শিরোনাম
গোয়াইনঘাটে বিএনপি নেতা তৈয়বুর ও কাওসার এর নেতৃত্বে চেঙ্গেরখাল নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন  বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় শক্তিশালী এখন অনলাইন গণমাধ্যম – ইমদাদ হোসেন চৌধুরী  চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময়
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন

সুরমা নদীতে বালু উত্তোলনে এলাকাবাসীর অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার / ১৪৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫

সুরমা নদীতে বালু উত্তোলনে এলাকাবাসীর অভিযোগ

 

বিশেষ প্রতিবেদক:: সুরমা নদীতে বালু লুটপাটে প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর অভিযোগ। সিলেটের সুরমায় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় চলছে নদীভাঙন সৃষ্টি করে বালু তোলার মহোৎসব। স্থানীয়দের অভিযোগ সিলেটের সুরমা নদীতে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ উপজেলার নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে চরম দুর্ভোগে পড়েছে । তাদের অভিযোগ, কিছু ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে নদীর তলদেশসহ উভয় তীর থেকে দীর্ঘদিন ধরে বালু তুলছেন, যার ফলে ভয়াবহ নদীভাঙনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। অনেক স্থানে ঘরবাড়ি, কৃষিজমি, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনাও ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

 

 

 

অভিযোগ অনুযায়ী, সিলেট নগর এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি ও তাদের সহযোগীরা একটি ইজারার সুযোগ নিয়ে জকিগঞ্জের নওয়াগাঁও মৌজায় আড়াই একর জায়গায় বালু উত্তোলনের অনুমতি নিলেও বাস্তবে তার বাইরে বিস্তীর্ণ এলাকায় ড্রেজার ও বাল্কহেডের মাধ্যমে প্রতিদিনই বালু তোলা হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, কায়স্তগ্রাম থেকে বড়দেশ বাজার পর্যন্ত কয়েকশ একর জায়গাজুড়ে এই কার্যক্রম চলমান।

 

 

 

স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন, নিষিদ্ধ সাকশন ড্রেজারের মাধ্যমে প্রতিদিন একাধিক নৌযানে বালু পরিবহন করে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে নদীর গতি প্রকৃতি বদলে গিয়ে ভাঙন বাড়ছে। তারা দাবি করেন, এসব বালু বিক্রির অর্থ দেশের বাইরেও পাচার হতে পারে।

জানা গেছে, সাদাপাথর কাণ্ডের পর সিলেটের নবাগত জেলা প্রশাসক জেলার সর্বত্র অবৈধ বালু-পথর উত্তোলন বিক্রয় ও বিপননে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারী করেছেন। কিন্তু ডেভিল আফতাব ও তার লুটেরা বাহিনী এ নিষেধাজ্ঞার কোনো তোয়াক্কা না করেই সুরমার বালু-মাটি লুটপাট অব্যাহত রেখেছে।

 

 

আরো জানা যায়, মোঃ আফতাব ওরফে বালু আফতাব ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে দায়ের করা একটি বিস্ফোরক মামলার ১৭৪নং এজাহার নামীয় পলাতক আসামী। যা’ এসএমপির কোতোয়ালি থানার মামলা নং-০৬/২৭১ তাং-০৫/০৬/২০২৫।

মামলায় পলাতক থেকেও আফতাব বীরদর্পে সুরমায় চালিয়ে যাচ্ছে পরিবেশ বিধ্বংসী তান্ডব। অজ্ঞাত কারণে পুলিশ তাকে ধরছে না বলে অভিযেগে প্রকাশ।

 

 

এ ব্যাপারে সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ সারওয়ার আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ইতোমধ্যে সিলেট জেলায় বালু ও পাথর উত্তোলন, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিক্রয় সম্পূর্ণরুপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এরপর ও কেউ যদি আদেশ অমান্য করে অবৈধ ভাবে বালু ও পাথর উত্তোলন ও বিক্রয় করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ