শিরোনাম
ইয়াবাসহ মাদক সম্রাজ্ঞী সাহেদা ও সহযোগী আটক সিলেটে পুলিশের নতুন গণবিজ্ঞপ্তিতে যা বলা হয়েছে সিলেট নগরীর সার্কিট হাউজ এলাকা থেকে টাইগার জামাল কে আটক করে (র‍্যাব-৯) টেকনাফে শীর্ষ মানবপাচার চক্রের সদস্য গ্রেফতার-৩ ট্রাক-বাস সংঘর্ষে ৩৫০ মুরগির মৃত্যু ট্রেনে থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু ওএসডি সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার, বদলি আরও ২ কর্মকর্তা গোয়াইনঘাটে বালু খেকোদের তান্ডবে ধ্বংস হচ্ছে খেলার মাঠ ও বসতবাড়ি ফসলি জমি! সরকার জনস্বাস্থ্যে গুরুত্ব দিচ্ছে, দেশব্যাপী হামের প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে – বাণিজ্যমন্ত্রী  গাজীপুরে সাংবাদিক বাচ্চু চাঁদা না দেয়ায় সন্ত্রাসীরা হাতুড়ি দিয়ে নৃশংস হামলা: উত্তাল রাজপথ, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৯ অপরাহ্ন

কচুরিপনার দখলে লাল শাপলার বিল

স্টাফ রিপোর্টার / ৯৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫

19

কচুরিপনার দখলে লাল শাপলার বিল

 

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি:: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র লাল শাপলার বিল। অচিরেই লাল শাপলা বিলটি কচুরিপনার বিলে পরিচিতি লাভকরবে। প্রকৃতিপ্রেমীদের প্রশ্ন লাল শাপলার সুরক্ষার জন্য প্রশাসনের গঠিত সুরক্ষা কমিটি কি ভূমিকা পালন করছে।

সরেজমিন ঘুরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় ডিবির হাওরে (ইয়াম-হরফকাটা-ডিবি-কেন্দ্রী) এই ৪টি বিল ৯শ একর জায়গা জুড়ে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট লাল শাপলা বিল।

বিগত ২০১৬ সালে প্রথমে সংবাদপত্রের কল্যাণে দেশব্যাপী অন্যতম পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিতি লাভ করে বিলগুলো। দেশি-বিদেশি পর্যটক বিলে ঘুরে যান এবং বিলের সৌন্দর্য নিয়ে প্রসংশা করেন।

লালশাপলা বিলের ১টি (ইয়ামবিলে) বিলে চলতি বৎসরে অর্ধেকের বেশি এলাকা জুড়ে শাপলার পরিবর্তে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে কচুরিপনা। ফলে দ্রুত বিলিন হচ্ছে লাল শাপলা। এভাবে কচুরিপনা বৃদ্ধি হতে থাকলে আগামী বছর পুরো বিল জুড়ে লাল শাপলার পরিবর্তন ঘটে কচুরিপনার বিলে পরিবর্তন হবে। পর্যটকরা লাল লাপলার পরিবর্তে বিল জুড়ে কচুরিপানা দেখতে আসবে। ফলে বিলীন হবে জৈন্তাপুরের অন্যতম পর্যটন আর্কষণ খ্যাত লাল শাপলা বিল। সাধারণ মানুষের ধারণা লাল শাপলা সুরক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের কর্তৃক গঠিত লাল শাপলা সুরক্ষা কমিটির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, লাল শাপলা বিলের সুরক্ষার জন্য গঠিত হয় সুরক্ষা কমিটি। মূলত লাল শাপলা ধ্বংস কিংবা নানা প্রকার জলজ উদ্ভিদ হতে বিলের শাপলা সুরক্ষায় সমস্য চিহ্নিত করে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সুষ্ঠু সমাধান ও পরিচর্যা করা।

বিলে পর্যটকদের বহনকারী নৌকা হতে ১শ টাকা হারে আদায় করে বিলের বাঁধ সুরক্ষা, শাপলা ধ্বংসকারী জলজ উদ্ভিদ হতে রক্ষার জন্য পরিচর্যায় ব্যয় সংকুলান করা। চলতি বৎসরে লাল শাপলা বিলের ইয়ামবিলটিতে যে হারে লাল শাপলার চরম শত্রু কচুরিপনা নামক উদ্ভিদ গ্রাস করছে তাতে আগামী বৎসরে পুরো বিল গুলোতে ছড়িয়ে পড়বে কচুরিপানা।

বর্তমানে ইয়ামবিলের প্রায় অর্ধেক অংশ কচুরিপনা পরিপূর্ন হয়ে পড়েছে। লাল শাপলার পরিবর্তে এখন কচুরিপনা ফুল ফুটেছে। কচুরিপনার কারনে লাল শাপলা ধ্বংস হয়ে পড়েছে। যার কারনে লাল লাপলার সৌন্দর্য্য বিনষ্ট হচ্ছে। তাই দ্রুত পরিবেশ সমীক্ষা করে লাল শাপলার ধব্বংসের হাত হতে রক্ষার দাবি জানান।

এ বিষয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জর্জমিত্র চাকমা বলেন, ‘লাল শাপলা বিলে জলজ উদ্ভিদ কচুরিপনায় শাপলা ধ্বংস হচ্ছে বিষয়টি ইতোপূর্বে কেউ আমাকে অবহিত করেননি। উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে লাল শাপলা সুরক্ষায় কচুরিপনায় সরানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ