শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে কিশোরী গণধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার-৩ সিলেটে ফ্যামিলি সমাবেশ অনুষ্ঠিত জৈন্তাপুর উপজেলা সদরের ফতেহখাঁ রোডে বড় বড় গর্ত, চরম দুর্ভোগে পথচারীরা। সিলেটের জাফলং পর্যটন এলাকায় যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা: দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পর্যটক, হুমকিতে পরিবেশ “মাননীয় সংসদ সদস্য ইমরান চৌধুরীর প্রতি একটি খোলা চিঠি” নেত্রকোনায় অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য নির্ধারণে অনিয়মের অভিযোগ, ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক পর্যায়ক্রমে সিলেটকে একটি দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সবুজ নগরীতে রূপান্তর করা হবে – সিসিক প্রশাসক  দোয়ারাবাজারে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার ক্যানসারে আক্রান্ত আব্দুল মজিদ বাঁচতে চায়
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন

ছাতকে বহুল আলোচিত জিয়া হত্যার  ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রানু বেগম গ্রেফতার 

স্টাফ রিপোর্টার / ৪২৬ Time View
Update : শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫

113

ছাতকে বহুল আলোচিত জিয়া হত্যার  ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রানু বেগম গ্রেফতার 

 

সেলিম মাহবুব,ছাতকঃ  ছাতকে বহুল আলোচিত জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় জড়িত থাকার সন্দেহে নিহতের স্ত্রী রানু বেগমকে (৪২) কে গ্রেফতার করেছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। শুক্রবার ছাতক থানা পুলিশ ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে নিজ গ্রাম সিংচাপইড় ইউনিয়নের গহরপুর গ্রামের লুৎফুর রহমানের বাসা থেকে রানু বেগমকে গ্রেফতার করা হয় । 

 

হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত বাবুল মিয়াকে (৪০) গ্রেফতারের পর থেকে রানু বেগম পলাতক ছিলেন। দীর্ঘ এক সপ্তাহ ধরে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তাকে ট্র্যাক করে তার অবস্থান শনাক্ত করেন। পরে প্রায় অর্ধশত পুলিশ ও র‍্যাব সদস্যের অংশ গ্রহণে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

জানা যায়, গ্রেফতার এড়াতে রানু বেগম, লুৎফুর রহমানের বাসায় বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছাতক থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়,গত ২৭ অক্টোবর (সোমবার) সুনামগঞ্জ কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে এক অভিযানে ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে মূল অভিযুক্ত বাবুল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা বাবুল মিয়াকে গ্রেফতারের পর এই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার তদন্তে নতুন গতি এসেছে।

তদন্তের জালে ইউপি চেয়ারম্যান সাহেলের সহকর্মীরা জড়িয়েছেন। সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন চেয়ারম্যানের আস্থা ভাজন কয়েক জন ব্যাক্তি।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তথ্যে পরিবারের সদস্যরা জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। জিয়া হত্যাকাণ্ডে প্রাথমিক তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

নিহত জিয়াউর রহমানের স্ত্রী রানু বেগম, ছেলে সালমান আহমদ এবং প্রবাসী চাচাতো ভাই মাসুক মিয়াসহ ও এই ঘটনায় জড়িত থাকার কিছু তথ্যপ্রমাণ পেয়েছে পুলিশ।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে নেয়া হবে।

২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর সিংচাপইড় ইউনিয়নের মহদি গ্রামের প্রণব দাসের বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে জিয়াউর রহমানের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জিয়াউর রহমানের সৎভাই তাজিজুর রহমান ছাতক থানায় অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। ##

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ