক্ষা, শাপলা ধ্বংসকারী জলজ উদ্ভিদ হতে রক্ষার জন্য পরিচর্যায় ব্যয় সংকুলান করা। চলতি বৎসরে লাল শাপলা বিলের ইয়ামবিলটিতে যে হারে লাল শাপলার চরম শত্রু কচুরিপনা নামক উদ্ভিদ গ্রাস করছে তাতে আগামী বৎসরে পুরো বিল গুলোতে ছড়িয়ে পড়বে কচুরিপানা।

বর্তমানে ইয়ামবিলের প্রায় অর্ধেক অংশ কচুরিপনা পরিপূর্ন হয়ে পড়েছে। লাল শাপলার পরিবর্তে এখন কচুরিপনা ফুল ফুটেছে। কচুরিপনার কারনে লাল শাপলা ধ্বংস হয়ে পড়েছে। যার কারনে লাল লাপলার সৌন্দর্য্য বিনষ্ট হচ্ছে। তাই দ্রুত পরিবেশ সমীক্ষা করে লাল শাপলার ধব্বংসের হাত হতে রক্ষার দাবি জানান।

এ বিষয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জর্জমিত্র চাকমা বলেন, ‘লাল শাপলা বিলে জলজ উদ্ভিদ কচুরিপনায় শাপলা ধ্বংস হচ্ছে বিষয়টি ইতোপূর্বে কেউ আমাকে অবহিত করেননি। উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে লাল শাপলা সুরক্ষায় কচুরিপনায় সরানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ