শিরোনাম
জৈন্তাপুর উপজেলা সদরের ফতেহখাঁ রোডে বড় বড় গর্ত, চরম দুর্ভোগে পথচারীরা। সিলেটের জাফলং পর্যটন এলাকায় যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা: দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পর্যটক, হুমকিতে পরিবেশ “মাননীয় সংসদ সদস্য ইমরান চৌধুরীর প্রতি একটি খোলা চিঠি” নেত্রকোনায় অধিগ্রহণকৃত জমির মূল্য নির্ধারণে অনিয়মের অভিযোগ, ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি অপরাধ দমনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প নিচ্ছে সিসিক পর্যায়ক্রমে সিলেটকে একটি দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সবুজ নগরীতে রূপান্তর করা হবে – সিসিক প্রশাসক  দোয়ারাবাজারে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেফতার ক্যানসারে আক্রান্ত আব্দুল মজিদ বাঁচতে চায় দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্ত্বর, পুরান পুলের মুখ, রেলগেইট যানজটের ‘হটস্পট’  সুনামগঞ্জ সদরে বালু পাথর ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত। ক্রাশার মেশিন ১টি  ২০০০ ফিট বড় পাথর ৮০০ ফিট ভাঙ্গা পাথর জব্দ।     
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে অবস্থিত শাহজালাল সার কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীরা। কর্মসূচি পালন করেন

স্টাফ রিপোর্টার / ৫৪৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫

59

মোঃ দুলাল মিয়া স্টাফ রিপোর্টার:

এক কর্পোরেশন_ এক কমিশন,নিরবিচ্ছিন্ন গ্যাস সংযোগ নিশ্চিত–সহ তিন দফা দাবিতে অবস্থান ও গেইট মিটিং কর্মসূচি পালন করেছেন সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে অবস্থিত শাহজালাল সার কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীরা।

সোমবার সকাল সাড়ে ৮ টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত কারখানার তিন নম্বর গেইটে এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শ্রমিক-কর্মচারীরা।

এ সময় এসএফসিএল-এর সর্বস্থরের শ্রমিক-কর্মচারীর ব্যানারে প্রায় দুই শতাধিক শ্রমিক-কর্মচারী প্লে-কার্ড হাতে নিয়ে তাদের দাবীর পক্ষে নানা রকম স্লোগান দেন।এতে নেতৃত্ব দেন হোসাইন আহমদ পাটোয়ারী শিপন ও আমিনুল ইসলাম শ্যামল।

পরবর্তীতে শ্রমিক কর্মচারীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কারখানার বিভিন্ন প্লান্ট এরিয়া প্রদক্ষিণ করে কারখানার প্রশাসনিক ভবন চত্বরে এসে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।

এসময় আন্দোলনকারীরা বলেন- আমরা বিসিআইসির শ্রমিকরা বিভিন্ন রকম বৈষম্যের শিকার।একই কর্পোরেশনে দুই রকমের কমিশন একটা বৈষম্য মূলক নীতি।
আমরা এক কমিশন তথা বেতন কমিশনের আওতাভুক্ত হতে চাই।তারা আরও বলেন চলতি বছরের ফ্রেব্রুয়ারী মাস থেকে শাহজালাল সার কারখানার গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছ এমতাবস্থায় কারখানা বন্ধ থাকার কারনে প্রতিদিন প্রায় আড়াই কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে,কারখানার আয়ুষ্কাল কমে যাচ্ছে এবং সেইসাথে শ্রমিক কর্মচারীরাও তাদের প্রাপ্য সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে,এরই পরিপ্রেক্ষিতে তারা ‘এক কর্পোরেশন এক কমিশন’ দাবি সহ তিনদফা ঘোষণা করেছেন। তাদের এই দাবি না মানা হলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেয়া হবে বলে জানান তারা।

আন্দোলনকারী শ্রমিকদের তিন দফা হলো-

১. একই কর্পোরেশনের দুইটি আলাদা কমিশন বৈষম্যের সামিল,চাকুরীজীবিদের জন্য সরকার ঘোষিত যেকোনো সুযোগ সুবিধা একটা কমিশন সরকারের ঘোষণার সাথে সাথেই ভোগ করে থাকেন,অপরদিকে অন্য আরেক কমিশন এর আওয়াভুক্ত শ্রমিকরা ঘোষিত সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত থেকে যান।যেমনটা হয়েছে সরকার ঘোষিত বিশেষ প্রণোদনার ক্ষেত্রে।

এমন বৈষম্যমূলক নীতির বিপরীতে তাদের দাবি-
“এক কর্পোরেশন এক কমিশন”
২.দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং কারখানার আয়ুষ্কাল বৃদ্ধির লক্ষ্যে এসএফসিএল-এ সারা বছর নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সংযোগ চালু রাখা।

৩. ২০২৩ সালের ঘোষিত ৫% বকেয়া প্রণোদনাসহ ১৫% বিশেষ প্রণোদনা অতি দ্রুত সময়ে কার্যকর করা,সেইসাথে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে যথাসময়ে শ্রমিক-কর্মচারীদের প্রমোশন,উচ্চতর গ্রেড এবং লাম্পগ্রান্ট বাস্তবায়ন।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ