শিরোনাম
৬৩ এতিম মেয়েকে জীবন সঙ্গী দিলো সিডস অব সাদাকাহ, :আনুষ্ঠানিকতায় বিশিষ্টজনের উপস্থিতি  নতুন নববর্ষের সকালে- দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পূজো দিতে ভক্তদের যনজোয়ার জাফলংয়ে কূপ থেকে দেশীয় পিস্তল উদ্ধার, আটক ৩ ভারতীয় সিএনজি আসছে বাংলাদেশ  হচ্ছে যন্ত্রাংশ পরিবর্তন চক্রের এক সদস্য আটক জাফলংয়ে মুসলিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানতে চায় কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ: শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার, মানসম্মত শিক্ষা ও নকলমুক্ত পরীক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: -শিক্ষামন্ত্রী সিলেট,  রাজনগরের কুশিয়ারায় ১৫৬ কেজির বিশাল বাঘ মাছ, দেখতে ভিড় সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে বাঙ্কার এলাকায় পাথর উত্তোলনের সময় গর্তের বালু ধসে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। জুড়ী অঞ্চলের মাটি উর্বর,তাই জুড়ীকে কৃষি হাবে রূপান্তরে সরকারের উদ্যোগ করেছে সরকার –মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন

পদ্মা ভাঙন থামাও, হরিরামপুর বাঁচাও জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান-নদী ভাঙ্গন কবলিত দুঃস্থ -অসহায় এলাকাবাসী

স্টাফ রিপোর্টার / ৪২৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫

4

মোহাম্মদ আলী,স্টাফ রির্পোর্টার:

হরিরামপুর উপজেলার খালপাড় গ্রাম আজ ভয়াবহ নদীভাঙনের মুখে। প্রতিনিয়ত পদ্মার গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে জিও ব্যাগ,ঘরবাড়ি, মাঠঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অমূল্য স্থাপনা আজকে হুমকির মুখে,এই এলাকা শুধু একটি গ্রাম নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা কেন্দ্র, যেখানে অবস্থিত: শতাধিক সরকারি অফিসএকাধিক প্রাইমারি ও হাই স্কুল
থানা, হাট-বাজার, মসজিদ, এতিমখানা, মন্দির
গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা প্রশাসনিক ভবন ও মাঠ

ইল্লেখ্য,বন্যার মৌসুমের পানি এলেই পদ্মা নদীর ভাঙন ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে। ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, জিও ব্যাগ দিয়ে সাময়িক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হলেও, তা এখন সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। মাটি ফেটে যাচ্ছে, বাঁধ ধসে পড়ছে।

কয়েকটি জিও ব্যাগ দিয়ে পদ্মার ভাঙন ঠেকানো সম্ভব নয়।
এটি কোনও স্থায়ী সমাধান নয় এমনটি দাবি জানিয়েছেন পদ্মাপাড়ের। হরিরামপুরবাসীর দাবি অবিলম্বে স্থায়ী বেরিবাঁধ নির্মাণ করুন।
আমরা হরিরামপুর উপজেলা প্রশাসন, মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসন এবং মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ উপরে মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি ও আশঙ্কা:
জরুরি ভিত্তিতে নতুন জিও ব্যাগ ফেলা হোক
স্থায়ী ও টেকসই বেরিবাঁধ প্রকল্প হাতে নেওয়া হোক
স্থানীয় সকল অফিস, ধর্মীয় উপাসনালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রক্ষায় ব্যবস্থা নেওয়া হোক

আজ পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না।
দিন দিন নদীভাঙনের তীব্রতা বেড়েই চলেছে।
এটি শুধু একটি গ্রামের ক্ষতি নয়, একটি পুরো উপজেলার অস্তিত্ব আজ প্রশ্নের মুখে। পদ্মা ভাঙন থামাতে আওয়াজ তুলুন — হরিরামপুরকে বাঁচাতে এক হই।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ