শিরোনাম
সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের উদ্যোগে অ্যাওয়ার্ড অর্জন হারিছ আলী কে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জ সদর হাপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতক উদ্ধার, আটক ১ দোয়ারাবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গণশুনানি সম্পন্ন। সুনামগঞ্জে সময় টিভি প্রতিনিধি হিমাদ্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের রাজস্ব আয় বাড়লে নাগরিক সেবা সম্প্রসারিত হয়: সিসিক প্রশাসক আহমদ আলী (লেখক ও গবেষক) সততা ও মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল ছাতকে অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি রাজন মিয়া-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ   দোয়ারাবাজারে পরকীয়ার প্রেমে দেবর ভাবি কারাগারে একজন যুবকের গাঁজা চাষ, যুবক গ্রেফতার
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:০৩ অপরাহ্ন

অবিলম্বে সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের দাবি বিপিজেএফের

স্টাফ রিপোর্টার / ১৫৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

60

অবিলম্বে সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের দাবি বিপিজেএফের

 

সেলিম মাহবুবঃ সারা বছরই দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকরা নানান নির্যাতনের শিকার হলেও সঠিকভাবে বিচার পান না। তাই অবিলম্বে সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন ও মর্যাদা বাড়াতে বেশ কিছু দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পেশাদার সাংবাদিক ফোরাম (বিপিজেএফ)।  

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি কাজী শরিফুল ইসলাম (শাকিল) ও সাধারণ সম্পাদক মো. রোমান আকন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানান।

 

তারা বলেন, সারা দেশের সাংবাদিকদের স্বার্থে দাবি ও মর্যাদা আদায়ে আমরা মাঠে রয়েছি। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হলেও সাংবাদিক সমাজ ও সাংবাদিকতা এখনও সুরক্ষিত নয়। বিশেষ করে তৃণমূলের সাংবাদিকরা সবচেয়েবেশি অবহেলিত। তাই তাদের সুরক্ষায় সরকারকে একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন করায় অন্তর্বতী সরকারের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

 

আমরা চাই, সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কি হবে, তা এ গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনকে নির্ধারণ করতে হবে। এছাড়াও অশিক্ষিত বা অপেশাদার কোনো ব্যক্তি যাতে এ পেশায় আসতে না পারে, সেজন্য কঠোর নীতিমালা করতে হবে এবং বাস্তবায়ন করতে হবে। একটি জাতীয় ডাটাবেজ করে দেশের সাংবাদিকদের তালিকা করতে হবে এবং অবিলম্বে সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন করতে হবে। যাতে বাংলাদেশের আর একটি সাংবাদিকও নির্যাতিত না হয়।

 

দাবিগুলো হলো-সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধে কঠোর আইন করতে হবে। মাধ্যমিক পর্যায় থেকে সাংবাদিকতা একটি অধ্যায় চালু করতে হবে। পেশাগত কাজে সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার ও হামলা-মামলার ব্যয়ভার সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে বহন করতে হবে। সারাদেশে হরতাল ও অবরোধ অথবা সংঘর্ষের ঘটনার সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য ঝুঁকিভাতা দিতে হবে। কোনো সাংবাদিককে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা মামলায় জড়ালে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এ ১৫ বছরে যত সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা হয়েছে, সেগুলোর বাদীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি জুলাই অভ্যুত্থানে যেসব সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে, সেসব মামলা প্রত্যাহারসহ বাদীকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। প্রতিটি গণমাধ্যমে সাংবাদিকদের অনুকূলে কল্যাণ ফান্ড গঠন করতে হবে। যে কোনো মামলায় দোষী প্রমাণ হওয়ার আগে কোনো সাংবাদিককে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারবে না। পাশাপাশি গণমাধ্যম ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বেতন কাঠামো নির্ধারণ করতে হবে।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ