শিরোনাম
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় শক্তিশালী এখন অনলাইন গণমাধ্যম – ইমদাদ হোসেন চৌধুরী  চেঙ্গেরখাল নদী গর্ভে সালুটিকর গাংকিনারী সড়ক:: সরেজমিন পরিদর্শন করলেন আব্দুল হাকিম চৌধুরী, ইউএনও ও পিআইও বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান: পেলুডার ও ট্রাক জব্দ, আটক ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে এগ্রো ডিলার ও বীজ ডিলারদের প্রশিক্ষণ প্রদান ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ই/স/রা/য়েলের হা/ম/লা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে তেহরানের পাল্টা হা/ম/লায় মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভালোভাবে নজর রাখছে বাংলাদেশ।  সরকারি সম্পদ যে কোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী । গোয়াইনঘাটর  ডালার পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ধ্বংস পরিবেশ, নেতৃত্বে কে এই স্বপন?  ডেবিল স্বপন সহ তার সহযোগীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক?  অবৈধভাবে বালুমহাল চালু ও পাথর উত্তোলন করা যাবে না- শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এক রাস্তার শহর কুলাউড়া; অগণিত যানবাহনে দমবন্ধ সময় সিলেটে ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ভাবনা ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪২ অপরাহ্ন

আর বঞ্চনা সহ্য করবে না সিলেটবাসী:কাইয়ুম চৌধুরী।

স্টাফ রিপোর্টার / ১৪৫ Time View
Update : সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫

আর বঞ্চনা সহ্য করবে না সিলেটবাসী:কাইয়ুম চৌধুরী।

 

সিলেট বুলেটিন ডেস্ক :: সিলেট — ঢাকা মহাসড়ক শুধু একটি রাস্তা নয়, এটি সিলেটবাসীর প্রাণরেখা। সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন। সরকারের অব্যবস্থাপনা উদাসীনতার কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক আজ মৃত্যু ফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন দুর্ঘটনায় নিরীহ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে, ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।বছরের পর বছর সংস্কারের নামে কোটি কোটি টাকা ব্যয় হলেও বাস্তবে কোনো উন্নতি নেই।”তিনি বলেন, “সিভিল সার্ভিস, সামরিক বাহিনী কিংবা জাতীয় রাজনীতির কোথাও সিলেটবাসীর ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নেই। কেন্দ্রীয়ভাবে আমাদের নেতৃত্ব বিকাশের পথ রুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীতেও সিলেটের কেউ নেই—ফলে পুরো বিভাগ এক ধরনের শূন্যতার মধ্যে পড়ে আছে। যোগাযোগ ব্যবস্থায় এই বঞ্চনা আর সহ্য করা হবে না।”

সোমবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন রশিদ চত্বরে “সিলেটবাসীর গণঅবস্থান ও মানববন্ধন” কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন। কর্মসূচির আয়োজন করে সিলেট জেলা বিএনপি।কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “বিগত ১৭ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনে সিলেটবাসী দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন পায়নি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কারিগরি, সড়ক -রেল যোগাযোগ, কিংবা বিমানবন্দর- সবক্ষেত্রেই সিলেটকে চক্রান্ত করে বৈষম্যের মধ্যে রাখা হয়েছে। বিএনপি সরকারের সময় যে সামান্য উন্নয়ন হয়েছিল, আওয়ামী লীগ আমলে তা সম্পূর্ণ থমকে গেছে।”তিনি অভিযোগ করেন, “সিলেটকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। তিন দফা ভয়াবহ বন্যার পরও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পুনর্বাসনে সরকার কোনো উদ্যোগ নেয়নি। অন্যদিকে, দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বড় বড় প্রকল্পে কোটি কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে।”ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের বেহাল অবস্থা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বছরের পর বছর সংস্কারের নামে কোটি কোটি টাকা খরচ হলেও কোনো অগ্রগতি নেই। প্রতিদিন যানজট, দুর্ঘটনা ও ভোগান্তিতে বিপর্যস্ত মানুষ। এতে সিলেটের ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন খাত স্থবির হয়ে পড়েছে। তবুও সরকারের কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই।”তিনি আরও বলেন, “সিলেটেই গ্যাস উৎপাদন হলেও এখানকার মানুষ গ্যাস সংকটে ভোগে। রেলপথে ট্রেন সময়মতো আসে না, কোচগুলো জরাজীর্ণ; বিমানের ভাড়াও অস্বাভাবিক। তিন পথেই আমরা বৈষম্যের শিকার।”কাইয়ুম চৌধুরী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সিলেটবাসী আর কোনো বঞ্চনা সহ্য করবে না। নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ যাতায়াত জনগণের মৌলিক অধিকার,- এই অধিকার রক্ষায় অবহেলা মানে জনগণের জীবনের সঙ্গে ছেলেখেলা করা।”বক্তব্যে অন্যান্য নেতৃবৃন্দ দাবি জানান, ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের দ্রুত সংস্কার ও গুণগত মান নিশ্চিত করা, অতীত প্রকল্পে দুর্নীতির তদন্ত ও দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া, দুর্ঘটনা রোধে বিকল্প ট্রাফিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ, দুর্ঘটনায় নিহত-আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া।তারা বলেন, “এই আন্দোলন কোনো দলীয় নয়; এটি সিলেটবাসীর ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলন।”জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ধানের শীষ হচ্ছে গণতন্ত্র, অধিকার ও মুক্তির প্রতীক—এই প্রতীকের বিজয়ের মাধ্যমেই দেশে জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।”গণঅবস্থানে জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক তাজরুল ইসলাম তাজুলের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন নজমুল হোসেন পুতুল, এডভোকেট হাসান পাটোয়ারী রিপন, ফালাকুজ্জামান চৌধুরী জগলু, ডা. এনামুল হক, অধ্যাপক জিল্লুর রহমান সুয়েব, অধ্যক্ষ নিজাম উদ্দিন তরফদার, বদরুল ইসলাম জয়দু, এডভোকেট সাঈদ আহমদ, আব্দুল কাদির সমছু, এডভোকেট মোস্তাক আহমেদ, আলী আকবর আলী, মাহবুব আলম, মনিরুল ইসলাম তুরন, আবুল হাসনাত, ফজলে রাব্বি আহসান, শাহিন আলম জয়, আপ্তাব উদ্দিন, ছাদিকুর রহমান টিপু, রেজাউর রহমান চৌধুরী রাজু, ললফখরুল ইসলাম পাপলু, জামাল মেম্বার, আব্দুল মালিক মল্লিক, সাহেদ মেম্বার, রুহুল আমীন, আমিনুর রহমান চৌধুরী সিফতা, পাবেল রহমান রাশেদুল হাসান চৌধুরী, দিনার আহমদ শাহ, রায়হানুল হক, মো. শাহিন আহমদ ও মেহেদি হাসান রফি।

 

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ