শিরোনাম
জৈন্তাপুর উপজেলা সদরের ফতেহখাঁ রোডে বড় বড় গর্ত, চরম দুর্ভোগে পথচারীরা। সিলেটের জাফলং পর্যটন এলাকায় যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা: দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পর্যটক, হুমকিতে পরিবেশ “মাননীয় সংসদ সদস্য ইমরান চৌধুরীর প্রতি একটি খোলা চিঠি” নেত্রকোনায় অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য নির্ধারণে অনিয়মের অভিযোগ, ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক পর্যায়ক্রমে সিলেটকে একটি দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সবুজ নগরীতে রূপান্তর করা হবে – সিসিক প্রশাসক  দোয়ারাবাজারে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার ক্যানসারে আক্রান্ত আব্দুল মজিদ বাঁচতে চায় দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্ত্বর, পুরান পুলের মুখ, রেলগেইট যানজটের ‘হটস্পট’  সুনামগঞ্জ সদরে বালু পাথর ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত। ক্রাশার মেশিন ১টি  ২০০০ ফিট বড় পাথর ৮০০ ফিট ভাঙ্গা পাথর জব্দ।     
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৭:২৪ অপরাহ্ন

ভোলাহাটে কোটি কোটি টাকার রেশম প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ! এ যেনো পুকুর নয় সমুদ্রচুরী!!

স্টাফ রিপোর্টার / ১৩৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

65

ভোলাহাটে কোটি কোটি টাকার রেশম প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ! এ যেনো পুকুর নয় সমুদ্রচুরী!!

 

এম আই এস শরীফ,ভোলাহাট(চাঁপাইনবাবগঞ্জ):প্রতিনিধি:

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলায় রেশম উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় কোটি কোটি টাকার প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় রেশমচাষীরা দাবি করছেন, বরাদ্দের টাকা প্রকৃত কাজে ব্যয় না হয়ে অপচয় ও ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার হয়েছে।

 

সূত্র মতে, বরাদ্দকৃত অর্থের মাধ্যমে রেশমচাষীদের প্রশিক্ষণ, ডালাচনর্কী তৈরি, বাড়িতে রেশম চাষের ঘর নির্মাণ, তুঁতজমি তৈরি ও অন্যান্য কাজে খরচ দেখানো হয়। প্রেক্ষীতে, অল্প কিছু কাজ করে বাকিটা কাগজে-কলমে দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের হাতে আসা ভিডিওচিত্র, রেকর্ডিং এবং ছবিতে দেখা যায়, বরাদ্দের বিপরীতে মাঠপর্যায়ে প্রকৃত কাজের অপ্রতুলতা।

 

রেশমচাষীরা জানান, “আমাদের অনেক প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও বাস্তবে কিছুই পাইনি। টাকা কাগজে-কলমে খরচ দেখানো হলেও এর সঠিক ব্যবহার হয়নি।”

 

অভিযোগে জানা গেছে, রেশমচাষীদের (বসনী) একটি দুষ্কৃতিকারীচক্র ট্রেনিং করার নামে সরকারী বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ করার লোভে নামে-বেনামে ট্রেনিং আর কর্তাদের তেল মালিশ করে মোটা ধরণের বরাদ্দের অর্থ লোপাট করেছে। এ যেনো মাদকের নেশারমত নেশায় পরিণত। এ যেনো পুকুর নয় সমুদ্রচুরী। রেশম উন্নয়ন বোর্ড ভোলাহাট জোন শাখার প্রধান কর্তা অফিসে নিয়মিত প্রায় না থাকায় কর্মী বনে যান কর্তা। প্রতিষ্ঠানটিতে দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজর না থাকায় রেশম উন্নয়ন অফিসপাড়ায় অনিয়ম-দুর্নীতির আক্রা হয়ে উঠেছে। একে দেখার কেউই নেই।

 

এ প্রসঙ্গে রেশম উন্নয়ন বোর্ড ভোলাহাট জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপপরিচালক (ডিডি) মোঃ তরিকুল ইসলামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি আংশিকভাবে কিছু কাজ স্বীকার করেন। তবে অভিযোগের মূল বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো উত্তর দেননি।

 

প্রকল্পের এ ধরনের অনিয়মের অভিযোগে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। সচেতনমহল মনে করছেন, কোটি কোটি টাকার সরকারি বরাদ্দের যথাযথ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া জরুরি।

(চলবে)

ছবিক্যাপশনঃ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ভোলাহাট জোন শাখার প্রধান গেইট। এর কর্তা সরকারী বরাদ্দের কোটি কোটি লোপাটের উপপরিচালক মোঃ তরিকুল ইসলামের ছবি।

 


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ